গহরা কালাঁচাদ চৌধুরীহাট সেতু

দুর্ভোগ লাঘব হাজারো মানুষের

নিজস্ব প্রতিনিধি, রাউজান

রাউজান উপজেলার গহিরা চৌমুহনী চট্টগ্রাম রাঙামাটি সড়ক থেকে শুরু হওয়া আবদুল অদুদ চৌধুরী সড়ক। সড়কটি রাউজানের চিকদাইর ইউনিয়নের দক্ষিণ সর্তা হয়ে গহিরা ইউনিয়নের দলই নগর,নোয়াজিশপুর ইউনিয়নের নতুন হাট, ফতেহ নগর হয়ে ফটিকছড়ি উপজেলার আবদুল্লাহপুর, তকির হাট, জাহানপুর, আজাদী বাজার, নানুপুর, নানুপুর বাজার, মাইজভান্ডার দরবার শরীফ গিয়ে নাজির হাট সড়কের সাথে সংযুক্ত হয় । সড়কটি দিয়ে রাউজান ফটিকছড়ি দুই উপজেলার হাজার হাজার মানুষ প্রতিদিন চলাচল করে। আবদুল অদুদ চৌধুরী সড়কে গহিরা কালচান্দ চৌধুরী বাজারে সর্তা খালের উপর লোহার পাটাতন দিয়ে তৈরি ঝুঁকিপূর্ণ সেতু দিয়ে হাজার হাজার মানুষ চলাচল করতো জীবনের ঝুঁকি নিয়ে। এছাড়া ফটিকছড়ি মাইজভান্ডার দরবার শরীফের হাজার ভক্ত আশেকান এই ঝুঁকিপুর্ণ সেতু দিয়ে চলাচল করতো।এটি দিয়ে চলাচল করার সময়ে অনেক পথচারী ও স্কুলের শিক্ষার্থী পুরাতন লোহার পাটাতনে আহত হওয়ার ঘটনা ঘটতো বলে এলাকার লোকজন জানান । এলাকার হাজার হাজার মানুষের চলাচলের চরম দুভোর্গ লাঘব করার জন্য ্ রেলপথ মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত সংসদীয় স’ায়ী কমিটির সভাপতি এবি এম ফজলে করিম চৌধুরী এমপির প্রচেষ্টায় সড়ক ও জনপথ বিভাগ ৭ কোটি টাকা ব্যয়ে কালচান্দ চৌধুরী সেতুর নির্মাণকাজের টেন্ডার আহবান করলে ঠিকাদারী প্রতিষ্ঠান আর, টি, কিউ, সি জেবি লিমিটেড সেতুর নির্মাণকাজ নেয়। নির্মাণকাজ শুরু হয় তিন বছর আগে। সম্প্রতি নির্মাণকাজ শেষ হওয়ায় যানবাহন চলাচলের জন্য উন্মুক্ত করে দেয়া হয়েছে । সড়ক ও জনপথ বিভাগের উপ সহকারী প্রকৌশলী মং থুই, মারমা বলেন সেতুর নির্মাণকাজ শেষ হয়েছে । নবনির্মিত সেতুটি শীঘ্রই উদ্বোধন করবেন রেলপথ মন্ত্রনালয় সম্পর্কিত সংসদীয় স’ায়ী কমিটির সভাপতি এবি এম ফজলে করিম চৌধুরী এমপি ।সেতুটি নির্মিত হওয়ায় যাতায়াতে হাজার মানুষের দুর্ভোগ লাঘব হবে বলে মনে করছেন স’ানীয়রা।