ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়ক এক্সেল লোড নিয়ন্ত্রণ স’গিতে সেতুমন্ত্রীকে মেয়রের চিঠি

নিজস্ব প্রতিবেদক

ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কে শিল্পের কাঁচামাল ও নিত্যপ্রয়োজনীয় ভোগ্যপণ্য পরিবহনে দুই এক্সেল (ছয় চাকা) বিশিষ্ট মোটরযানে ১৩ টনের বেশি ওজন পরিবহনের ড়্গেত্রে সড়ক ও সেতু মন্ত্রণালয়ের নির্দেশনা রয়েছে। মাত্র ১৩ টন ওজন নির্দিষ্ট করে দেয়ার ফলে সংশিস্নষ্ট ব্যবসায়ীদের পণ্য পরিবহন ব্যয় প্রায় দ্বিগুণ বৃদ্ধি পেয়েছে। দেশের অন্য কোনো মহাসড়কে ওজন নিয়ন্ত্রণ না থাকার কারণে অপরাপর অঞ্চলের ব্যবসায়ীদের সাথে চট্টগ্রাম অঞ্চলের ব্যবসায়ীদের অসম প্রতিযোগিতার সম্মুখীন হতে হচ্ছে। যার সরাসরি প্রভাব পড়ছে বাজারে।
এমতাবস’ায় রমজান মাসে ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কে পণ্য পরিবহনে এক্সেল লোড নিয়ন্ত্রণ স’গিত রাখার অনুরোধ জানিয়ে সড়ক ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদেরকে গতকাল বুধবার বিকালে একটি উপানুষ্ঠানিক পত্র দিয়েছেন চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশনের (চসিক) আ জ ম নাছির উদ্দীন।

এতে বলা হয়েছে, সম্প্রতি বৃহত্তর চট্টগ্রাম থেকে সারাদেশে পণ্য পরিবহনের ড়্গেত্রে দুই এক্সেল (ছয় চাকা) বিশিষ্ট মোটরযানের মাধ্যমে মাত্র ১৩ টন ওজন নির্দিষ্ট করে দেয়ার ফলে পরিবহন ব্যয় দ্বিগুণ বৃদ্ধি পেয়েছে। শিল্পের কাঁচামাল, ভোগ্য ও নিত্য প্রয়োজনীয় পণ্য পরিবহনের ড়্গেত্রে পরিবহন ব্যয় কেজি প্রতি ৩-৪ টাকা পর্যনত্ম বৃদ্ধি পেয়েছে। দেশের অন্য কোনো মহাসড়কে ওজন নিয়ন্ত্রণ না থাকার কারণে চট্টগ্রাম অঞ্চলের ব্যবসায়ীবৃন্দ অসম প্রতিযোগিতার সম্মুখীন হচ্ছে এবং আর্থিকভাবে ড়্গতিগ্রসত্ম হচ্ছে।
পত্রে মেয়র আরো বলেন, ‘দেশের আমদানি-রপ্তানি বাণিজ্যের প্রায় সিংহভাগ চট্টগ্রাম বন্দরের মাধ্যমে সম্পাদিত হয়। সুপ্রাচীন ঐতিহ্যের অধিকারী বন্দরনগরী চট্টগ্রাম থেকে আমদানিকৃত নিত্য প্রয়োজনীয় ভোগ্যপণ্য ও বিভিন্ন শিল্পের কাঁচামাল সারাদেশে সরবরাহ করা হয়ে থাকে। অন্যদিকে সরকার সারাদেশে নিত্যপ্রয়োজনীয় ভোগ্যপণ্যের মূল্য নিয়ন্ত্রণের রাখার লড়্গ্যে বিভিন্ন কার্যকর পদড়্গেপ গ্রহণ করেছে। ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কে উলেস্নখিত ওজন নিয়ন্ত্রণের কারণে পরিবহন ব্যয় বৃদ্ধির ফলে সারাদেশের সাধারণ মানুষ এসব পদড়্গেপের সুফল থেকে বঞ্চিত হবে এবং ভোগ্যপণ্যের মূল্যবৃদ্ধি পাবে।’

এমতাবস’ায় বৃহত্তর চট্টগ্রাম থেকে সারাদেশে শিল্পের কাঁচামাল ও নিত্যপ্রয়োজনীয় ভোগ্যপণ্য পরিবহনে অতিরিক্ত ব্যয় লাঘব করে পণ্যের মূল্য সাধারণ মানুষের নাগালে রাখার লড়্গ্যে ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কে দুই এক্সেল বিশিষ্ট মোটরযানে ১৩টন ওজন পরিবহনের বাধ্যবাধকতা শিথিল করার প্রয়োজনীয় ব্যবস’া গ্রহণের জন্য মন্ত্রীকে অনুরোধ জানান আ জ ম নাছির উদ্দীন। একই সাথে রমজানে দ্রব্যমূল্য নিয়ন্ত্রণে রাখার লড়্গ্যে রমজান মাসের জন্য ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কে পরিবহনে এক্সেল লোড নিয়ন্ত্রণ স’গিত করার জন্যও অনুরোধ জানান মেয়র।