পবিত্র শবে মিরাজ পালিত

নিজস্ব প্রতিবেদক

যথাযোগ্য ধর্মীয় মর্যাদা ও ইবাদত-বন্দেগির মধ্য দিয়ে শনিবার বন্দর নগরীতে পালিত হয়েছে পবিত্র ও মহিমান্বিত রজনী শবে মিরাজ। মহিমান্বিত এই রাতে ধর্মপ্রাণ মুসলমানরা পরম করুণাময়ের অনুগ্রহ লাভের আশায় রাতভর ইবাদত, নফল নামাজ, পবিত্র কোরআন তিলাওয়াত ও জিকিরে মগ্ন ছিলেন। অনেকে রোজা রেখেছেন।
চট্টগ্রামের জাতীয় মসজিদ জমিয়তুল ফালাহ, আন্দরকিল্লাহ শাহী জামে মসজিদ, হযরত গরীব উল্লাহ শাহ (রহ.) জামে মসজিদ, ষোলশহর জামেয়া আহমদিয়া সুন্নিয়া আলীয়া মাদ্রাসা সংলগ্ন খানকায়ে কাদেরিয়া সৈয়্যদিয়া তৈয়্যবিয়া, লালদীঘি জামে মসজিদসহ নগরীর বিভিন্ন পাড়া-মহল্লার মসজিদে শবে মিরাজের গুরুত্ব ও তাৎপর্য নিয়ে ওয়াজ ও মিলাদ মাহফিলের আয়োজন করা হয়।
মহানবী হযরত মুহাম্মদ (দ.) এর জীবনের সবচেয়ে আলোড়ন সৃষ্টিকারী ঘটনা ‘মিরাজ’।
এই রাতেই মহানবী হযরত মুহাম্মদ (দ.) ফেরেশতা হযরত জিবরাইল (আ.) এর সাথে পবিত্র কাবা শরীফ হতে বোরাক নামের বাহনে যাত্রা করে ফিলিস্তিনে অবসি’ত পবিত্র বায়তুল মুকাদ্দাস মসজিদে যান। সেখানে অন্যান্য নবী-রাসুলের সঙ্গে দুই রাকাত নফল নামাজে তিনি ইমামতি করেন। এরপর ঊর্ধ্বাকাশে গমন করেন। এই সময় তিনি নভোমণ্ডল, বেহেশত-দোজখ ও সৃষ্টির বিভিন্ন রহস্য প্রত্যক্ষ করেন এবং পূর্ববর্তী নবীদের সাক্ষাৎ লাভ করেন। সপ্তম আসমান পেরিয়ে তিনি আরশে আজিমে ধনুক পরিমাণ দূরত্বে
থেকে মহান আল্লাহ পাকের সাক্ষাত লাভ করেন। সরাসরি মহান আল্লাহ’র সঙ্গে তাঁর কথোপকথন হয়। পাঁচ ওয়াক্ত নামাজের হুকুম নিয়ে তিনি আবার পৃৃথিবীতে ফিরে আসেন।
এ কারণেই আরবী হিজরি সনের রজব মাসের ২৬ তারিখের রাতটি মুসলমানদের কাছে অত্যন্ত পবিত্র ও তাৎপর্যপূর্ণ।