বাকলিয়া সরকারি কলেজে পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠানে মেয়র

প্রাতিষ্ঠানিক শিক্ষা ও নৈতিক শিক্ষা একে অপরের পরিপূরক

বিজ্ঞপ্তি

শনিবার দুপুরে বাকলিয়া সরকারি কলেজের ক্রীড়া ও পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠান সম্পন্ন হয়েছে। চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশনের মেয়র আ জ ম নাছির উদ্দীন এই অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে ক্রীড়া প্রতিযোগীতায় বিজয়ীদের হাতে পুরস্কার তুলে দেন। এ উপলক্ষে আয়োজিত সমাবেশে সভাপতিত্ব করেন বাকলিয়া সরকারি কলেজের অধ্যক্ষ প্রফেসর মোহাম্মদ সিরাজ উদ্দৌলা। অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখেন কলেজের বার্ষিক বহিঃক্রীড়া পরিচালনা কমিটির আহবায়ক ড. বিপ্লব গাঙ্গুলী, কলেজ শিক্ষক পরিষদের সম্পাদক মোহাম্মদ কামাল হোসেন, বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের সাবেক সহ সম্পাদক দিদারুল আলম দিদার, বাকলিয়া থানা আওয়ামী লীগের সদস্য এস এম মোক্তার হোসেন লিটন, বাকলিয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা প্রণব চৌধুরী, পাঁচলাইশ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা আবুল কাসেম ভূঁইয়া প্রমুখ। মেয়র কলেজের বিদ্যমান সমস্যা নিরসন এবং কলেজের অবকাঠামো উন্নয়নে তাঁর পক্ষ থেকে সর্বাত্নক সহযোগিতার আশ্বাস দেন। তিনি বলেন, সুনাগারিক ছাড়া দেশ ও জাতির কল্যাণ সম্ভব নয়। মেয়র শিক্ষার্থীদেরকে প্রাতিষ্ঠানিক শিক্ষার পাশাপাশি নৈতিক শিক্ষায় শিক্ষিত হওয়ার পরামর্শ দেন। তিনি বলেন, নৈতিক শিক্ষা ও প্রাতিষ্ঠানিক শিক্ষা ও একে অপরের পরিপূরক।
সিটি মেয়র বলেন, একটি আদর্শ শিক্ষা প্রতিষ্ঠানই পারে আলোকিত ও মূল্যবোধ সম্পন্ন সুনাগরিক সৃষ্টি করতে। আমাদের সমাজে নীতি-নৈতিকতার যে অবক্ষয় চলছে, তা থেকে শিক্ষার্থীদের রক্ষা করতে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান গুলোর একটি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রয়েছে। বর্তমানে অনেক শিক্ষার্থী মাদকাসক্ত ও অনৈতিক কার্যকলাপে জড়িয়ে পড়ছে। এটা আমাদের শঙ্কিত করে। একজন শিক্ষার্থীকে শুধু ভাল ফলাফল করলে চলবে না, তাকে পরোপকারী ও নিজ গুণে গুণান্বিত হতে হবে। মেয়র বলেন, সরকার আলোকিত নাগরিক সৃষ্টির লক্ষ্যে শিক্ষা খাতে ভর্তূকি দিয়ে প্রতি বছর কোটি কোটি শিক্ষার্থীর হাতে বিনামুল্যে পাঠ্যবই বিতরণ করে আসছে। যা ইতিহাসে বিরল ঘটনা। এর উদ্দেশ্য হচ্ছে ছেলে-মেয়েদের শিক্ষাদীক্ষায় জ্ঞান বিজ্ঞানে স্বনির্ভর করা। এর ফলে দেশে শিক্ষা ও সাক্ষরতার হার বেড়েছে। ১০ বছর আগেও যেখানে বাংলাদেশর সার্বিক সাক্ষরতা হার ছিল অর্ধেক জনগোষ্ঠিরও কম। সেখানে বর্তমানে তা দুই-তৃতীয়াংশে উঠে এসেছে।