চট্টগ্রাম স্টক একচেঞ্জ

ডিএসইর মতো সিএসইতেও সেরা লংকাবাংলা সিকিউরিটিজ

মোহাম্মদ আলী

বিদায়ী বছরে (২০১৮) দেশের দ্বিতীয় পুঁজিবাজার চট্টগ্রাম স্টক একচেঞ্জে (সিএসই) লেনদেনের (টার্নওভার) ওপর ভিত্তি করে সেরা ৫০ ব্রোকার হাউজের মধ্যে শীর্ষে ওঠে এসেছে লংকাবাংলা সিকিউরিটিজি লিমিটেড। ২০১৮ সালে ঢাকা স্টক একচেঞ্জেও (ডিএসই) শীর্ষে ছিল এ ব্রোকার হাউজটি। আলোচ্য বছরে সবচেয়ে বেশি ১৮৫৩ কোটি ৫০ লাখ ১৬ হাজার ৭০৫ টাকার শেয়ার কেনাবেচা করেছে সিএসইর এই ট্রেক হোল্ডার। লেনদেনে দ্বিতীয় অবস’ানে ছিল মাল্টি সিকিউরিটিজ অ্যান্ড সার্ভিসেস লিমিটেড। গত বছরে এই ট্রেক হোল্ডারের মোট টার্নওভার ছিল ১২৪০ কোটি ৬৪ লাখ ২৭ হাজার ২৫ টাকা। শীর্ষ ব্রোকার হাউজের তালিকায় তৃতীয় অবস’ানে থাকা আইডিএলসি সিকিউরিটিজ লিমিটেডের টার্নওভার ছিল ১১০০ কোটি ৩২ লাখ ৯০ হাজার ৭৩১ টাকা। ১০০৬ কোটি ৯২ লাখ ১৭ হাজার ৯৯৬ টাকার টার্নওভার নিয়ে তালিকায় চতুর্থ অবস’ানে আছে ব্র্যাক ইপিল স্টক ব্রোকারেজ লিমিটেড। পঞ্চম অবস’ানে থাকা ইবিএল সিকিউরিটিজ লিমিটেডের টার্নওভার ছিল ৯৩২ কোটি ৮৬ হাজার ৬৮ টাকা। ৮১৫ কোটি ৮৩ লাখ ৬৬ হাজার ২০৮ টাকা টার্নওভার নিয়ে ষষ্ঠ অবস’ানে ছিল বি রিচ লিমিটেড। সপ্তম অবস’ানে থাকা কবির সিকিউরিটিজ লিমিটেডের টার্নওভার ছিল ৬৯৬ কোটি ২৬ লাখ ৯ হাজার ২০৯ টাকা। মোট ৫৬৩ কোটি ৮৪ লাখ ৭৫ হাজার ৭৬ টাকার টার্নওভার নিয়ে তালিকায় অষ্টম অবস’ানে ছিল আইসিবি সিকিউরিটিজ ট্রেডিং কোম্পানি লিমিটেড। তালিকা নবম অবস’ানে থাকা মিনহার সিকিউরিটিজ লিমিটেড মোট ৪৯৭ কোটি ১৫ লাখ ২০ হাজার ৮৮১ টাকার শেয়ার বেচাকেনা করেছে। তালিকায় দশম অবস’ানে থাকা আইল্যান্ড সিকিউরিটিজ লিমিটেডের টার্নওভার ছিল ৪০০ কোটি ৫৭ লাখ ৪৫ হাজার ৮২২ টাকা। সিএসই সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে।
এদিকে তালিকায় ১১তম অবস’ানে ছিল সিটি ব্রোকারেজ, ১২তম অবস’ানে প্রুডেনশিয়াল ক্যাপিটাল, ১৩তম অবস’ানে প্রাইম ইসলামি সিকিউরিটিজ, ১৪তম অবস’ানে ইন্টারন্যাশনাল সিকিউরিটিজ কোম্পানি, ১৫তম অবস’ানে মোনা ফিনান্সিয়াল কনসালট্যান্সি অ্যান্ড সিকিউরিটিজ, ১৬তম অবস’ানে ইস্টার্ন শেয়ারস অ্যান্ড সিকিউরিটিজ, ১৭তম অবস’ানে চিটাগাং ক্যাপিটাল, ১৮তম অবস’ানে এসআর ক্যাপিটাল, ১৯তম অবস’ানে সল্টা ক্যাপিটাল আর ২০তম অবস’ানে ছিল অ্যাসোসিয়েটেড ক্যাপিটাল সিকিউরিটিজ।
শীর্ষ ৫০ ব্রোকার হাউজের তালিকায় থাকা বাকি প্রতিষ্ঠানগুলো হলো : রিমনস ইনভেস্টমেন্ট অ্যান্ড সিকিউরিটিজ, সোহেল সিকিউরিটিজ, রিলাইয়েন্স ব্রোকারেজ সার্ভিসেস, ইউনিক্যাপ সিকিউরিটিজ, ইসলামি ব্যাংক সিকিউরিটিজ, রিলাইয়েন্স সিকিউরিটিজ কনসালট্যান্ট, রয়েল ক্যাপিটাল, ওয়েস্টার্ন সিকিউরিটি ইনভেস্টমেন্ট ম্যানেজমেন্ট, ইন্টারন্যাশনাল লিজিং সিকিউরিটিজ, হিলসিটি সিকিউরিটিজ, স্কাইস সিকিউরিটিজ, শাহজালাল ইসলামি ব্যাংক সিকিরিটিজ, ইউসিবি ক্যাপিটাল ম্যানেজমেন্ট, সাউথ এশিয়া সিকিউরিটিজ, গ্যালাক্সি ক্যাপিটাল, মিরপুর সিকিউরিটিজ, লোটাস শেয়ারস অ্যান্ড সিকিউরিটিজ, ইউনাইটেড ফিনান্সিয়াল ট্রেডিং কোম্পানি, সুপার শেয়ারস অ্যান্ড সিকিউরিটিজ, গ্রিন ডেল্টা সিকিউরিটিজ, বিডিবিএল সিকিউরিটিজ, সিলনেট সিকিউরিটিজ, করডিয়াল সিকিউরিটিজ, এসআইবিএল সিকিউরিটিজ, ন্যাশনাল ব্যাংক লিমিটেড সিকিউরিটিজ, হলি সিটি সিকিউরিটিজ, হেফাজেতুর রহমান অ্যান্ড কোম্পানি, হাসান শেয়ারস অ্যান্ড সিকিউরিটিজ, আহমেদ সিকিউরিটিজ সার্ভিসেস এবং নর্থ ওয়েস্ট সিকিউরিটিজ লিমিটেড।
উল্লেখ্য, সিএসইর তালিকাভুক্ত ব্রোকার হাউজের সংখ্যা হলো ১৩০টি। এর মধ্যে একাধিক ব্রোকার হাউজ একই সঙ্গে ডিএসইরও সদস্য।