তৃতীয় শ্রেণি পর্যনত্ম আর পরীক্ষা থাকছে না

সুপ্রভাত ডেস্ক

প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশনা অনুযায়ী সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রথম থেকে তৃতীয় শ্রেণি পর্যনত্ম কোনো পরীড়্গা না নেওয়ার সিদ্ধানত্ম নিয়েছে সরকার। এই তিন শ্রেণির শিড়্গার্থীদের কীভাবে মূল্যায়ন করা হবে শিগগিরই একটি কর্মশালার মাধ্যমে তা চূড়ানত্ম করা হবে বলে প্রাথমিক ও গণশিড়্গা সচিব মো. আকরাম-আল-হোসেন জানিয়েছেন। এছাড়া প্রাক-প্রাথমিকের সময়কাল এক বছর বাড়িয়ে দুই বছর করার পরিকল্পনা রয়েছে বলে জানিয়েছেন তিনি। খবর বিডিনিউজের।
সচিব আকরাম বুধবার বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকমকে বলেন, ‘সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে প্রথম থেকে তৃতীয় শ্রেণি পর্যনত্ম পরীড়্গা পদ্ধতি রাখব না। এসব শ্রেণির শিড়্গার্থীদের কীভাবে মূল্যায়ন করতে পারি, সেজন্য এনসিটিবিসহ ংশিস্নষ্টদের সঙ্গে বসে শিগগিরই চূড়ানত্ম করব।
‘প্রাক-প্রাথমিকের সময়কাল এক বছর থেকে বাড়িয়ে দুই বছর করার পরিকল্পনা রয়েছে।’
বাংলাদেশের ৬৫ হাজার ৫৯৩টি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে কোনো ভর্তি পরীড়্গা নেওয়া হয় না, প্রাক-প্রাথমিক শ্রেণিতে শিড়্গার্থী ভর্তি করা হয়।
গণশিড়্গা মন্ত্রণালয়ের একজন কর্মকর্তা জানান, প্রথম থেকে তৃতীয়
শ্রেণির শিড়্গার্থীদের বিদ্যালয়ে উপসি’তি এবং তাদের ডায়েরিতে শিড়্গকদের মনত্মব্যকে প্রাধান্য দিয়ে তাদের মূল্যায়ন করা হতে পারে।
‘তবে শিড়্গাবিদসহ সংশিস্নষ্টরা যেভাবে মতামত দেবেন মন্ত্রণালয় সেভাবেই বিষয়টি চূড়ানত্ম করে গেজেট জারি করবে।’
নতুন বই হাতে শিড়্গার্থীদের উলস্নাস পরীড়্গা পদ্ধতি মলিন করে দিচ্ছে বলে শিড়্গাবিদরা বলে আসছেন নতুন বই হাতে শিড়্গার্থীদের উলস্নাস পরীড়্গা পদ্ধতি মলিন করে দিচ্ছে বলে শিড়্গাবিদরা বলে আসছেন
আগামী শিড়্গাবর্ষ থেকেই প্রথম থেকে তৃতীয় শ্রেণিতে কোনো পরীড়্গা রাখা হবে না বলে জানান নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এই কর্মকর্তা।
আরেকজন কর্মকর্তা বলেন, কিন্ডারগার্টেন থেকে শিশুদের সরকারি বিদ্যালয়মুখী করতেই প্রাক-প্রাথমিকের সময়কাল দুই বছর করার প্রক্রিয়া চলছে। এ বিষয়ে শিগগিরই নির্দেশনা জারি করা হবে।
শিশুর ওপর থেকে পরীড়্গার চাপ কমাতে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা সমপ্রতি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রথম থেকে তৃতীয় শ্রেণীর সব পরীড়্গা তুলে দিতে গণশিড়্গা মন্ত্রণালয়কে নির্দেশনা দেন বলে ওই কর্মকর্তা জানান।
অতিরিক্ত চাপে লেখাপড়া নিয়ে শিশুদের মধ্যে যেন ভীতি তৈরি না হয় সেজন্য শিড়্গক ও অভিভাবকদের নজর দিতে গত ১৩ মার্চ এক অনুষ্ঠানে অনুরোধ রাখেন প্রধানমন্ত্রী।
ওই দিন এবারের জাতীয় প্রাথমিক শিড়্গা সপ্তাহের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে শেখ হাসিনা বলেন, ‘শিশুদের শিড়্গার জন্য অতিরিক্ত চাপ দেওয়া উচিত না। তাদের পড়াশোনাটা তারা যেন খেলতে খেলতে, হাসতে হাসতে সুন্দরভাবে নিজের মতো করে নিয়ে পড়তে পারে সেই ব্যবস’াটাই করা উচিত।
‘সেখানে অনবরত পড়, পড়, পড় বলাটা বা তাদের ধমক দেওয়াটা আরও বেশি চাপ দিলে শিড়্গার উপর আগ্রহটা কমে যাবে। একটা ভীতি সৃষ্টি হবে। সেই ভীতিটা যেন সৃষ্টি না হয় সেজন্য আমাদের শিড়্গক ও অভিভাবকদের আমি অনুরোধ করব।’
সরকারি প্রাথমিকে ২০১৪ সাল থেকে প্রাক-প্রাথমিক শ্রেণি চালু করা হয়। প্রাক-প্রাথমিকের প্রথম ব্যাচে ভর্তি হওয়া শিড়্গার্থীরা ২০১৮ সালের প্রাথমিক সমাপনীতে অংশ নিয়েছে।
দেশের শিড়্গাবিদরা পঞ্চম শ্রেণির পিইসি পরীড়্গাও তুলে দেওয়ার পরামর্শ দিয়ে আসছেন, তবে তাতে সরকার সাড়া দিচ্ছে না।