শামলাপুর-হোয়াইক্যং সড়ক

দশ মিনিটের পথ এক ঘণ্টায়

নিজস্ব প্রতিনিধি, টেকনাফ

টেকনাফ বাহারছড়া ইউনিয়নের শামলাপুর-হোয়াইক্যং সড়কটির বেহাল দশা যেন দেখার কেউ নেই। শামলাপুর থেকে হোয়াইক্যং যাওয়ার মাত্র সাত কিলোমিটার এই রাস্তাটিতে রয়েছে বড় বড় গর্ত ও খানা খন্দক। এই জরাজীর্ণ ও ঝুঁকিপূর্ণ সড়কটি পাড়ি দিতে স’ানীয়রা অনেক কষ্ট ও দূর্ভোগের শিকার হতে হচ্ছে। এই গুরুত্বপূর্ণ রাস্তাটি ভাল থাকলে শুধু দশ মিনিটে শামলাপুর থেকে হোয়াইক্যং আবার হোয়াইক্যং থেকে শামলাপুর যাতায়াত করা যেত। কিন’ সড়কে খানা খন্ডকের জন্য মাত্র সাত কিলোমিটার এই সড়ক পাড়ি দিতে প্রায় এক ঘন্টারও বেশি সময় লাগে বলে পথচারীরা জানান। সিএনজি চালক রহিম উল্লাহ জানান, এই সড়কে গর্তের জন্য গাড়ি চলার সময় ঝাঁকুনি খেয়ে অনেক বয়স্ক ব্যক্তির কষ্টের কারণ হয়। রোগীদের এ পথে হাসপাতালে আনা-নেয়া করা অত্যন্ত ঝুঁকিপূর্ণ। আর এপথে প্রতিনিয়ত ঘটছে ছোট বড় দূর্ঘটনা। স’ানীয় সুত্রে জানা যায়, টেকনাফ বাহারছড়া ইউনিয়নের শামলাপুর থেকে প্রতিদিন অনেক মৎস্য ব্যবসায়ী শামলাপুর জেলে ঘাট থেকে সাগরের মাছ কিনে হোয়াইক্যং, বালুখালী, থেংখালী, পালংখালীসহ টেকনাফ-উখিয়ার বিভিন্নস’ানে বিক্রির উদ্যশ্যে নিয়ে যায়। আবার অনেকে তরকারি ও স্বাদু পানির মাছ ব্যবসায়ীরা উখিয়া- টেকনাফের বিভিন্ন স’ান থেকে বিভিন্ন কৃষি পণ্য, তরিতরকারি, ফার্ম মুরগি, ও স্বাদু পানির বিভিন্ন প্রজাতির মাছ বিক্রির উদ্যশ্যে শামলাপুর বাজারে আসে। তাই প্রতিদিন হাজার হাজার মানুষের অন্যতম যোগাযোগের মাধ্যম বাহারছড়া শামলাপুর হোয়াইক্যং এলজিইডি এই সড়কটি। কিন’ সড়কটি দীর্ঘ সময় কর্তৃপক্ষ মেরামত না করায় শতশত গর্ত ও খানা খন্দক তৈরি হয়েছে। অন্যদিকে সড়কটি জরাজীর্ণ হওয়াতে যাত্রীদের কাছ থেকে পরিবহন মালিক ও ড্রাইভাররা দ্বিগুণের চেয়ে বেশি অতিরিক্ত ভাড়া আদায় করছে বলে স’ানীয়রা অভিযোগ করেন। বাহারছড়া ইউনিয়ন চেয়ারম্যান মৌলভি আজিজ জানান, সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের সাথে যোগাযোগ করে অতি শীঘ্রই এই সড়কটি মেরামত করা হবে।