নিরাপত্তা নিয়ে প্রশ্ন কোর্ট মালখানায় চুরি সাময়িক বরখাসত্ম ২ পুলিশ সদস্য

নিজস্ব প্রতিবেদক

আদালত পাড়ায় অবসি’ত জেলা মালখানায় চুরির ঘটনা ঘটেছে। গতকাল সোমবার ভোররাতে চুরির এ ঘটনা ঘটে। এ ঘটনায় মালখানার নিরাপত্তার দায়িত্বে থাকা দুই পুলিশ কনস্টেবল খলিলুর রহমান ও মনিরম্নজ্জামানকে সাময়িক বরখাসত্ম করা হয়েছে। চুরির ঘটনাটি তদনত্ম করছেন জেলা পুলিশ, ক্রিমিনাল ইনভেস্টিগেশন ডিপার্টমেন্ট (সিআইডি) এবং পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেষ্টিগেশনের (পিবিআই) কর্মকর্তারা।
কর্তৃপড়্গ বলছে, জেলা মালখানায় প্রায় ১ লাখেরও বেশি মামলার আলামত রয়েছে। কি কি মালামাল চুরি গেছে তাৎড়্গণিকভাবে বলা যাচ্ছে না। তালিকার সাথে মিলিয়ে দেখে বলা যাবে। সে জন্য একটু সময় প্রয়োজন।
সূত্রে জানা গেছে, গতকাল সকাল ৯টার পর দায়িত্বরত পরিদর্শক শওকত মালখানার গেটের তালা খুলতে গিয়ে তা খুলতে পারছিলেন না। পরে বুঝতে পারেন, তালাটি নতুন। চুরি করার পর চোরেরা নতুন তালা ঝুলিয়ে গেছে। পরে ম্যাজিস্ট্রেটের

অনুমতি নিয়ে তালা ভেঙে ভেতরে প্রবেশ করলে মালামাল চুরির বিষয়টি স্পষ্ট হয়।
জেলা মালখানাটি নতুন আদালত ভবনের দ্বিতীয় তলায় অবসি’ত। এতে কাগজপত্র, অস্ত্র, স্বর্ণসহ গুরম্নত্বপূর্ণ মালামাল রাখা হয়। জানতে চাইলে মালখানার পরিদর্শক শওকত বলেন, সকালে তালা খুলতে গিয়ে দেখা যায়, সেখানে নতুন তালা লাগানো। বিষয়টি ঊর্ধ্বতন কর্তৃপড়্গ এবং ম্যাজিস্ট্রেটকে জানালে তারা ঘটনাস’ল পরিদর্শন করেন।
এদিকে চুরির ঘটনার পর আদালতের নিরাপত্তার বিষয়টি সামনে চলে এসেছে। এর আগেও বেশ কয়েকবার মালখানায় চুরি ও অগ্নিকা- ঘটেছে। এরপরও এখানে নিরাপত্তা জোরদার করা হয়নি। সংশিস্নষ্টরা বলছেন, চুরির ঘটনার দায়ভার কর্তৃপড়্গকেই নিতে হবে। তারা সচেতনভাবে দেখভাল করলে এ ধরনের ঘটনা ঘটতো না। নিরাপত্তার দায়িত্বে দুজন পুলিশ সদস্য থাকার পরও কিভাবে আদালত পাড়ায় চুরির ঘটনা ঘটে?
জেলা কোর্ট পরিদর্শক বিজন কুমার বড়-য়া সুপ্রভাতকে বলেন, কারা এ ঘটনা ঘটিয়েছে বলা যাচ্ছে না। তদনত্ম চলছে। অজ্ঞাতনামাদের আসামি করে কোতোয়ালি মামলা দায়েরের প্রক্রিয়া চলছে।
জেলা আইনজীবী সমিতির সাধারণ সম্পাদক আয়ুব খান সুপ্রভাতকে বলেন, মালখানা খুবই গুরম্নত্বপূর্ণ এলাকা। এখানে চুরির ঘটনা অস্বাভাবিক। বিষয়টি গুরম্নত্বের সঙ্গে দেখা উচিত এবং আদালত পাড়ার নিরাপত্তা জোরদার করা দরকার।