পটিয়ায় খাল খনন কাজে বাধা

ফেরত যাচ্ছে কোটি টাকা

নিজস্ব প্রতিনিধি, পটিয়া

পটিয়ায় খাল খনন কাজে বাধা দেওয়ার অভিযোগ পাওয়া গেছে। পটিয়া পৌর সদরের সুচক্রদন্ডী গ্রামে পানি উন্নয়ন বোর্ডের অধীনে ৫ কিলোমিটার খাল খনন কাজ আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করা হলেও গ্রামবাসীর বাধার কারণে বর্তমানে কাজ বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে। তাদের অভিযোগ, জায়গার মালিককে কোন ধরনের ক্ষতিপূরণ না দিয়ে জায়গার উপর দিয়ে খাল খনন কাজ করার চেষ্টা করছে। যার কারণে গ্রামবাসী খনন কাজ বন্ধ করে দিয়েছেন। ফলে মরা খাল খনন কাজের ১ কোটি টাকা ফেরত যাচ্ছে। তবে পটিয়া পৌরসভার প্যানেল মেয়র ও কাউন্সিলর ইঞ্জিনিয়ার রূপক কুমার সেন বিষয়টি সমাধান করে পুনরায় খাল খনন প্রক্রিয়া করার চেষ্টা করছেন। স’ানীয় সূত্রে জানা গেছে, পানি উন্নয়ন বোর্ডের অর্থায়নে চট্টগ্রামের পটিয়াসহ ৮ উপজেলার মরা খালসহ প্রায় ৮ কোটি টাকার কাজ সম্প্রতি পানি সম্পদ মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব মোহাম্মদ ইউসুফ উদ্বোধন করেন। উদ্বোধনের সময় পটিয়া পৌরসভার মেয়র ও উপজেলা আওয়ামী লীগ সাধারণ সম্পাদক অধ্যাপক হারুনুর রশিদ, স’ানীয় কাউন্সিলর রূপক কুমার সেনসহ এলাকার লোকজন উপসি’ত ছিলেন। সুচক্রদন্ডী গ্রামের মরা খালটি দীর্ঘদিন ধরে ভরাট থাকার কারণে প্রতি বর্ষা মওসুমে উপজেলার হাইদগাঁও, পটিয়া পৌর সদর, দক্ষিণ ভূর্ষিসহ আশপাশের এলাকা পানিতে প্লাবিত হয়। এতে মানুষের ব্যাপক ক্ষতি হয়ে থাকে।
গ্রামবাসীর দীর্ঘদিনের দাবির প্রেক্ষিতে পানি উন্নয়ন বোর্ডের আওতায় চট্টগ্রামের পটিয়াসহ ৮ উপজেলায় ভরাট হয়ে যাওয়া মরা খাল ও জলাশয় খননের টেন্ডার হয়। পটিয়া পৌরসভার ২নম্বর ওয়ার্ড আওয়ামী লীগের সাবেক সাধারণ সম্পাদক মুজিবুর রহমান বলেন, পানি উন্নয়ন বোর্ডের অধীনে সুচক্রদন্ডী গ্রামের মরা খালটি খনন করার কথা থাকলেও তা না করে মানুষের চাষাবাদের জমি কেটে খাল করার চেষ্টা করছে। যার কারণে গ্রামবাসী কাজ বন্ধ করে দিয়েছেন। তাছাড়া মানুষের চাষাবাদের জমির কোন ধরনের ক্ষতিপূরণ না দেওয়ার কারণে গ্রামবাসী ক্ষুব্ধ। এ ব্যাপারে পানি উন্নয়ন বোর্ডের পটিয়ার উপ বিভাগীয় প্রকৌশলী মো. শওকত হোসেন জানান, চট্টগ্রামের ৮ উপজেলায় এক সঙ্গে মরা খাল খনন কাজ শুরু হলেও পটিয়া পৌরসভার সুচক্রদন্ডী গ্রামের লোকজন কাজে বাধা দিচ্ছে। নির্ধারিত সময়ের মধ্যে কাজ করতে না পারলে প্রায় ১ কোটি টাকার ফেরত যাবে।