পাটপণ্য রপ্তানিতে উৎসে কর প্রত্যাহারের দাবি

সুপ্রভাত ডেস্ক

পাটপণ্য রপ্তানিতে উৎসে কর প্রত্যাহারে দাবি জানিয়েছে বাংলাদেশ জুট মিলস অ্যাসোসিয়েশনের (বিজিএমএ) চেয়ারম্যান মোহাম্মদ শামস-উজ জোহা।
গতকাল মঙ্গলবার সেগুন বাগিচায় জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের (এনবিআর) সম্মেলন কক্ষে প্রাক বাজেট আলোচনায় এ প্রস্তাব তুলে ধরেন তিনি।
এনবিআর চেয়ারম্যান মো. মোশাররফ হোসেন ভূঁইয়ার সভাপতিত্বে সভায় এনবিআর’র ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা এবং সভায় নিট পোশাক প্রস্তুত ও রপ্তানিকারক সমিতি (বিকেএমইএ), বাংলাদেশ টেক্সটাইল মিলস অ্যাসোসিয়েশন (বিটিএমএ) প্রতিনিধিরাও উপসি’ত ছিলেন।
লিখিত বক্তব্য বলা হয়, পাটপণ্য রপ্তানি বিল থেকে দশমিক ৬০ শতাংশ হারে উৎস কর কর্তন করা হচ্ছে।
ভারত কর্তৃক অ্যান্টি-ডাম্পিং শুল্করোপ ও মধ্যপ্রাচ্যে রাজনৈতিক অসি’রতার কারণে পাটপণ্যের রপ্তানি কমে যাওয়ায় পাটশিল্পের আর্থিক দুরবস’াকে আরও সংকটময় করে তুলছে। সেজন্য পাটপণ্য রপ্তানিতে উৎসে কর প্রত্যাহারের প্রস্তাব করা হয়েছে। খবর বাংলানিউজটোয়েন্টিফোর.কম এর।
পাটপণ্যের রপ্তানি ভর্তুকি থেকে ৩ শতাংশ হারে আয়কর নির্ধারণ করা রয়েছে। সেজন্য রপ্তানি ভর্তুকি আয়কর মুক্ত রাখতে হবে। পাটশিল্প যেহেতু শ্রমঘন শিল্পের সঙ্গে প্রত্যক্ষ বা পরোক্ষভাবে প্রায় চার কোটি লোক জড়িত এবং যেহেতু পাটপণ্যে শতাভাগ মূল্য সংযোজিত পণ্য সেহেতু পাটপণ্য প্রস্তুতে টেলিফোন,পণ্য পরিবহন, জাহাজীকরণসহ এ শিল্পের সঙ্গে সম্পর্কিত অন্যান্য সর্বক্ষেত্রে ভ্যাট মওকুকের প্রস্তাব জানানো হয়।
এছাড়াও করদাতাদের হয়রানি কমানোর জন্য আয়কর নির্ধারণের পর ১৭৩ ধারায় ভুল সংশোধনের আবেদন করা হলে তা সংশোধন, আয়কর সনদ, সার্টিফাইড কপি এবং ক্লিয়ারেন্স সার্টিফিকেট দেওয়া জন্য সর্বোচ্চ সময়সীমা নির্ধারণ করার প্রস্তাব করা হয়েছে।