দাওয়াত দিয়ে বাসায় নিয়ে কিশোরী ধর্ষণ

নিজস্ব প্রতিবেদক

নগরের ইপিজেড থানা এলাকার ভাড়া বাসায় ডেকে নিয়ে আদিবাসী কিশোরীকে অচেতন করে ধর্ষণের অভিযোগে সুনেল ত্রিপুরা (২১) নামে এক যুবককে রোববার রাতে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। ওই কিশোরী চট্টগ্রাম মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছে। তার স্বাস’্য পরীক্ষা সম্পন্ন হয়েছে।
সুনেলের বিরুদ্ধে রোববার রাতে ধর্ষিতার বাবা ইপিজেড থানায় মামলা করেছেন। গতকাল সোমবার হাজির করলে সুনেলকে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দিয়েছে মহানগর হাকিম আদালত। সুনেল ওই কিশোরীকে ধর্ষণের অভিযোগ আদালতে স্বীকার করেছে বলে সুপ্রভাতকে জানিয়েছেন ইপিজেড থানার ওসি আহসানুল ইসলাম।
তিনি জানান, সুনেল ত্রিপুরা খাগড়াছড়ি দীঘিনালা থানার চাপাতল পাড়া গ্রামের কলামনি ত্রিপুরার ছেলে। ব্যারিস্টার সুলতান আহমদ কলেজ এলাকার আমেনা ভবনের পঞ্চম তলার ৫০৭ নম্বর ভাড়া বাসায় থাকেন সুনেল। ধর্ষণের শিকার কিশোরীর গ্রামের বাড়িও দীঘিনালায়। পরিবারের সাথে তিনি থাকেন ব্যারিস্টার সুলতান আহমদ কলেজ এলাকায়। কাজ করেন ইপিজেড এলাকার ‘জিএস ফ্যাশন’ পোশাক কারখানায়।
ইপিজেড থানার এসআই জাহেদ উল্লাহ জানান, প্রেমের সম্পর্কের সূত্র ধরে গত ১৪ জুলাই কিশোরীকে বাসায় ডেকে নেয় সুনেল। খাবারের সঙ্গে চেতনানাশক ওষুধ মিশিয়ে অচেতন করে কিশোরী ধর্ষণ করে সুনেল।
পরিবার পুলিশকে জানায়, পোশাক কারখানা বন্ধ থাকায় ১৪ জুলাই বেলা ১টার দিকে এক বন্ধুর বাসায় বেড়াতে যাওয়ার কথা বলে বাসা থেকে বের হয় কিশোরী। সন্ধ্যার পরও ফিরে না আসায় চিন্তায় পড়ে যায় তারা। রাত দশটার দিকে খবর পেয়ে সুনেলের বাসা থেকে অচেতন অবস’ায় কিশোরীকে উদ্ধার করে তার পরিবার।
এরপর তাকে নিয়ে যাওয়া হয় আগ্রাবাদ মা ও শিশু হাসপাতালে। সেখানকার চিকিৎসক পরামর্শ দিলে পরে তাকে ভর্তি করা হয় চট্টগ্রাম মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে। সুস’ হওয়ার ভিকটিম তার পরিবারকে জানায়, দাওয়াত দেয়ায় ১৪ জুলাই সুনেলের বাসায় বেড়াতে যায় সে। এসময় খাবার দিয়ে তাকে আপ্যায়ন করে সুনেল। খাবার খেয়ে অচেতন হয়ে পড়ে কিশোরী। এরপর তার আর কিছু মনে নেই।