দুই যাত্রী গ্রেফতার ৮৫ লাখ টাকার ১২ সোনার বার ও স্বর্ণালঙ্কার উদ্ধার

নিজস্ব প্রতিবেদক

চট্টগ্রাম শাহ আমানত আনত্মর্জাতিক বিমানবন্দরে পৃথক সময়ে ১২টি সোনার বার এবং ২০০ গ্রাম স্বর্ণালংকার উদ্ধার করেছে এনএসআই টিম। গতকাল বেলা ১১টায় আবুধাবি থেকে বিমানের ফ্লাইটে আসা  মো. সরওয়ার উদ্দিন নামে এক যাত্রীর জুতায় লুকানো ৪টি সোনার বার উদ্ধার করা হয়। বিমান এয়ারলাইনসের বিজি ১২৮ ফ্লাইটে আসা এ যাত্রীকে চ্যালেঞ্জ করে এনএসআই টিম। পরে তার দেহতলস্নাশি করে ৪৬৮ গ্রাম ওজনের ৪টি সোনার বার ও ২০০ গ্রাম ওজনের স্বর্ণালংকার উদ্ধার করা হয়। যার বাজার মূল্য প্রায় ৩৫ লাখ টাকা।

বিমানবন্দর সূত্র জানায়, সরওয়ার উদ্দিনের বাড়ি হাটহাজারী উপজেলায়। তার আবুধাবি-চট্টগ্রাম হয়ে ঢাকা যাওয়ার কথা ছিল। ফ্লাইটটি চট্টগ্রামে অবতরণের পর ঢাকায় যাবার জন্য লাউঞ্জে অপেড়্গা করছিলেন সরওয়ার। এসময় তার দেহতলস্নাশি করে জুতার তলায় লুকানো চারটি সোনার বার পাওয়া যায়। এর আগে গত সোমবার রাত সাড়ে ৯টায় শাহ আমানত আনত্মর্জাতিক বিমানবন্দরে শারজাহ থেকে এয়ার এরাবিয়ার জি-৯-৫২৩ ফ্লাইটে আসা মোহাম্মদ মোরশেদ নামে এক যাত্রীর মলদ্বার থেকে ৮টি সোনার বার

উদ্ধার করে এনএসআই টিম। সোনার বারগুলোর ওজন মোট ছিল ৯৩৩ গ্রাম। বাজার মূল্য ৫০ লাখ টাকা। আটক মোরশেদের বাড়ি রাউজান উপজেলায়।

বিমানবন্দর সূত্র জানায়, ফ্লাইট থেকে নামার পর মোরশেদকে চ্যালেঞ্জ করে এনএসআই টিম। এ সময় তিনি নিজের সঙ্গে অবৈধ কিছু থাকার কথা অস্বীকার করেন। পরে গোয়েন্দারা তাকে আর্চওয়ে দিয়ে হাঁটালে লাল সংকেত বেজে ওঠে। জিজ্ঞাসাবাদে মোরশেদ নিজের মলদ্বারে চারটি সোনার বার থাকার কথা স্বীকার করেন। তাকে টয়লেটে পাঠিয়ে চারটি সোনার বার উদ্ধারের পর আবার তাকে আর্চওয়েতে হাঁটানো হয়। এবারও লাল সংকেত বেজে ওঠে।

এরপর গোয়েন্দারা অস্ত্রোপচার করে তার পেট থেকে সোনার বার বের করার ভয় দেখালে আরও চারটি সোনার বার তার মলদ্বারে থাকার কথা স্বীকার করেন মোরশেদ। এরপর তাকে ফের টয়লেটে পাঠিয়ে চারটি সোনার বার উদ্ধার করা হয়।  দুই যাত্রীর কাছ থেকে মোট ১২টি সোনার বার ও ২০০ গ্রাম ওজনের স্বর্ণালঙ্কার উদ্ধারের বিষয়টি সুপ্রভাতকে নিশ্চিত করেন চট্টগ্রাম কাস্টমস হাউসের ডেপুটি কমিশনার রিয়াদুল ইসলাম। আটক দুই যাত্রীর বিরম্নদ্ধে মামলা করে পুলিশের কাছে তাদের হসত্মানত্মর করা হয়েছে বলে জানান তিনি।