তরুণদের জ্ঞানের পথে অগ্রসর হতে হবে : চবি উপাচার্য

সনাতন বিদ্যার্থী সংসদ, চট্টগ্রাম-এর উদ্যোগে চৌধুরীহাট মহাকালী বালিকা উচ্চ বিদ্যালয় প্রাঙ্গণে সনাতন ধর্মাবলম্বীদের সবচেয়ে বড় ধর্মীয় উৎসব দুর্গোৎসব উপলক্ষে দেবীপক্ষের উদ্বোধনে মহালয়ার পবিত্র ক্ষণে সপ্তশতী পাঠসহ বিভিন্ন অনুষ্ঠানের মাধ্যমে দিনব্যাপি কর্মসূচি পালিত হয়।
এ উপলক্ষে সন্ধ্যা ৬ টায় এক আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়। আলোচনা অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির ভাষণ দেন চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য প্রফেসর ড. ইফতেখার উদ্দিন চৌধুরী।
এতে বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন ফতেয়াবাদ আদর্শ বহুমুখী উচ্চ বিদ্যালয়ের অবসরপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক অমর নাথ চৌধুরী, ভারতের সত্যাভারতী উচ্চ মাধ্যমিক বালিকা বিদ্যালয়ের শিক্ষক মণিদীপা মুখোপাধ্যায়, চট্টগ্রাম বিভাগীয় পুরোহিত প্রশিক্ষণ কর্মকর্তা সুমন চন্দ্র পাল, শারদাঞ্জলি ফোরাম চট্টগ্রামের সভাপতি অজিত শীল, শ্মশানেশ্বরী কালী মাতার মন্দিরের সাধারণ সম্পাদক ডা. বিজয় সরকার, ফতেয়াবাদ পূজা উদযাপন পরিষদের সাধারণ সম্পাদক সঞ্জয় ঘোষ এবং নোয়াখালী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের ম্যানেজমেন্ট বিভাগের সহকারী অধ্যাপক সুবর্ণা বিশ্বাস। চবি সংস্কৃত বিভাগের সহকারী অধ্যাপক কুশল বরণ চক্রবর্তীর সভাপতিত্বে আলোচনা অনুষ্ঠানে প্রধান বক্তা ছিলেন মিলন শর্মা। উদ্বোধক ছিলেন শ্রীশ্রীলোকনাথ ধাম-চাক্তাই চট্টগ্রামের প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি অজয় কৃষ্ণ দাশ মজুমদার।
উপাচার্য তাঁর ভাষণে বলেন, সনাতন ধর্মাবলম্বীদের বিশ্বাস মতে দুষ্টের দমন, সৃষ্টির কল্যাণে দেবী দুর্গা এ ধরণীতে আগমন করেন এবং দেবী দুর্গার আগমনীতে এ ধরায় শান্তি ও কল্যাণ বিরাজ করে। প্রসঙ্গক্রমে তিনি বলেন, জাতির জনক বঙ্গবন্ধুর আহ্বানে ১৯৭১-এ অসাম্প্রদায়িক, গণতান্ত্রিক চেতনায় উদ্বুদ্ধ হয়ে এ দেশের মানুষ একটি মহান মুক্তিযুদ্ধের মাধ্যমে বিশ্ব মানচিত্রে প্রতিষ্ঠা করেছে স্বাধীন সার্বভৌম বাংলাদেশ। আজকের বাংলাদেশ বঙ্গবন্ধু তনয়া প্রধানমন্ত্রী দেশরত্ন শেখ হাসিনার বলিষ্ঠ নেতৃত্বে এই গণতান্ত্রিক ও অসাম্প্রদায়িক চেতনাকে ধারণ করে বিশ্ব দরবারে উন্নয়নের রোলমডেল হিসেবে স্বীকৃতি লাভ করেছে।
দিনব্যাপি কর্মসূচিতে ছিল-সপ্তশতী পাঠ, ধর্ম বিষয়ক প্রশ্নোত্তর, ধর্মীয় সংগীত, বৈদিক শাস্ত্রীয় নৃত্য ও শুদ্ধ প্রতিমার চিত্রাংকন প্রতিযোগিতা। অনুষ্ঠানের পক্ষ থেকে উপাচার্যকে সম্মাননা ক্রেস্ট প্রদান করা হয়। বিজ্ঞপ্তি