নয় মাসে কৃষিঋণ বিতরণ ১৭ হাজার কোটি টাকা

সুপ্রভাত ডেস্ক

চলতি অর্থবছরের জুলাই থেকে মার্চ পর্যন্ত ৯ মাসে ১৭ হাজার ৩২৭ কোটি টাকার কৃষিঋণ বিতরণ করেছে ব্যাংকগুলো। এর মধ্যে তফসিলী ব্যাংকগুলো বিতরণ করেছে ১৬ হাজার ২১৪ কোটি টাকা। পাশাপশি পুন:অর্থায়ন বিভাগ ৪১৫ কোটি টাকা এবং বাংলাদেশ পল্লী উন্নয়ন বোর্ড বিতরণ করেছে ৬৯৮ কোটি টাকা।
চলতি অর্থবছরে বাংলাদেশ ব্যাংকের বার্ষিক নীতিমালায় কৃষিঋণ বিতরণের নতুন লক্ষ্যমাত্রা ধরা হয়েছে ২০ হাজার ৪০০ কোটি টাকা। এ বছর বাণিজ্যিক ব্যাংকগুলোর বাইরে বাংলাদেশ সমবায় ব্যাংক ২০ কোটি এবং বাংলাদেশ পল্লী উন্নয়ন বোর্ড (বিআরডিবি) ৭২০ কোটি টাকার কৃষিঋণ বিতরণ করবে বলে নীতিমালায় উল্লেখ করা হয়েছে। খবর অর্থসূচক এর। প্রতিবেদন বিশ্লেষণ করে দেখা গেছে, কৃষিঋণ বিতরণে শীর্ষে রয়েছে সরকারি খাতের বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংক। চলতি অর্থবছরের ৯ মাসে বিশেষায়িত এ ব্যাংকটি ৩ হাজার ৬৫৮ কোটি টাকার কৃষিঋণ বিতরণ করেছে। অর্থবছরের ৯ মাসে লক্ষ্যমাত্রার ৭৪ শতাংশ কৃষিঋণ বিতরণ করেছে কৃষি ব্যাংক। পুরো অর্থবছরের জন্য কৃষিঋণ বিতরণে ব্যাংকটির লক্ষ্যমাত্রা ৪ হাজার ৯০০ কোটি টাকা। এর পরেই রয়েছে রাজশাহী কৃষি উন্নয়ন ব্যাংক। আলোচ্য সময়ে এ ব্যাংকটি এক হাজার ৫১ কোটি টাকা কৃষিঋণ বিতরণ করেছে, যা লক্ষ্যমাত্রার প্রায় ৬৮ শতাংশ। পুরো অর্থবছরের জন্য এ ব্যাংকটির লক্ষ্যমাত্রা ১ হাজার ৬৮০ কোটি টাকা।
কৃষিঋণ বিতরণের দিক থেকে ৩য় স’ানে রয়েছে ইসলামী ব্যাংক বাংলাদেশ লিমিটেড। এই অর্থবছরে ৯৯৭ কোটি টাকা বিতরণ করেছে ব্যাংকটি। যা নির্ধারিত লক্ষ্যমাত্রার ৮৬ শতাংশ। ইসলামী ব্যাংকের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে ১ হাজার ১৫৭ কোটি টাকা। এর পরেই রয়েছে জনতা ব্যাংক। ৯ মাসে ৬২৯ কোটি টাকা কৃষিঋণ বিতরণ করেছে ব্যাংটি। এছাড়াও অগ্রনী ব্যাংক বিতরণ করেছে ৫৩১ কোটি টাকা। যা নির্ধারিত লক্ষ্যমাত্রার ৮০ শতাংশ। ব্যাংটির লক্ষ্যমাত্রা ছিল ৬৬০ কোটি টাকা।
অন্যদিকে, লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হলেও কোনো ঋণ বিতরণ করতে পারেনি ন্যাশনাল ব্যাংক অব পাকিস্তান এবং সীমান্ত ব্যাংক লিমিটেড। চলতি অর্থবছরে ১৫০ কোটি টাকা কৃষিঋণ বিতরণের লক্ষ্যমাত্রা ছিলো দি ফারমার্স ব্যাংকের। যার (০.৮৩) শতাংশ অর্জন করতে পেরেছে ব্যাংটি। ৯ মাসে ১.২৪ কোটি টাকা বিতরণ করেছে ফারমার্স ব্যাংক।