নুসরাতের বাবা-মাকে প্রধানমন্ত্রীর সানত্ম্বনা

সুপ্রভাত ডেস্ক

যৌন নিপীড়নের প্রতিবাদ করায় আগুনে পুড়িয়ে মারা ফেনীর মাদ্রাসাছাত্রী নুসরাত জাহান রাফির বাবা, মা ও দুই ভাই প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সঙ্গে দেখা করেছেন। তাদের সমবেদনা জানানোর পাশাপাশি এই ঘটনায় জড়িতদের বিচার নিশ্চিতের প্রত্যয় জানিয়েছেন শেখ হাসিনা। নুসরাতের বাবা এ কে এম মুসা, মা শিরিনা আক্তার ও তার দুই ভাই গতকাল সকালে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে শেখ হাসিনার সঙ্গে
সাড়্গাৎ করেন। খবর বিডিনিউজের।
‘প্রধানমন্ত্রী নুসরাতের পরিবারের প্রতি সানত্ম্বনা ও গভীর সমবেদনা জানান। তিনি বলেন, দুষ্কৃতকারীরা কেউই আইনের হাত থেকে কোনোভাবেই রেহাই পাবে না। অন্যায়ের বিরম্নদ্ধে সাহসিকতার সঙ্গে প্রতিবাদ করে নুসরাত এক অনন্য দৃষ্টানত্ম স’াপন করেছে,’ জানিয়েছে প্রধানমন্ত্রীর প্রেস উইং।
সোনাগাজীর ইসলামিয়া সিনিয়র ফাজিল মাদ্রাসার অধ্যড়্গ সিরাজ-উদ-দৌলার বিরম্নদ্ধে যৌন নিপীড়নের অভিযোগ এনেছিলেন নুসরাত। গত ২৬ মার্চ নুসরাতের মা শিরীনা আক্তার মামলা করার পরদিন সিরাজকে গ্রেফতার করেছিল পুলিশ।
ওই মামলা প্রত্যাহার না করায় ৬ এপ্রিল আলিম পরীড়্গার হল থেকে ছাদে ডেকে নিয়ে নুসরাতের গায়ে আগুন ধরিয়ে দেওয়া হয়। আগুনে শরীরের ৮৫ শতাংশ পুড়ে যায় তার। ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালের বার্ন ইউনিটে চিকিৎসাধীন থাকা অবস’ায় উন্নত চিকিৎসার জন্য তাকে সিঙ্গাপুরে পাঠানোর নির্দেশ দিয়েছিলেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।
তবে তার শারীরিক অবস’া গুরম্নতর হওয়া তা সম্ভব হচ্ছিল না। ঢাকা মেডিক্যালেই চিকিৎসাধীন অবস’ায় ১০ এপ্রিল রাতে মারা যান নুসরাত।
তার মৃত্যুর পর ঘাতকদের সর্বোচ্চ শাসিত্মর দাবিতে দেশজুড়ে বিড়্গোভ চলছে। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাও এই হত্যাকা-ে জড়িতদের কাউকে ছাড় দেওয়া হবে না বলে ঘোষণা দিয়েছেন।
নুসরাতের পরিবারকে প্রধানমন্ত্রী সব ধরনের সহযোগিতার আশ্বাস দিয়েছেন বলে প্রেস উইং থেকে জানানো হয়েছে। সাড়্গাতের সময় এনআরবি গেস্নাবাল ব্যাংকের চেয়ারম্যান নিজাম চৌধুরী উপসি’ত ছিলেন।