ডায়াবেটিকদের জন্য ‘স্মার্ট মোজা’

ডায়াবেটিকদের জন্য বিশেষ ধরনের ‘স্মার্ট মোজা’ তৈরি করেছে ডায়াবেটিকদের স্বাস’্য পর্যবেক্ষণকারী স্টার্টআপ ‘সাইরেন কেয়ার’। এই মোজা তাপমাত্রা সেন্সর ব্যবহার করে প্রদাহ এবং আঘাত শনাক্ত করতে পারবে। নর্থওয়েস্টার্ন ইউনিভার্সিটি-তে থাকাকালীন সাইরেন কেয়ার-এর সহপ্রতিষ্ঠাতা র্যা ন মা আঘাতপ্রাপ্ত ত্বকে ক্রমবর্ধমান জৈববস্তু দিয়ে নতুন চামড়া গজানোর পদ্ধতি নিয়ে কাজ করেন। সে সময় কীভাবে ডায়াবেটিক আক্রান্ত পা-এর চিকিৎসা করতে হয় তা শিখতে শুরু করেন এবং এমন একটি পরিধেয় তৈরির পরিকল্পনা করেন যা আঘাত শনাক্ত ও প্রতিরোধ করতে পারবে। টাইপ ১ এবং টাইপ ২, উভয় ধরনের ডায়াবেটিক রোগীদের পা সংক্রান্ত বিভিন্ন সমস্যার মধ্যে একটি হচ্ছে পা ফোলার প্রবণতা, যা মাঝে মধ্যে জটিল আকার ধারণ করতে পারে। এর ফলে সংক্রমণ বা পা কেটে ফেলার মতো পরিসি’তিও সৃষ্টি হতে পারে। প্রারম্ভিক শনাক্তকরণ এই ধরনের গুরুতর জটিলতা বন্ধের ক্ষেত্রে খুবই গুরুত্বপূর্ণ বলে জানিয়েছে প্রযুক্তি সাইট সিনেট। র্যা ন মা ও তার সহপ্রতিষ্ঠাতা ভেরোনিকা ট্রান এর বিশ্বাস তাদের এই বিল্ট-ইন সেন্সর এই শনাক্তকরণের চাবিকাঠি। এই সাইরেন মোজা ডায়াবেটিক রোগীর পায়ের আঘাত শনাক্তকরণের জন্য প্রথম পরিধেয় নয়। ‘সারোসেন্স আরএক্স’ এবং ‘প্রেসারগার্ডিয়ান’ নামক বুট এই ধরনের সমস্যা চিহ্নিতকরণের জন্য আগেই প্রস্তুত করা হয়েছে। কিন’ একদিকে যেমন বুট পরা কষ্টদায়ক অন্যদিকে সাইরেন-এর মোজা সেই তুলনায় ত্বকের অনেক কাছাকাছি থাকে। সেন্সরকে মোজার কাপড়ের ভেতর বোনা হয় যাতে তা প্রদাহ শনাক্ত করতে পারে। সেন্সর যখন উচ্চ তাপমাত্রার পার্থক্য দেখে তখন এটি বুঝে যে পা কোথাও আঘাতপ্রাপ্ত হয়েছে। এরপর এটি সব তথ্য স্মার্টফোনের একটি অ্যাপে পাঠিয়ে দেয়, যা ব্যবহারকারীকে সমস্যা সম্পর্কে সচেতন করে এবং পা পরীক্ষার বার্তা পাঠায়। মোজাগুলো পরিধেয় হলেও চার্জ করার কোনো প্রয়োজন নেই।

আপনার মন্তব্য লিখুন