কদমতলী আওয়ামী লীগের ত্রিবার্ষিক সম্মেলন

দক্ষ নেতৃত্ববরণের এখনই সময়

শান্তিরঞ্জন চাকমা, রাঙ্গুনিয়া

রাঙ্গুনিয়া উপজেলার চন্দ্রঘোনা কদমতলী ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের ত্রিবার্ষিক সম্মেলন ২৫ সেপ্টেম্বর অনুষ্ঠিত হবে। সম্মেলন সম্পন্ন করতে উপজেলা আওয়ামী লীগের সহ সভাপতি মো. আব্দুল মোনাফ সিকদারকে আহবায়ক করে একটি কমিটি ঘোষণা করা হয়েছে। আহবায়ক কমিটির আদলে সম্মেলন প্রস্তুতি পরিষদের উপকমিটিতে আইন-শৃংখলা বিষয়ক আহবায়ক করা হয়েছে লিচুবাগান ব্যবসায়ী সমিতির সভাপতি মোহাম্মদ হারুন সওদাগরকে। অর্থ বিষয়ক আহবায়ক আব্দুল মোনাফ সিকদার চেয়ারম্যান, চন্দ্রঘোনা আওয়ামী লীগরসভাপতি আবুল কালাম, সাধারণ সম্পাদক ইদ্রিছ আজগর চেয়ারম্যান, উপজেলা আওয়ামী লীগের দপ্তর সম্পাদক ও সাবেক উপজেলা ছাত্রলীগ সাধারণ সম্পাদক মো. আবু তাহের। আপ্যায়ন ও সাজসজ্জা বিষয়ক সম্পাদক মোহাম্মদ ইব্রাহিম সওদাগর, প্রচার ও প্রকাশনা বিষয়ক সম্পাদক মো. হারুন সওদাগর। সম্মেলন সফল করতে এ পর্যন্ত আব্দুল মোনাফ সিকদারের নেতৃত্বে একাধিক বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়েছে। সম্মেলনে প্রধান অতিথি থাকবেন সাবেক পরিবেশ ও বনমন্ত্রী হাছান মাহমুদ এমপি।
বিশেষ অতিথি থাকবেন জেলা-উপজেলা আওয়ামী লীগ ও অঙ্গসংগঠন নেতৃবৃন্দ।
একুশ বছর পর চন্দ্রঘোনা আওয়ামী লীগের সম্মেলন অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে জেনে সাধারণ নেতাকর্মীদের মাঝে ব্যাপক উৎসাহ-উদ্দীপনা দেখা গেছে। সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদক পদে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন নবীন-প্রবীণ এক ডজন নেতা। ইতোমধ্যে প্রার্থীদের রঙিন ব্যানার-পোস্টারে ছেয়ে গেছে লিুচবাগানের অলিগলিসহ চন্দ্রঘোনার সর্বত্র। ৯টি ওয়ার্ডের ১৫০ জন কাউন্সিলের কাছে ছুটে যাচ্ছেন সম্ভ্যাব্য প্রার্থীরা। উৎসবমুখর পরিবেশে প্রচার-প্রচারণা চালাচ্ছেন প্রার্থীরা।
সভাপতি পদে যাদের নাম শোনা যাচ্ছে তারা হলেন চন্দ্রঘোনা ইউপি চেয়ারম্যান ইদ্রিছ আজগর, বর্তমান সভাপতি আবুল কালাম আজাদ, কেপিএমের সাবেক সিবিএ সভাপতি ও ৮ নম্বর ওয়ার্ড আওয়ামী লীগ সভাপতি মোহাম্মদ ইব্রাহিম সওদাগর, লিচুবাগান ব্যবসায়ী সমিতির সভাপতি মোহাম্মদ হারুন সওদাগর, সিনিয়র আওয়ামী লীগ নেতা নারায়ন দে, আব্দুল সালাম সওদাগর। সাধারণ সম্পাদক পদে উপজেলা আওয়ামী লীগ দপ্তর সম্পাদক মো. আবু তাহের, স্বেচ্ছাসেবক লীগ সিনিয়র সহসভাপতি আবু মনছুর, মো. জালাল উদ্দিন, নুর মোহাম্মদ, মো. আব্দুল খালেক, দেলোয়ার হোসেন, শেখ মোহাম্মদ রমিজ।
একাধিক আওয়ামী লীগ নেতা জানান, তৃণমূল থেকে ওঠে আসা দক্ষ ও সাংগঠনিক গুণসম্পন্ন আওয়ামী লীগ নেতাদের মূল্যায়ন করার এখনই উপযুক্ত সময়। ত্যাগী ও পরিচ্ছন্ন ব্যক্তিদের দায়িত্ব দেয়া হলে এলাকার মানুষ স্বস্তি পাবে। বর্তমান সময়ে ‘কাউয়া’ ও দুশ্চরিত্র ব্যক্তিদের ব্যাপারে সজাগ থাকার জন্য দলীয় হাইকমান্ড বারবার সর্তক থাকার পরার্মশ দিয়েছে। যাদের বিরুদ্ধে অতীতে ভয়ংকর অপরাধ সংঘটনের করার অভিযোগ আছে এবং এখনও গোপনে যুক্ত আছে তাদের মূলপদে আসীন করার পূর্বে আওয়ামী লীগ নেতাকর্মীদের বারবার ভাবতে হবে, এমনটা আহবান জানিয়েছে মাঠপর্যায়ের কর্মীরা। কারণ যারা ভয়ংকর প্রকৃতির লোক তাদের সাধারণ মানুষ সামনে পেলে জি হুজুর, জি হুজুর করে বটে, কিন্তু একটু আড়াল হলেই সাধারণ মানুষ তাদের অন্তর থেকে মুছে ফেলে।