পটিয়ায় গৃহবধূকে ধর্ষণ, গ্রেফতার ৩

নিজস্ব প্রতিনিধি, পটিয়া

কর্ণফুলী উপজেলার চরলক্ষ্যা ইউনিয়নে এবার এক গৃহবধূ (৪০) সংঘবদ্ধ ধর্ষণের শিকার হয়েছেন। শনিবার ভোর রাতে গোয়ালপাড়া এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। পুলিশ অভিযান চালিয়ে ধর্ষকদের মধ্যে চরলক্ষ্যা গ্রামের মৃত আমির হোসেনের পুত্র মো. ইমরান (৩০), একই গ্রামের আবদুল হালিমের পুত্র মো. শাহজাহান (৩২) ও আবদুল হাকিমের পুত্র কাউসার হালিম মুন্নাকে (১৮) গ্রেফতার করেছে। ধর্ষণের সঙ্গে জড়িত মো. হাশেমের পুত্র নুরুল আমিন (২৭) নামের আরো একজন পলাতক রয়েছে।
পুলিশ ও স’ানীয় সূত্রে জানা গেছে, চরলক্ষ্যা ইউনিয়নের গোয়ালপাড়া এলাকার এক গৃহবধূ স্বামীর সঙ্গে অভিমান করে ভোর রাতে ঘর থেকে বের হয়ে যাওয়ার সময় এ ঘটনা ঘটে। কর্ণফুলী থানার উপপরিদর্শক মোহাম্মদ হোসেন জানিয়েছেন, ধর্ষিতার স্বামী মোহাম্মদ নাছির চট্টগ্রাম বন্দরের শ্রমিক। প্রতিদিনের মত শুক্রবার রাতে ভাত খেয়ে স্বামী-স্ত্রী ঘুমাতে যায়। স্বামী-স্ত্রীর সাথে কথা কাটাকাটির এক পর্যায়ে স্ত্রী অভিমান করে ঘর থেকে বেরিয়ে পড়েন। স্বামীর বাড়ির পাশেই গৃহবধূর বাপের বাড়ি। রাত অনুমান দেড়টার দিকে ঘর থেকে বেরিয়ে যাওয়ার সময় মুল্লার বাপের বাড়ি এলাকায় গৃহবধূকে ৪ জন লম্পট ধর্ষণ করে। পরে গৃহবধূ কান্না করতে করতে বাপের বাড়িতে ফিরে যায়। সেখানে গিয়ে ঘটনা বর্ণনা করেন এবং স্ত্রীকে খোঁজ করতে স্বামী শ্বশুরবাড়িতে যান। পরে কর্ণফুলী থানা পুলিশকে জানানো হলে পুলিশ অভিযান চালিয়ে তিন লম্পটকে রাতেই গ্রেফতার করে।
কর্ণফুলী থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) ছৈয়দুল মোস্তাফা নিশ্চিত করেছেন। তিনি জানিয়েছেন, স্বামীর সঙ্গে অভিমান করে ঘর থেকে বেরিয়ে গেলে গৃহবধূ ধর্ষকদের খপ্পরে পড়েন। ঘটনার পর ধর্ষিতাকে উদ্ধার করা হয়েছে। এ ব্যাপারে স্বামী মোহাম্মদ নাছির বাদি হয়ে একটি ধর্ষণ মামলা দায়ের করেছেন বলে জানান।
উল্লেখ্য, এর আগেও ২০১৭ সালের ১২ ডিসেম্বর কর্ণফুলী উপজেলার (সাবেক পটিয়া উপজেলা) বড়উঠান ইউনিয়নের শাহমীরপুর এলাকার দুবাই প্রবাসী ওবায়দুল গাফেরের ঘরের গ্রিল কেটে ডাকাতদলের সদস্যরা প্রবেশ করে ওই পরিবারের তিন গৃহবধূ ও এক ননদসহ চার নারীকে ধর্ষণ করে।