নগরে উন্নয়নযজ্ঞে নাগরিক দুর্ভোগ আচরণবিধি লঙ্ঘন মোটরসাইকেল শোভাযাত্রায় নৌকার শোডাউন পটিয়ায়

নিজস্ব প্রতিনিধি, পটিয়া

আচরণবিধি লঙ্ঘন করে পটিয়ায় মোটরসাইকেলের বিশাল বহর নিয়ে আওয়ামী লীগ দলীয় নেতাকর্মীরা শোডাউন করেছে। উপজেলা পরিষদ নির্বাচনে চেয়ারম্যান প্রার্থী নৌকা প্রতীকের দড়্গিণ জেলা আওয়ামী লীগ সহসভাপতি মোতাহেরম্নল ইসলাম চৌধুরী ও ভাইস চেয়ারম্যান প্রার্থী ডা. তিমির বরণ চৌধুরীর অনুসারীরা মোটরসাইকেল নিয়ে পটিয়া সদর ও উপজেলার বিভিন্ন এলাকায় শোডাউন করেছে।
আগামী রোববার অনুষ্ঠিত হচ্ছে পটিয়া উপজেলা পরিষদের পঞ্চম নির্বাচন। এবার চেয়ারম্যান পদে আওয়ামী লীগ নেতা মোতাহেরম্নল ইসলাম চৌধুরী ছাড়াও প্রতিদ্বন্দ্বী করছেন ঁ ৭ম পৃষ্ঠার ৩য় কলাম

স্বতন্ত্র প্রার্থী বিএনপি নেত্রী আফরোজা বেগম জলি (আনারস) ও মো. সাজ্জাদ (দোয়াত-কলম)। ভাইস চেয়ারম্যান পদে ছৈয়দ এয়ার মুহাম্মদ পেয়ারম্ন (বই), ডা. তিমির বরণ চৌধুরী (উড়োজাহাজা) ও দেশরত্ম পরিষদ কেন্দ্রীয় কমিটির সভাপতি মো. শাহাবুদ্দিন (তালা)। মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান পদে আর কোনো প্রার্থী না থাকায় বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় নির্বাচিত হয়েছেন সাবেক মহিলা ভাইস চেয়ারমান মাজেদা বেগম শিরম্ন। নির্বাচনী আচরণবিধি লঙ্ঘন করে শতাধিক মোটরসাইকেল, পিকআপ নিয়ে নৌকা প্রতীকের সমর্থকদের শোডাউনটি পটিয়া উপজেলা আওয়ামী লীগ কার্যালয় থেকে শুরম্ন হয়ে মুজাফরাবাদ, ভেলস্নাপাড়া ক্রসিং হয়ে মহাসড়ক প্রদড়্গিণ করে পটিয়া উপজেলা গেটে এসে শেষ হয়। এ সময় পথসভায় বক্তব্য রাখেন পটিয়া উপজেলা আওয়ামী লীগ সভাপতি আ ক ম শামসুজ্জামান, সাবেক সভাপতি রাশেদ মনোয়ার, জেলা পরিষদের প্যানেল চেয়ারমান দেবব্রত দাশ, দড়্গিণ জেলা যুবলীগ সভাপতি আ ন ম টিপু সুলতান চৌধুরী, জাতীয় সংসদের হুইপ সামশুল হক চৌধুরীর ছোটভাই আওয়ামী লীগ নেতা মুজিবুল হক চৌধুরী নবাব, পটিয়া উপজেলা যুবলীগ সভাপতি এডভোকেট বেলাল উদ্দীন, সাধারণ সম্পাদক এম এ রহিম, পটিয়া পৌরসভা যুবলীগ সভাপতি নুরম্নল আলম ছিদ্দিকি, আওয়ামী লীগ নেতা নাজিম উদ্দীন পারভেজ, মিজানুর রহমান, জাহাঙ্গীর আলম, আবদুর রহমান প্রমুখ।
গত শুক্রবার রাত ৮ টায় প্রচারণা শেষ হয়েছে। পটিয়া পৌরসভা ও উপজেলার ১৭ ইউনিয়নে মোট ভোটার রয়েছে ২ লড়্গ ৮৬ হাজার ৬৬ জন। এর মধ্যে পুরম্নষ ভোটার ১ লড়্গ ৪৯ হাজার ৪২০ জন এবং নারী ভোটার ১ লড়্গ ৩৬ হাজার ৬শ ৪০ জন।
নির্বাচন কর্মকর্তা সৈয়দ আবু সাঈদ জানান, মোটরসাইকেল শোভাযাত্রা করার বিষয়টি চোখে পড়েনি। সকল প্রার্থীকে আচরণবিধি মেনে চলতে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। কেউ নির্দেশ অমান্য করে প্রচার-প্রচারণা চালালে ব্যবস’া নেওয়া হবে।