‘নেপালের বিরুদ্ধে ৯ গোলে জয় বাড়তি অনুপ্রেরণা’

সুপ্রভাত ক্রীড়া ডেস্ক

নিজেদের মাঠ, চেনা দর্শকের সামনে খেলা বলে মারিয়া মান্ডা সুযোগ কাজে লাগাতে মুখিয়ে আছেন। সাফ অনূর্ধ্ব-১৫ মহিলা ফুটবল চ্যাম্পিয়নশিপে নেপালের বিপক্ষে ম্যাচ সামনে রেখে বাংলাদেশ অধিনায়ক আরও জানালেন, এর আগে ৯-০ গোলে উড়িয়ে দেওয়ার ম্যাচ থেকে বাড়তি অনুপ্রেরণাও পাচ্ছেন তারা। খবর বিডিনিউজ।
আজ বীরশ্রেষ্ঠ শহীদ সিপাহী মোস্তফা কামাল স্টেডিয়ামে নেপালের বিপক্ষে ম্যাচ দিয়ে সাফ অনূর্ধ্ব-১৫ চ্যাম্পিয়নশিপ মিশন শুরু করবে বাংলাদেশ। প্রথম আসরের শিরোপা জয়ই একমাত্র লক্ষ্য স্বাগতিকদের।
২০১৬ সালে তাজিকিস্তানে হওয়া এএফসি অনূর্ধ্ব-১৪ মহিলা ফুটবল চ্যাম্পিয়নশিপের আঞ্চলিক পর্বের সেরা হওয়ার পথে নেপালকে গোলে ভাসিয়ে দিয়েছিল বাংলাদেশ। অধিনায়ক মান্ডা জানালেন, ওই ম্যাচের আত্মবিশ্বাস সাফ মিশনে কাজে লাগবে তাদের।
‘নিজেদের মাঠে খেলা। এই সুযোগ কাজে লাগাতে সর্বশক্তি নিয়ে আমরা খেলতে নামব। জয়ের চেষ্টা করব। তাজিকিস্তানে আমরা নেপালকে ৯-০ গোলে হারিয়েছিলাম। এখানেও প্রথম ম্যাচ তাদের সঙ্গে। আমরা কোনো চাপ অনুভব করছি না।’
প্রস্তুতি ম্যাচ খেলার ঘাটতি থাকলেও তিন মাসের প্রস্তুতি নিয়ে আগেই সন্তুষ্টির কথা জানিয়েছিলেন কোচ গোলাম রব্বানী ছোটন। শনিবার সকালেও দুই ঘণ্টা ধরে শেষ মুহূর্তের প্রস্তুতি নিয়েছে দল। সংবাদ সম্মেলনে কোচ অবশ্য পেছনের ম্যাচের সাফল্য মনে রাখতে চাইছেন না। নেপালের বিপক্ষে তার শিষ্যরা যুদ্ধ জয়ের মানসিকতা নিয়ে নামবে বলে জানালেন।
‘তাজিকিস্তানে আমরা ভারতকে ৩-১ ও ৪-০ গোলে হারিয়েছিলাম। নেপালকেও বড় ব্যবধানে হারিয়েছিলাম। ফিফায় মেয়েদের র‌্যাঙ্কিংয়ে ১০০ তে ওঠাও ভালো খবর কিন্তু আমরা এখন আর ওগুলো মনে রাখছি না। মাঠের খেলার দিকেই দৃষ্টি দিচ্ছি।’
‘মাঠের বাইরের আন্তরিকতা আর মাঠের খেলা এক নয়। মাঠের খেলা মানে যুদ্ধ। তো যুদ্ধ জয়ের জন্য আমরা সবকিছুই করব। নিজেদের সর্বোচ্চটুকু দিয়ে জেতার এবং চ্যাম্পিয়ন হওয়ার চেষ্টা করব।’
নেপাল কোচ গঙ্গা গুরং অবশ্য বাংলাদেশকে শক্তিশালী মানলেও আগেই হার মানছেন না।
‘আমরা জিততে চাই এবং নিজেদের প্রমাণ করতে চাই। বাংলাদেশ ভালো এবং এই টুর্নামেন্টের সবচেয়ে শক্তিশালী দল কিন্তু আমরাও প্রথম ম্যাচে তাদের বিপক্ষে সেরা ফল পাওয়ার ব্যাপারে আশাবাদী।’