পাইকারি বাজার বস্তায় ৫০ টাকা পর্যন্ত কমল আমদানিকৃত চাল

নিজস্ব প্রতিবেদক

দেশি চাল কিছুটা ঊর্ধ্বদামে স্বাভাবিক থাকলেও আমদানিকৃত চালের দাম বস্তাপ্রতি ৫০ টাকা পর্যন্ত কমেছে। এর কারণ হিসেবে ব্যবসায়ীরা আসন্ন বোরো ফলন ও সরকারের খোলা বাজারে চাল বিক্রি কর্মসূচি (ওএমএস) এর ইতিবাচক সাড়া হিসেবে দেখছেন।
গতকাল চাক্তাই চালপট্টির ব্যবসায়ী এম সরওয়ার চৌধুরী সুপ্রভাতকে জানান, গত বৃহস্পতিবার থেকে ভারত, পাকিস্তান, মিয়ানমার ও থাইল্যান্ড থেকে আমদানিকৃত চালের দাম বস্তাপ্রতি ৫০ টাকা হ্রাস পেয়েছে। তবে দেশি চালের দাম স্বাভাবিকই আছে।
এম সরওয়ার চৌধুরী জানান, ৫০ কেজি ওজনের দেশি মোটা আতপ চাল আগের মতো ১৪৮০ টাকা, বেতি-২৯ ১৯৫০ টাকা, বেতি-২৮ ২০৫০ টাকা, মিনিকেট ২৪৮০ টাকা ও কাটারি পাইজাম ২৬০০ টাকা, কাটারি ভোগ ২৯৫০ টাকা, মোটা সিদ্ধ ১৭৫০ টাকা, বালাম সিদ্ধ ১৯০০ টাকা, পারি সিদ্ধ ২২২০ টাকা, মিনিকেট সিদ্ধ ১৯০০ টাকা, জিরা সিদ্ধ ২৭০০ টাকা, চিনিগুড়া আতপ ৩৫০০ টাকা, নাজিরশাইল ২৮০০ টাকায় বিক্রি হলেও বার্মা বেতি ১৬০০ টাকা, বার্মা মোটা ১৫৬০ টাকা, পাকিস্তান বেতি ১৯০০ টাকা, ইন্ডিয়ান বেতি ১৭৫০ টাকা এবং থাইল্যান্ড বেতি ২০৫০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে যা বৃহস্পতিবারের আগের দামের চেয়ে ৫০ টাকা কম।
চাক্তাই চাল ব্যবসায়ী সমিতির সভাপতি এনামুল হক এনাম চালের দাম কমার কারণ সম্পর্কে সুপ্রভাতকে বলেন, সরকার চালের বাজার নিয়ন্ত্রণ করতে চলতি মাসের ৪ তারিখ থেকে খোলা বাজারে চাল বিক্রি কর্মসূচি (ওএমএস) হাতে নেয়। পাশাপাশি আর এক মাস বাদে আসছে ধানের সবচেয়ে বড় ফলন বোরোর ফসল। ফলে ব্যবসায়ী ও মিলার যারা ধান-চাল মজুদ রেখেছিল তারা তড়িঘড়ি বাজারে ছেড়ে দিচ্ছে। এতে আমদানি চালের উপর বাজারের নির্ভরতা কমায় দাম কিছুটা কমেছে। ধীরে ধীরে আমদানিকৃত চালের পাশাপাশি দেশীয় চালের দামও হ্রাস পাবে।