আনত্মঃধর্মীয় সম্প্রীতি সম্মেলনে অনিন্দ্য ব্যানার্জি

ধর্মীয় অনুশাসন মানলে সমাজে শানিত্ম প্রতিষ্ঠিত হবে

মানুষ নিজ নিজ ধর্মের অনুশাসনগুলো মেনে চললে সমাজে শানিত্ম বিরাজ করবে বলে মনত্মব্য করেছেন ভারতীয় দূতাবাসের সহকারী হাই কমিশনার অনিন্দ্য ব্যানার্জি। ১৫ জানুয়ারি সন্ধ্যায় চট্টগ্রাম প্রেসক্লাবে আয়োজিত আনত্মঃধর্মীয় সম্প্রীতি সম্মেলনে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ মনত্মব্য করেন।
মাইজভান্ডারী ত্বরিকার প্রবক্তা হযরত সৈয়দ আহমদ উলস্নাহ মাউজভান্ডারী (ক.) এর বার্ষিক ওরশ উপলড়্গে শাহানশাহ সৈয়দ জিয়াউল হক মাউজভান্ডারী (ক.) ট্রাস্ট্রের উদ্যোগে এ আয়োজন করা হয়। সভায় সভাপতিত্ব করেন মাইজভান্ডারী একাডেমির সভাপতি ড. মোহাম্মদ হেলাল উদ্দিন। সভায় আলোচক ছিলেন চট্টগ্রাম ইন্ডেপেন্ডেন্ট বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. মাহফুজুল হক চৌধুরী, চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের পালি বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক ড. জ্ঞানরত্ন মহাথেরো, চট্টগ্রাম মেট্রোপলিটন আর্চডায়োসিসের আর্চবিশপ মডেস এম কসত্মা সিএসসি। স্বাগত বক্তব্য রাখেন চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের আরবি বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ জাফর উলস্নাহ। চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের পদার্থবিদ্যা বিভাগের অধ্যাপক ড.অঞ্জন চৌধুরীর সঞ্চালনায় সভার শুরম্নতে বিভিন্ন ধর্মীয় গ্রন’ থেকে পাঠ করেন মাওলানা মোহাম্মদ মুজিবুল হক, ডা.বরম্নণ কুমার আচার্য্য বলাই, বীরম্ন বংশা ভিড়্গু, রম্নবি পিনারো। হামদ পাঠ করেন হুমাউন রশিদ ফয়সাল।
অনিন্দ্য ব্যানার্জি বলেন, বাংলাদেশে বহু জাতি-গোষ্ঠীর বসবাস। বাংলাদেশে আনত্মঃধর্মীয় সম্প্রীতি রড়্গায় সকল ধর্মের অনেক মনিষী, অলি, যাজকরা অবদান রেখেছেন। তার মধ্যে বার আউলিয়ার পুণ্যভূমি চট্টগ্রামের ড়্গণজন্মা সাধক পুরম্নষ সৈয়দ আহমদ উলস্নাহ মাইজভান্ডারী অন্যতম। যিনি আজীবন মানবতাবাদী অসাম্প্রদায়িক চেতনা লালন করেছেন। আধুনিক বাংলাদেশে আনত্মঃধর্মীয় সম্পর্কোন্নয়ন ও সম্প্রীতি সাধনে অনবদ্য ও অগ্রগণ্য ভূমিকা রেখেছেন তিনি। তার বার্ষিক ওরশে এমন আয়োজন তারই প্রমাণ দেয়। বিজ্ঞপ্তি
তিনি আরো বলেন, পৃথিবীতে সৃষ্ট প্রতিটি বস’রই ‘ধর্ম’ আছে। ইংরেজিতে যাকে প্রপার্টি বা কোয়ালিটি বলা হয় তাই বস’ত ধর্ম। বস’র স্বাধীনতা নেই। তাই বস’র কোনো বিচার হবে না। যেহেতু তার স্বাধীনতা নেই তাই সে নিজের ধর্ম বদলাতে পারে না। বস’র ধর্মকে জানতে পেরেছে বলেই উপযোগিতা সৃষ্টির মাধ্যমে বস’র ব্যবহার মানুষের পড়্গে সম্ভব হয়েছে। বস’র ধর্ম অনুসরণ করে বস’র নানা উপযোগিতা সৃষ্টি করতে পেরেছে। বৈজ্ঞানিকরা যাকে অভিহিত করেছে ‘প্রাকৃতিক আইন’ নামে। পরে প্রশ্নোত্তর ও মুক্তালোচনা পর্ব অনুষ্ঠিত হয়। বিজ্ঞপ্তি