সিভাসুর সাথে আসাম কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের চুক্তি স্বাক্ষর

প্রশিক্ষণ ও গবেষণায় আরো উন্নত হবে সিভাসু

নিজস্ব প্রতিবেদক

প্রশিক্ষণ ও প্রদর্শনের পাশাপাশি গবেষণাকে উন্নত ও সমৃদ্ধ করলে বিশ্বের উল্লেখযোগ্য বিশ্ববিদ্যালয় হিসেবে প্রতিষ্ঠা পাওয়া সম্ভব বলে মন্তব্য করলেন ভারতের আসাম কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য ড. কে. এম বুজার বড়ুয়া।
তিনি চট্টগ্রাম ভেটেরিনারি ও এনিম্যাল সাইন্সেস বিশ্ববিদ্যালয়ের কনফারেন্স কক্ষে আয়েজিত ‘বন্যপ্রাণী স্বাস্থ্য ও ব্যবস্থাপনা’ বিষয়ক আসাম কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের সাথে দ্বিপাক্ষিক সমঝোতা চুক্তি স্বাক্ষর অনুষ্ঠানে এ মন্তব্য করেন।
চট্টগ্রাম ভেটেরিনারি ও এনিম্যাল সাইন্সেস বিশ্ববিদ্যালয় ও আসাম কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের দ্বিপাক্ষিক এ চুক্তির মাধ্যমে প্রশিক্ষণ ও গবেষণায় দুই বিশ্ববিদ্যালয় পারস্পরিক সহযোগিতা ও নানা সুবিধা লাভ করবে বলে অনুষ্ঠানে আশাবাদ ব্যক্ত করা হয়।
আসাম কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য ড. কে. এম বুজার বড়ুয়া বলেন, ‘ চট্টগ্রাম ভেটেরিনারি ও এনিম্যাল সাইন্সেস বিশ্ববিদ্যালয়ের মত নতুন একটি প্রতিবেশী বিশ্ববিদ্যালয়ের সাথে সুসম্পর্ক গড়তে পেরে আমি অনেক খুশি। আমি আশা করবো এ চুক্তির মাধ্যমে দুইটি বিশ্ববিদ্যালয় প্রশিক্ষণ ও গবেষণায় উন্নতি লাভ করতে সক্ষম হবে। যেহেতু চট্টগ্রাম ও আসামের পরিবেশ, ভাষা ও জীবনযাত্রায় অনেক কিছুই মিল আছে, তাই এ চুক্তি আমাদের কর্মক্ষেত্রকে আরো সৃজনশীল ও কার্যকরী করবে।’
তিনি চট্টগ্রাম ভেটেরিনারি ও এনিম্যাল সাইন্সেস বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য প্রফেসর ড. গৌতম বুদ্ধ দাশের এক প্রস্তাবনার পরিপ্রেক্ষিতে বলেন, ‘চট্টগ্রাম ভেটেরিনারি ও এনিম্যাল সাইন্সেস বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্ররা যদি আসাম কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ে প্রশিক্ষণ বা গবেষণার উদ্দেশ্যে যায় আমরা তাদের বিনামূল্যে থাকার সুযোগ করে দিব।’
চট্টগ্রাম ভেটেরিনারি ও এনিম্যাল সাইন্সেস বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য প্রফেসর গৌতম বুদ্ধ দাশ বলেন, ‘বর্তমানে আমাদের বিশ্ববিদ্যালয়ের সাথে আমেরিকা, ইউরোপ, জাপান, ভারত, থাইল্যান্ড ও মালয়েশিয়াসহ আরো কয়েকটি বৈদেশিক স্বনামধন্য বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রাতিষ্ঠানিক পর্যায়ে কার্যকরী প্রশিক্ষণ ও গবেষণা চুক্তি আছে। যার ফলে আমাদের শিক্ষার্থীরা নানা প্রশিক্ষণে অংশগ্রহণ করে অভিজ্ঞতা সঞ্চয়ের সুযোগ পায়। আসাম কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের মত প্রাচীন একটি বিশ্ববিদ্যালয়ের সাথে চুক্তি করে আমরা অনেক আনন্দিত। কেননা তাদের অভিজ্ঞতা আমাদের প্রশিক্ষণ ও গবেষণায় অনেক কার্যকরী ভূমিকা রাখবে।’