নিম্ন আদালতে জামিন আবেদন গিয়াস কাদেরের

নিজস্ব প্রতিবেদক

প্রধানমন্ত্রীকে হুমকি ও উস্কানিমূলক বক্তব্য দেওয়ার অভিযোগে ফটিকছড়ি থানা ও জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে দায়ের হওয়া চার মামলায় উচ্চ আদালতের জামিন সময় শেষ না হতেই নিম্ন আদালতে হাজির হয়ে অগ্রিম জামিন চেয়ে আবেদন করেছেন বিএনপির কেন্দ্রীয় ভাইস চেয়ারম্যান গিয়াসউদ্দিন কাদের চৌধুরী। গতকাল ভারপ্রাপ্ত জেলা ও দায়রা জজ আবদুল মজিদের আদালতে ঁ ১১ পৃষ্ঠার ৭ম কলাম
তিনি এ জামিন আবেদন করেন। আদালত ২৪ জুন পরবর্তী শুনানির জন্য দিন ধার্য করেছে।
গত ২৯ মে জিয়াউর রহমানের ৩৭তম শাহাদাতবার্ষিকী উপলক্ষে ফটিকছড়ি উপজেলা ও পৌরসভা বিএনপি আয়োজিত আলোচনা সভা ও ইফতার মাহফিলে প্রধান অতিথির বক্তব্যে ‘প্রধানমন্ত্রীকে হত্যার হুমকি’ দেওয়ায় অভিযোগে ফটিকছড়ি থানায় ও জুডিসিয়াল আদালতে চারটি মামলা দায়ের করা হয়। এ চার মামলায় উচ্চ আদালত থেকে ২৪ জুন পর্যন্ত জামিনে আছেন গিয়াস কাদের। উচ্চ আদালত থেকে নেওয়া জামিন শেষ না হতেই তিনি নিম্ন আদালতে হাজির হয়ে জামিনের এ আবেদন করেন।
জেলা ও দায়রা জজ আদালতের পিপি একেএম সিরাজুল ইসলাম সুপ্রভাতকে বলেন, উচ্চ আদালত থেকে গিয়াস কাদের ২৪ জুন পর্যন্ত জামিনে আছেন। জামিন শেষ না হতেই গতকাল তিনি অগ্রিম জামিন চেয়ে নিম্ন আদালতে আবেদন করেন। আদালত ২৪ জুন শুনানির জন্য পরবর্তী দিন ধার্য করেন।
আদালত সূত্রে জানা যায়, ফটিকছড়ি উপজেলা চেয়ারম্যান এম তৌহিদুল আলম বাবু, ফটিকছড়ির তরিকত সভাপতি শাহজাদা বেলাল শাহ, ফটিকছড়ি উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক নাজিম উদ্দিন মুহুরী এবং আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় উপ-কমিটির সাবেক সহ-সম্পাদক আকরামুল হক বাদল বাদি হয়ে ফটিকছড়ি থানা ও জুডিসিয়াল আদালতে মামলা চারটি দায়ের করেন।
এছাড়া গিয়াস উদ্দিনের কাদেরের বিরুদ্ধে মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট মো. আল-ইমরান খানের আদালতে আরো দুটি মামলা দায়ের করা হয়। মহানগর ছাত্রলীগের সাবেক সাধারণ সম্পাদক নুরুল আজিম রনি বাদি হয়ে এ দুটি মামলা দায়ের করেন।