প্রকাশিত সংবাদ নিয়ে সিডিএ’র ব্যাখ্যা

দৈনিক সুপ্রভাত পত্রিকায় গতকাল ১১ জুলাই প্রকাশিত ‘লালখান বাজার থেকে বিমানবন্দর পর্যন্ত এলিভেডেট এক্সপ্রেসওয়ের দরপত্র: একটি পক্ষকে কাজ পাইয়ে দিতে চান সিডিএ চেয়ারম্যান’ শিরোনামে প্রকাশিত সংবাদটি সঠিক নয় দাবি করেছে চট্টগ্রাম উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ (সিডিএ)। সংবাদটির প্রতিবাদ জানিয়ে এর ব্যাখ্যা দিয়েছে সিডিএ। ব্যাখ্যায় বলা হয় :
‘চট্টগ্রাম উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ কর্তৃক বাস্তবায়নাধীন চট্টগ্রাম শহরের লালখান বাজার থেকে শাহ আমানত আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর পর্যন্ত এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়ে নির্মাণ প্রকল্পটি গত বছরের ১১ জুলাই একনেকে অনুমোদিত হয়। অনুমোদিত ডিপিপি’তে কাজটি দেশীয় টেন্ডারের মাধ্যমে দুই খাম বিশিষ্ট (ঙহব ঝঃধমব ঞড়ি ঊহাবষড়ঢ়ব গবঃযড়ফ) উন্মুক্ত দরপত্রের মাধ্যমে করার কথা বলা হয়েছে। এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়ে নির্মাণ কাজটির প্রাক্কলন তৈরি, দরপত্র আহ্বান, দরপত্র দলিল তৈরিকরণসহ যাবতীয় ডিজাইন ও সুপারভিশনের জন্য ইতিমধ্যে পরামর্শক প্রতিষ্ঠান হিসাবে উউঈ-ঝঅজগ-উচগ-ঐঘজইও (ঔঠ) ৪টি প্রতিষ্ঠানকে যৌথভাবে নিয়োগ প্রদান করা হয়েছে। নিয়োগকৃত পরামর্শক প্রতিষ্ঠানের সুপারিশক্রমে ও অনুমোদিত ডিপিপি’র আলোকে এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়ে নির্মাণে ঠিকাদার নিয়োগের লক্ষ্যে গত ১ জুলাই উন্মুক্ত দরপত্র আহ্বান করা হয়। উক্ত দরপত্রে দেশে বিদ্যমান ঠিকাদারকে প্রাধান্য দিয়ে দরপত্রের শর্তাবলী ঠিক করা হয়েছিল। কিন’ দরপত্র পত্রিকায় প্রকাশের পর দেশী-বিদেশী
প্রতিষ্ঠানসমূহের অংশগ্রহই নিশ্চিত করার জন্য চেয়ারম্যানের নির্দেশক্রমে প্রকাশিত শর্তসমূহ পরিবর্তন করে নতুন শর্তাবলী দিয়ে দরপত্রটির সংশোধনী ১০ জুলাই প্রকাশিত হয়। পরবর্তিত শর্তে গত ১০ বৎসরে ৩ কিলোমিটার চার লেইন বিশিষ্ট ফ্লাইওভার বা ব্রিজ নির্মাণের পরিবর্তে ৮ কিলোমিটার চার লেইন বিশিষ্ট ফ্লাইওভার বা ব্রিজ দেশে অথবা দেশে বা বিদেশে নির্মাণের অভিজ্ঞতা চাওয়া হয়েছে। এতে আন্তর্জাতিক দরপত্র লেখা না থাকলেও সরকারের বর্তমান ক্রয় নীতিমালা অনুয়ায়ী দুই খাম বিশিষ্ট দরপত্রে দেশের ভেতরের কোম্পানির পাশাপাশি বিদেশী যেকোনো কোম্পানি এককভাবে বা দেশীয় কোম্পানির সাথে যৌথভাবে দরপত্র জমা দিতে পারবে। এতে কোনো বাধা নেই। এখানে উল্লেখ্য যে, সিডিএ গত ১০ বৎসরে চট্টগ্রামের উন্নয়নের বহু প্রকল্প বাস্তবায়ন করেছে। এই সব প্রকল্পের টেন্ডার প্রক্রিয়ায় যাবতীয় কর্মকাণ্ড সরকারের ক্রয় নীতিমালা অনুয়ায়ী শতভাগ অনুসরণ করা হয়েছে।
তদানুযায়ী চট্টগ্রাম শহরের লালখান বাজার থেকে শাহ আমানত আর্ন্তজাতিক বিমানবন্দর পর্যন্ত এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়ে নির্মাণ কাজের দরপত্রের ক্ষেত্রে ও সরকারি ক্রয় নীতিমালা শতভাগ পালন করে দরপত্র আহ্বান করা হয়েছে। উড়ো চিঠির মাধ্যমে যে সমস্ত কাল্পনিক অভিযোগ করা হয়েছে, তা উদ্দেশ্যপ্রণোদিত, ভিত্তিহীন ও বর্তমান সরকারের উন্নয়নের বিপরীতে একটি ষড়যন্ত্র।’