তুচ্ছ ঘটনায় মারামারি গুলিবিদ্ধসহ আহত ৪ চন্দনাইশে

নিজস্ব প্রতিনিধি, চন্দনাইশ

চন্দনাইশে তুচ্ছ ঘটনাকে কেন্দ্র করে মারামারির ঘটনা ঘটেছে। এসময় ধাওয়া-পাল্টাধাওয়া, গুলিবর্ষণ ও ইটপাটকেল নিক্ষেপের ঘটনা ঘটে। এতে ১জন গুলিবিদ্ধ ও নারীসহ অন্তত ৪জন গুরুতর আহত হয়েছেন। গতকাল সোমবার সন্ধ্যায় চন্দনাইশ পৌরসভার ৯ নম্বর ওয়ার্ডের পক্ষীমার্কা এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস’লে পৌঁছে পরিসি’তি নিয়ন্ত্রণে আনে।
প্রত্যক্ষদর্শীরা জানায়, পক্ষীমার্কা এলাকায় মরহুম মফজল ফরেস্টারের বাড়িতে একটি মিলাদ মাহফিল ও মেজবান চলছিল। ওই মেজবানে গ্রামবাসীর যাওয়া-আসার পথে প্রাইভেটকার, মাইক্রোবাস ও সিএনজি অটোরিকসার জট বেঁধে যায়। এসময় চালকদের মধ্যে কথা কাটাকাটি ও ঝগড়ার জের ধরে উত্তেজিত হয়ে মোবাইলে একে অপরের বন্ধুবান্ধব ও আত্মীয়দের খবর দেয়। পরে তাদের আত্মীয়স্বজন ও বন্ধুবান্ধব এলে উভয়ের মধ্যে মারামারি শুরু হয়। এসময় উভয়পক্ষের মধ্যে ধাওয়া-পাল্টাধাওয়া, ইটপাটকেল নিক্ষেপ ও গুলিবর্ষণের ঘটনা ঘটে। এতে ১জন গুলিবিদ্ধ ও নারীসহ ৪ জন গুরুতর আহত হয়। আহতরা হলো মৃত মফজল ফরেস্টারের ছেলে আনোয়ারুল ইসলাম চৌধুরী (৩৫) (গুলিবিদ্ধ), দোহাজারী পৌরসদরের সাংবাদিক এম এ রাজ্জাক রাজের ছেলে আবদুল্লাহ আল হারুন শিমুল (২৩), হেফাজুল ইসলামের মেয়ে অগ্নি (৩০) ও রশ্নি (১৯)। আহতদের বিজিসি ট্রাস্ট মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতাল ও স’ানীয়ভাবে চিকিৎসা দেয়া হয়।
গুলিবিদ্ধ আনোয়ারুল ইসলামের বড়ভাই হেফাজুল ইসলাম জানান, সড়কের কাজ চলছিল। এ কারণে যানজট হয়। যানজটের এই সূত্র ধরে কার, মাইক্রো ও সিএনজিচালকের মধ্যে বাগবিতণ্ডার জেরে তার ছোটভাই গুলিবিদ্ধ ও তার ২ মেয়ে গুরুতর আহত হয়।
সাংবাদিক এম এ রাজ্জাক জানান, তার ছেলে নানাবাড়িতে মেজবান অনুষ্ঠানে গিয়ে এ হামলার শিকার হয়। তাকে চিকিৎসা দিয়ে বাড়িতে নিয়ে আসা হয়েছে।
এব্যাপারে যোগাযোগ করা হলে চন্দনাইশ থানার এসআই আলমাস প্রাইভেটকার, মাইক্রো ও সিএনজি অটোরিকসা চালকদের মধ্যে কথা কাটাকাটির সুত্র ধরে মারামারির ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করেন। তবে গুলিবর্ষণের বিষয়টি অস্বীকার করে জানান, বর্তমানে পরিসি’তি নিয়ন্ত্রণ রয়েছে।