নাফনদীর অঘোষিত ঘাট ইয়াবা পাচারের নিরাপদ রম্নট

নিজস্ব প্রতিনিধি, টেকনাফ

টেকনাফ সাবরাং ইউনিয়নের দড়্গিণ নয়াপাড়া এলাকার পার্শ্ববর্তীদেশ মিয়ানমার ঘেষা নাফনদীর অঘোষিত ঘাটের নাম দিয়ে প্রতিনিয়ত মরণ নেশা ইয়াবা সীমানত্ম রড়্গী চোখকে ফাঁকি দিয়ে অনুপ্রবেশ করছে বলে স’ানীয় সুত্রে জানা যায়। প্রতিনিয়ত পুলিশ, বিজিবি, কোস্টগার্ডসহ আইন শৃঙ্খলা বাহিনীর হাতে বন্দুকযুদ্ধে নিহত হয়েছে ৭৯ জন। থেমে নেই স’ানীয় প্রশাসনের সাঁড়াশি অভিযান। এরপরও থেমে নেই ইয়াবা পাচার। এই অঘোষিত ঘাট দিয়ে বড় বড় ইয়াবার চালান আনছে, সোনা আলীর পুত্র নুর কবির, নুর কবিরের পুত্র মো. হেলাল, মো. শফি প্রকাশ শিফুর পুত্র মো. আবদুলাহ প্রকাশ হানফুজ্জা, মৃত অলী আহম্মদের পুত্র আবদুল রকিম, মৃত মো. কাসেমের পুত্র ইব্রাহীম প্রকাশ ইফবি, আবদুর রহমানের পুত্র মো. আজিজসহ স’ানীয় জনপ্রতিনিধি ও প্রভাবশালী ব্যক্তিরা। এই মরণ নেশা ইয়াবা সু-কৌশলে পাচার করে যাচ্ছে এই সিন্ডিকেটের সদস্যরা। এই অঘোষিত ঘাট ব্যবহার করে প্রতিনিয়ত লড়্গ লড়্গ ইয়াবা মিয়ানমার থেকে পাচার করে কক্সবাজার জেলার বড় বড় ইয়াবা ব্যবসায়ীদের হাতে তুলে দিচ্ছে। সাবরাং ইউনিয়নের নাফনদীর সীমানার বিভিন্ন পয়েন্ট ব্যবহার করে প্রতিনিয়ত ইয়াবা আনছে। এই অবৈধ ঘাটের বিভিন্ন পয়েন্ট দিয়ে তাদের পাচার কাজ সীমান- রড়্গীদের অবস’ান দেখে আইন শৃঙ্খলা বাহিনীদের চোঁখ ফাঁকি দিয়ে চোরাচালান কাজ অব্যাহত রেখেছে। এই অঘোষিত ঘাটের সদস্যরা মিয়ানমার থেকে মরণ নেশা ইয়াবা প্রবেশ করে প্রতিনিয়ত লড়্গ লড়্গ টাকার হাতিয়ে নিচ্ছে। এই গডফাদাদের আটক করলে আসল রহস্য বেড়িয়ে আসবে মনে করেন সচেতন মহল। কেন না তাদের নিয়ন্ত্রণ করছে স’ানীয় বর্তমান সরকারের প্রভাবশালী নেতারা। এই কারনে স’ানীয় প্রশাসনের সদস্যরা দেখেও না দেখার ভান করে আছে। এই গডফাদাদের বাড়ি মিয়ানমার ঘেষা নাফনদীর এলাকার তাই খুব সহজে ইয়াবা গুলো নিরাপদে চলে যায়। এর পর তারা ইয়াবা গুলো টেকনাফ উপজেলার বড় বড় গডফারদের কাছে বিক্রি করে থাকে বলে স’ানীয় সচেতন মহলের ধারনা। এই ঘাটের সদস্যদের সাথে রয়েছে টেকনাফ উপজেলার স্বরাষ্ট্রমন্ত্রনালয়ের তালিকাভুক্ত কিছু জনপ্রতিনিধিরা। তারা সুযোগ বুঝে স’ানীয় প্রশাসনকে ম্যানেজ করে পাচার কাজ চালিয়ে যাচ্ছে। এলাকায় তাদের বিরুদ্ধে প্রতিবাদ করলে উল্টো ইয়াবা দিয়ে মামলা দেওয়ার হুমকি প্রধান করে বলে স’ানীয় লোকজনের কাছ থেকে জানা যায়।স’ানীয়দের দাবি, মিয়ানমার ঘেষা নয়াপাড়ার নাফনদীর বিভিন্ন পয়েন্টকে ব্যবহার করে প্রতিনিয়ত সু-কৌশলে মিয়ানমার থেকে লড়্গ লড়্গ মরণ নেশা ইয়াবা নিয়ে আসছে। এই সুযোগে এলাকার যুব সমাজরা নতুন করে ইয়াবা ব্যবসায় যুক্ত হয়ে যাচ্ছে। এদিকে আগামী ১৬ ফ্রেব্রুয়ারি টেকনাফ পাইলট উচ্চ বিদ্যালয়ের মাঠে ইয়াবা ব্যবসায়ীরা আত্নসমর্থন করে কিছু টা ইয়াবা ব্যবসা কমে গেলেও কিন’ নয়াপাড়া এলাকার চিহ্নিত ইয়াবা ব্যবসায়ীরা অধরা থেকে যাচ্ছে।স’ানীয় সচেতন মহলের দাবি, এই ব্যাপারে স’ানীয় প্রশাসনের সু-দৃষ্টি কামনা করেছে। অন্যতায় তাদের কারনে এলাকার যুব ও ছাত্র সমাজ দিন দিন নষ্ট হয়ে যাচ্ছে। আগামীর প্রজন্মকে বাচাঁতে হলে এই ইয়াবা ব্যবসায়ীদের অবৈধ ঘাটের নিয়ন্ত্রণকারীদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস’া নিতে হবে।এব্যাপারে টেকনাফ মডেল থানার পরিদর্শক (তদনত্ম) এবি এম এস দোহা জানান, সাবরাং ইউনিয়নের নয়াপাড়া এলাকায় এই অঘোষিত ঘাটের ব্যাপারে অভিযোগ পেলে অভিযোক্তদের বিরুদ্ধে বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস’া নেওয়া হবে। এবং ইয়াবা ব্যবসায়ীরা সমাজের যত বড় প্রভাবশালী ব্যক্তি হউক না কেন তাদেরকে আইনের আওয়াতাই নিয়ে আসা হবে।