টানা বৃষ্টিতে রাজস্থলীতে ব্যাপক ক্ষতি

নিজস্ব প্রতিনিধি, রাজস্থলী
RajosthaliKaptai Rever

রাজস্থলী উপজেলায় গত কয়েকদিনের টানা প্রবল বৃষ্টিতে কয়েক কোটি টাকার ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে। অন্তত ১২টি বসতবাড়ি, গোয়ালঘর ও খামার পাহাড় ধসে ভেঙে গেছে।উপজেলার বিভিন্নস’ান থেকে প্রাপ্ত তথ্যে জানা গেছে, রাজস’লী বাজার, বাঙালহালিয়া বাজার, ইসলামপুর বাজার ও বান্দরবান জেলার সাথে যোগাযোগ বন্ধ রয়েছে। প্রায় ৩০টির বেশি গ্রামীণ সড়কের এখন বেহাল দশা। রাস্তার উপরের অংশে পাহাড় ধসে পড়েছে । আর কোথাও রাস্তার নিচের অংশ ভেঙে মাটি সরে গেছে। ফলে, পাহাড়ে বসবাসরত মানুষের ভোগান্তির শেষ নেই। রাজস’লীর সাথে যোগাযোগ ব্যবস’ায় প্রধান সড়ক ছাড়া অন্য কোন পথ দিয়ে কোথাও গাড়ি চলাচল করতে পারছেনা।এছাড়া রাজস’লী বাজার সংলগ্ন হেডম্যান পাড়া হিন্দু বসতি এলাকায় নদী ভাঙ্গনে ক্ষতির শিকার হয়েছে প্রায় ৫টি বসতবাড়ি। নদী ভাঙ্গনে রাজস’লী বাজারসহ প্রায় কয়েক শতাধিক বসতবাড়ি বর্তমানে ঝুঁকির মধ্যে রয়েছে।এদিকে কাঠ ব্যবসায়ীদের সূত্রে জানা গেছে, প্রায় কোটি টাকা মূল্যের সেগুন, গামারি গাছ পাহাড়ের ঢলের পানিতে ভেসে গেছে। অন্যদিকে সরকারি উন্নয়ন কর্মকান্ড, যোগাযোগ ব্যবস’া, অবকাঠামোগত উন্নয়ন, কৃষিখাত প্রায় সবক্ষেত্রে ক্ষতি হয়েছে বলে জনপ্রতিনিধিরা জানান। উপজেলা প্রশাসন সূত্রে জানা গেছে, দুর্যোগ প্রতিরোধের জন্য কমিটি গঠন ও ক্ষতিগ্রস্তদের তাৎক্ষণিক সহায়তা প্রদানের লক্ষ্যে কন্ট্রোলরুম স’াপন করা হয়েছে।সতর্কতামূলক মাইকিং করা হচ্ছে । তবে, ক্ষতিগ্রস্তদের সাথে আলাপ করে জানা গেছে, নিরাপদ স’ানে সরে যেতে বললেও পর্যাপ্ত জায়গা নেই। নদী ভাঙন ও প্রাকৃতিক দুর্যোগে ক্ষতির শিকার পরিবারের জন্য সরকারি কিংবা বেসরকারিভাবে পর্যাপ্ত আশ্রয়কেন্দ্র নেই। বৃষ্টি না থামা পর্যন্ত অধিকাংশ সময় রাত জেগে পাহারা দিয়ে থাকতে হচ্ছে।৩টির ইউনিয়নের চেয়ারম্যান ১নম্বর ঘিলাছড়ি সুশান্ত প্রসাদ তঞ্চগ্যা, ২নম্বর গাইন্দ্যা উথান মারমা ও ৩নম্বর বাঙালহালিয়া ঞোমং মারমা জানান, এলাকায় যেভাবে ক্ষতি হয়েছে। তাতে ক্ষতিপূরণে প্রায় দেড় কোটি টাকা দরকার।