দীঘিনালায় কলেজছাত্রী অপহরণের অভিযোগে বিক্ষোভ সমবেশ

নিজস্ব প্রতিনিধি, দীঘিনালা

দীঘিনালায় এক কলেজ ছাত্রীকে অপহরণের অভিযোগ এনে বিক্ষোভ মিছিল ও সমাবেশ করেছে পাহাড়ি ছাত্র পরিষদ-দীঘিনালা ডিগ্রি কলেজ শাখা। গতকাল বুধবার দুপুরে বিক্ষোভ মিছিলটি উপজেলা কমপ্লেক্স প্রদক্ষিণ করে।
পরে বিক্ষোভ মিছিলটি উপজেলার লারমা স্কোয়ারে সমাবেশে মিলিত হয়। অপহৃতা ঐ কলেজ ছাত্রী মহালছড়ি উপজেলার উল্টাছড়ি গ্রামের বাসিন্দা।
৭ বছর ধরে সে পশ্চিম থানাপাড়া এলাকার যুগস্মৃতি চাকমার বাড়িতে থেকে দীঘিনালা ডিগ্রি কলেজে পড়াশুনা করে আসছেন।
সমাবেশে অপহরণের অভিযোগ এনে উপজেলার কুমিল্লা টিলা এলাকার ফরিদ মিঞার ছেলে আবু বক্করকে দায়ী করা হয়।
পাহাড়ি ছাত্র পরিষদ দীঘিনালা ডিগ্রি কলেজ শাখার সভাপতি জেনিথ চাকমার সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত বিক্ষোভ সমাবেশে বক্তব্য রাখেন উপজেলা যুব পরিষদের সভাপতি সমির চাকমা, উপজেলা পাহাড়ি ছাত্র পরিষদের সভাপতি রাজ্যময় চাকমা, সাধারণ সম্পাদক সুনেন্দু চাকমা, সাংগঠনিক সম্পাদক অমর বিকাশ চাকমা, কলেজ শাখার সাংগঠনিক সম্পাদক পিন্টু চাকমা প্রমূখ।
সমাবেশে অপহৃতা ছাত্রীকে উদ্ধারে প্রশাসনকে তিন দিনের সময় বেঁধে দিয়ে বক্তারা আগামী তিন দিনের মধ্যে ঐ ছাত্রীকে উদ্ধারে ব্যর্থ হলে রোববার থেকে সড়ক অবরোধসহ দীঘিনালা থানা বাজার বয়কট কর্মসূচি ঘোষণা করেন।
এ ব্যাপারে অপহরণের অভিযোগ অস্বীকার
করে আবু বকর মুঠোফোনে জানান, ঐ ছাত্রীর সাথে আমার প্রায় ৫ বছর প্রেমের সর্ম্পক ছিল। আমরা স্বেচ্ছায় দুজন বাড়ি থেকে পালিয়ে এসেছি।
অন্যদিকে অপহৃত ছাত্রী অপহরণের অভিযোগ অস্বীকার করে মুঠোফোনে জানান, আমি গত ১৫ অক্টোবর কোর্ট এফিডেবিট মূলে বৌদ্ধ ধর্ম ত্যাগ করে ইসলাম ধর্ম গ্রহণ করেছি। আমার সাথে থাকা আবু বক্করকে একই দিনে আমি বিবাহ করেছি।
এ ব্যাপারে দীঘিনালা থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মো. সামসুদ্দিন ভুইয়া ঘটনার সত্যতা স্বীকার করে জানান, এ ঘটনায় মামলার প্রস’তি চলছে।