নাশকতার তিন মামলায় গ্রেফতার ডা. শাহাদাত ডিভিশন দেয়ার নির্দেশ

নিজস্ব প্রতিবেদক

বাকলিয়া থানার নাশকতার তিন মামলায় আইনজীবীর আবেদনের পরিপ্রেড়্গিতে নগর বিএনপির সভাপতি ডা. শাহাদাত হোসেনকে গ্রেফতার দেখিয়েছেন আদালত। গতকাল অতিরিক্ত মহানগর হাকিম মহিউদ্দিন মুরাদের আদালত শুনানি শেষে গ্রেফতার দেখানোর জন্য পুলিশকে এই আদেশ দেন।
একই সময় বিজ্ঞ আদালতে ডা. শাহাদাতের পড়্গে তার আইনজীবীরা জামিন আবেদন করলে শুনানি শেষে আদালত তা প্রত্যাখ্যান করেন।
আদালতসূত্রে জানা গেছে, বাকলিয়া থানায় তিনটি মামলায় ডা. শাহাদাতকে গ্রেফতার দেখানো হয়। মামলা তিনটিতে তার বিরম্নদ্ধে বিশেষ ড়্গমতা আইনের ১৫/৩ ধারা এবং বিষ্ফোরক দ্রব্য আইনের ৩ ও ৬ ধারা অনুযায়ী অভিযোগ আনা হয়।
ডা. শাহাদাতের আইনজীবী নাজিম উদ্দিন সুপ্রভাতকে বলেন, ‘বাকলিয়া থানার তিনটি নাশকতার মামলার আসামি ডা. শাহাদাত হোসেন। এ তিনটি মামলায় তিনি গ্রেফতার না থাকায় জামিন আবেদন করা যাচ্ছে না। তাই কৌশল হিসেবে আদালতে ডা. শাহাদাতকে গ্রেফতার দেখানোর জন্য আবেদন করা হয়েছে। শুনানি শেষে আদালত তাকে গ্রেফতার দেখানোর আদেশ দেন। নাজিম উদ্দিন আরো বলেন, পরে আদালতে এ তিনটি মামলায় তার পড়্গে জামিন চেয়ে আবেদন করলে বিচারক তা না-মঞ্জুর করেন।
নগর পুলিশের অতিরিক্ত উপ-কমিশনার (প্রসিকিউশন) নির্মলেন্দু বিকাশ চক্রবর্তী সুপ্রভাতকে বলেন, অন্য মামলায় কারাগারে থাকা ডা. শাহাদাত হোসেনকে বাকলিয়া থানার তিনটি নাশকতা মামলায় গ্রেফতার দেখাতে আদালতে আবেদন করেন তার আইনজীবী। প্রসিকিউশনের পড়্গ থেকে কোনো বিরোধিতা না থাকায় আদালত তা মঞ্জুর করেন।
ডিভিশন দেয়ার নির্দেশ
এদিকে নাশকতার মামলায় কারাগারে থাকা নগর বিএনপির সভাপতি ডা. শাহাদাত হোসেনকে জেল কোড অনুযায়ী প্রথম শ্রেণীর (ডিভিশন) বন্দির মর্যাদা দেয়ার জন্য কারা কর্তৃপড়্গকে নির্দেশ দিয়েছেন আদালত।
গতকাল বৃহস্পতিবার অতিরিক্ত মহানগর হাকিম মহিউদ্দিন মুরাদের আদালত শুনানি শেষে এ আদেশ দেন। এর আগে ডা. শাহাদাত হোসেনের সামাজিক ও রাজনৈতিক অবস’ান তুলে ধরে তার আইনজীবী আমিনুল ইসলাম সাজ্জাদ আদালতে ডিভিশন চেয়ে আবেদন করেন।
শুনানিতে ডা. শাহাদাতের পড়্গে যুক্তি তুলে ধরে আইনজীবী আমিনুল ইসলাম সাজ্জাদ বলেন, ডিভিশন পাওয়ার জন্য যেসব বৈশিষ্ট রয়েছে ডা. শাহাদাত হোসেন তার সবগুলোই ধারণ করেন। তার শিড়্গাগত যোগ্যতা, সামাজিক অবস’ান থেকে শুরম্ন করে রাজনৈতিক অবস’ান কোনোটাই তার ডিভিশন পাওয়ার ড়্গেত্রে বাধা নেই। এসব বৈশিষ্ট্য বিবেচনায় তিনি প্রথম শ্রেণীর (ডিভিশন) বন্দির মর্যাদা পান।
নগর পুলিশের অতিরিক্ত উপ-কমিশনার (প্রসিকিউশন) নির্মলেন্দু বিকাশ চক্রবর্তী সুপ্রভাতকে বলেন, বৃহস্পতিবার ডা. শাহাদাতের সামাজিক মর্যাদা তুলে ধরে তার আইনজীবীরা আদালতে ডিভিশন চেয়ে আবেদন করেন। রাষ্ট্রপড়্গের বিরোধিতা থাকা সত্ত্বেও আসামির আইনজীবীর যুক্তি বিবেচনায় নিয়ে আদালত শুনানি শেষে ডা. শাহাদাতকে ডিভিশন দিতে কারা কর্তৃপড়্গকে নির্দেশ দেন।