ইউএসটিসিতে স্মরণ সভায় বক্তারা

ডা. নুরুল ইসলামের সফলতার প্রেরণাদায়ী আনোয়ারা ইসলাম

ইস্ট ডেল্টা ইউনিভার্সিটির উপাচার্য প্রফেসর মো. সেকান্দর খান জাতীয় অধ্যাপক ডা. নুরুল ইসলামকে অসাধারণ প্রতিভা ও গুণের অধিকারী উল্লেখ করে বলেন, ‘কর্মজীবনে তার একের পর এক সাফল্যের পেছনে মায়ের পরে যার সবচেয়ে বেশি অবদান তিনি হলেন তার সহধমির্ণী আনোয়ারা ইসলাম। তার প্রেরণা, সহযোগিতা, সাহস ও শক্তি যোগানোর ফলশ্রুতিতে ইউএসটিসির প্রতিষ্ঠাতা ডা. নুরুল ইসলাম পেয়েছেন জাতীয় অধ্যাপকের সম্মান ও দুনিয়াজোড়া খ্যাতি।’
তিনি গতকাল ইউনিভার্সিটি অব সায়েন্স অ্যান্ড টেকনোলজি, চট্টগ্রাম-ইউএসটিসি’র উদ্যোগে আয়োজিত আনোয়ারা ইসলামের মৃত্যুবার্ষিকী উপলক্ষে এক স্মরণ সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে এ কথা বলেন। ইউএসটিসি’র উপাচার্য প্রফেসর ডা. প্রভাত চন্দ্র বড়-য়া মাওলানা ভাসানী অডিটোরিয়ামে অনুষ্ঠিত স্মরণ সভায় সভাপতিত্ব করেন।
ইউএসটিসি উপাচার্য প্রফেসর (ডা.) প্রভাত চন্দ্র বড়-য়া বলেন, সম্মানের অধিকারীদের সম্মান জানানো প্রত্যেক নাগরিকের নৈতিক দায়িত্ব। আনোয়ারা ইসলাম পারিপার্শ্বিক কঠিন এক সময়ে সমাজের নানা বাধা ও কুসংস্কার ভেদ করে উচ্চ শিক্ষা গ্রহণ, অতঃপর নারী জাগরণে নিজেকে উৎসর্গ করেছিলেন। তিনি তাঁর স্বামী জাতীয় প্রফেসর (ডা.) নুরুল ইসলামের নতুন নতুন উদ্যোগ ও সৃষ্টিতে আজীবন প্রেরণা জুগিয়েছিলেন। এতে বিশেষ অতিথি ছিলেন চট্টগ্রাম প্রেস ক্লাবের সভাপতি কলিম সরওয়ার, প্রাক্তন অধ্যক্ষ হাসিনা জাকারিয়া ও ইউএসটিসির বোর্ড অব ট্রাস্টিজের সদস্য সচিব ডা. নীনা ইসলাম।
ইউএসটিসি বোর্ড অব ট্রাস্টিজের সদস্য সচিব এবং মরহুমার কন্যা ডা. নীনা ইসলাম বলেন, আমার মা আমার কাছে এক অনন্য আর্দশ। তিনি মায়ের স্মৃতিচারণ করতে গিয়ে বলেন, প্রত্যেক ঘরে ঘরে এমন মা থাকলে দেশ শিক্ষা-দীক্ষায় যে এগিয়ে যাবে তাতে কোন সন্দেহ নেই।
সভার সঞ্চালনা করেন সহকারী অধ্যাপক ডা. এরশাদুল হক। সভায় অন্যদের মধ্যে বক্তব্য রাখেন ইউএসটিসি’র পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক প্রফেসর ডা. কাজী রফিকুল হক, প্রফেসর ডা. এ এইচ এম ইছহাক চৌধুরী, প্রফেসর ড. কাজী আহমদ নবী, প্রফেসর ডা. এস এম মোস্তাফা কামাল প্রমুখ। বিজ্ঞপ্তি

আপনার মন্তব্য লিখুন