টেকনাফ টিঅ্যান্ডটি অফিস : সেবাবঞ্চিত গ্রাহক

নিজস্ব প্রতিনিধি, টেকনাফ

টেকনাফের টিঅ্যান্ডটি অফিস নানান সমস্যা জর্জরিত হয়ে পড়ে আছে। অফিসও আছে, কর্মকর্তাও আছে কিন্তু তাদের কোন কার্যক্রম ছোখে পড়েনা। এদিকে উপজেলা ও পৌর শহরের গুরুত্বপুর্ণ সরকারি বিভিন্ন অফিস, ব্যাংক ও ব্যবসা প্রতিষ্ঠানে বছরের পর বছর সরকারি টেলিফোনের সংযোগে দেখা দিয়েছে নানা সমস্যা। অনেক টেলিফোন লাইন আছে, তবে সংযোগ পাওয়া যায় না। কারণ এই উপজেলার টিঅ্যান্ডটি অফিসের কর্তব্যরত কর্মকর্তা কর্মচারীরা চলে তাদের নিজস্ব গতিতে। টেলিফোনের সংযোগ থাকুক আর নাই থাকুক এই নিয়ে তাদের যেন কোন মাথা ব্যথা নেই।
বিভিন্ন সুত্রে খবর নিয়ে আরো জানা যায়, টেকনাফ পৌর শহরে এমন কিছু গুরুত্বপূর্ণ সরকারি অফিস আছে যেখানে টেলিফোনের লাইন আছে কিন্তুকোন প্রকার সংযোগ পাওয়া যায়না।
দিন বদলের এইসময় বাংলাদেশ এখন ডিজিটালের আওতায় আসলেও সরকার টিএ্যাণ্ডটি ব্যবস্থা চালু রাখার জন্য প্রতিবছর এই খাতে লক্ষ লক্ষ টাকা ব্যয় করে যাচ্ছে। দেশের প্রতিটি উপজেলায় বাংলাদেশ টিএ্যাণ্ডটি বোর্ড ও টেলি যোগাযোগের দায়িত্বে আছেন শত শত কর্মকর্তা ও কর্মচারী।
সেই ধারাবাহিকতায় টেকনাফ উপজেলার সরকারি টেলিফোনের সুরক্ষা ও সংযোগ ব্যবস্থা ঠিক রাখার জন্য যাদেরকে দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে তাদের তেমন কোন অভিজ্ঞতা নেই। একারণে বছরের পর বছর টেকনাফ উপজেলার অধিকাংশ টেলিফোনে লাইন আছে, কিন্তু সংযোগ থাকে না। টেকনাফ পৌর শহরের বিভিন্ন অফিস ও ব্যবসা প্রতিষ্ঠানে খবর নিয়ে জানা যায়, বিগত ৩/৪ মাস ধরে টিএ্যাণ্ডটি ফোন লাইনের সুব্যবস্থা থাকলেও সংযোগ না থাকায় তা কোন কাজে আসেনা। জনতা ব্যাংক টেকনাফ শাখার ম্যানেজার মো. জুবায়ের হোসেন দুঃখ প্রকাশ করে বলেন,দীর্ঘ তিন মাস যাবত টেকনাফের টিঅ্যান্ডটি লাইনে সংযোগ আসে আর যায়, ডিজিটাল মোবাইল ফোন না থাকলে সহজে কারো সাথে যোগাযোগ করা যেত না। পৌর-শহরের বিভিন্ন সড়কের পাশে টিঅ্যান্ডটি লাইনের বেহাল দশার নানা রকম চিত্র চোখে পড়ার মত। সুত্রে জানা যায়, দীর্ঘ কয়েক মাস ধরে টেকনাফ উপজেলা ও পৌর শহরের বেশ কয়েকটি গুরুত্বপুর্ণ সরকারি অফিসের টেলিফোনের কোন সংযোগ পাচ্ছেনা তারা।
এব্যাপারে টেকনাফের সচেতন মহলের অভিমত, যে সমস্ত অদক্ষ টিঅ্যান্ডটি কর্মকর্তা ও কর্মচারী বছরের পর বছর সরকারি বেতন ভাতা খেয়ে কোন কাজ না করে টেকনাফে রয়েছে। তাদের পরিবর্তে যত তাড়াতাড়ি সম্ভব দক্ষ ও অভিজ্ঞতা সম্পন্ন কর্মকর্তা, কর্মচারী নিয়োগ দিতে হবে। তা না হলে এইভাবে প্রতিনিয়ত দুর্ভোগ আর যন্ত্রণার শিকার হবে সরকারি টেলিফোন ব্যবহারকারীরা।