তরম্নণদের বিশ্বায়নের পরিস্থিতি জানতে হবে

বিজ্ঞপ্তি

সরকারি কর্মব্যবস’াপনা পদ্ধতির আওতায় বাংলাদেশ বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরী কমিশন (ইউজিসি) ও চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের মধ্যে সম্পাদিত বার্ষিক কর্মসম্পাদন চুক্তি সংক্রানত্ম বিষয়ে ‘এনয়েল পারফরমেন্স ম্যানেজমেন্ট’ শীর্ষক এক কর্মশালা ১৪ নভেম্বর সকাল ৯ টায় উপাচার্য দপ্তরের সম্মেলন কড়্গে অনুষ্ঠিত হয়। এতে প্রধান অতিথি ছিলেন ইউজিসি’র চেয়ারম্যান প্রফেসর আবদুল মান্নান। অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য প্রফেসর ড. ইফতেখার উদ্দিন চৌধুরী। এতে বিশেষ অতিথির বক্তব্য রাখেন চবি উপ-উপাচার্য প্রফেসর ড. শিরীণ আখতার, ইউজিসি’র সচিব ড. মো. খালিদ, ইউজিসি’র পরিচালক ড. মো. ফকরম্নল ইসলাম এবং ইউজিসি’র অর্থ ও হিসাব শাখার পরিচালক রেজাউল করিম হাওলাদার। অনুষ্ঠানে স্বাগত বক্তব্য রাখেন চবি রেজিস্ট্রার (ভারপ্রাপ্ত) কে এম নূর আহমদ।
ইউজিসি’র চেয়ারম্যান তাঁর ভাষণে বলেন, তরম্নণ সমাজ আমাদের সবচেয়ে বড় সম্পদ। এ অমূল্য মানবসম্পদকে শক্তিতে রূপানত্মর করার লড়্গ্যে আধুনিক বাংলাদেশের রূপকার, প্রধানমন্ত্রী দেশরত্ন শেখ হাসিনার সুযোগ্য নেতৃত্বে পরিচালিত সরকার সর্বোচ্চ আনত্মরিকতাপূর্ণ সহযোগিতা অব্যাহত রেখেছেন। দেশের বিশ্ববিদ্যালয় সমূহে শিড়্গা-উচ্চশিড়্গা-গবেষণাসহ ভৌত অবকাঠামো উন্নয়ন ইত্যাদির একটি রূপরেখা তুলে ধরে তিনি বলেন, বাঙালি বীরের জাতি, যেকোন চ্যালেঞ্জ মোকাবেলার সাহস ও শক্তি বাঙালির রয়েছে। তিনি বলেন, দেশের সাধারণ জনগণের অর্থে পরিচালিত বিশ্ববিদ্যালয়গুলোকে সার্বিক অর্থে বরাদ্দকৃত অর্থ শুদ্ধাচারের মাধ্যমে টেকসই উন্নয়নের জন্য বাসত্মবসম্মত যুগোপযোগী পরিকল্পনা গ্রহণ এবং এর সফল বাসত্মবায়নের কোন বিকল্প নেই। তিনি আরো বলেন, আমাদের মেধাবী তরম্নণদের বিশ্বায়নের পরিসি’তি জানতে হবে এবং প্রতিযোগিতায় অবতীর্ণ হওয়ার যোগ্যতা অর্জন করতে হবে। এজন্য তাদেরকে মেধা শক্তির বিকাশ ঘটানোর লড়্গ্যে জ্ঞান সম্পদে আলোকিত হতে হবে। চবি উপাচার্য তাঁর ভাষণে বলেন, প্রধানমন্ত্রী দেশরত্ন শেখ হাসিনার শিড়্গা দর্শন ‘আধুনিক বিজ্ঞানমনষ্ক গুণগত শিড়্গা’-কে সার্বিকভাবে বাসত্মবায়নের লড়্গ্যে চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় আধুনিক কর্ম পরিকল্পনা গ্রহণ ও প্রায়োগিক অর্থে দৃশ্যমান অবদান রাখতে সড়্গম হয়েছে। এর অদম্য অগ্রযাত্রার সুফল হিসেবে চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় দেশের শীর্ষ বিশ্ববিদ্যালয় হিসেবে স্বীকৃতি লাভ করেছে। এটি বিশ্ববিদ্যালয় পরিবারের জন্য অত্যনত্ম আনন্দের ও গৌরবের। এ বিশ্ববিদ্যালয়কে বিশ্বমানের জ্ঞান-গবেষণার তীর্থ কেন্দ্রে রূপানত্মর করতে উপাচার্য সরকারি পৃষ্ঠপোষকতা, ইউজিসি কর্তৃপড়্গের আনত্মরিক সহযোগিতা এবং বিশ্ববিদ্যালয় পরিবারের সদস্যদের প্রাতিষ্ঠানিক দড়্গতাবৃদ্ধি এবং স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতার উপর বিশেষ গুরম্নত্বারোপ করে বলেন যেকোন দুর্নীতির বিষয়ে ‘জিরো টলারেন্স’ নীতি অনুসরণে প্রশাসন অঙ্গীকারাবদ্ধ।
কর্মশালার টেকনিক্যাল সেশনে পাওয়ার পয়েন্ট প্রেজেন্টেশন করেন চবি উদ্ভিদ বিজ্ঞান বিভাগের প্রফেসর এবং প্রোগ্রাম কো-অর্ডিনেটর ড. মোহাম্মদ কমরম্নল হুদা, কেবিনেট ডিভিশনের উপ সচিব মো. কামরম্নল হাসান, শিড়্গা মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমিক ও উচ্চশিড়্গা ডিভিশনের সিনিয়র সহকারী সচিব মো. ফজলুর রহমান এবং ইউজিসি’র সিনিয়র সহকারী পরিচালক মোহাম্মদ নজরম্নল ইসলাম।
অনুষ্ঠান পরিচালনা করেন চবি ডেপুটি রেজিস্ট্রার (তথ্য) মো. ফরহাদ হোসেন খান।
কর্মশালায় ১৫৪ জন শিড়্গক-কর্মকর্তা অংশগ্রহণ করেন। অনুষ্ঠানে চবি ডিনবৃন্দ, ইউজিসি’র সংশিস্নষ্ট কর্মকর্তা, চবি শিড়্গক সমতির সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদক, প্রভোষ্টবৃন্দ, বিভাগীয় সভাপতি এবং ইনস্টিটিউট ও গবেষণা কেন্দ্রের পরিচালক, প্রক্টর ও সহকারী প্রক্টরবৃন্দ, অফিস প্রধানবৃন্দ এবং অফিসার সমিতি, কর্মচারী সমিতি, কর্মচারী ইউনিয়ন এর সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদকবৃন্দ উপসি’ত ছিলেন।