ঝুঁকি আর দুর্ভোগে নিত্য পারাপার ছড়ার ভাঙনে সড়ক বিলীন

নিজস্ব প্রতিনিধি, দীঘিনালা

দীঘিনালা উপজেলায় কবাখালী ছড়ার ভাঙনে বিলীন হয়েছে দড়্গিণ মিলনপুর সড়ক। ফলে স’ানীয়দের চলাচলে দুর্ভোগ বেড়েছে। বেশ কয়েক স’ানে সাঁকো তৈরি করে এলাকাবাসীর চলাচল করতে হচ্ছে। গত রোববার সকালে উপজেলার দড়্গিণ মিলনপুর গ্রামে গিয়ে দেখা যায়, স্কুল ও মাদ্রাসা শিড়্গার্থীরা সাঁকো ধরে পার হচ্ছে। একজন বাইসাইকেল হাতে ধরে পার করছেন। এলাকা ঘুরে দেখা যায়, হাচিনসনপুর- দড়্গিণ মিলনপুর গ্রামের নুরম্নজ্জামান এবং আমির হোসেন সওদাগরের বাড়ির পাশের রাসত্মা পুরোপুরি কবাখালী ছড়াতে বিলীন হয়েছে। এসব স’ানে বাঁশের সাঁকো তৈরি করে এলাকাবাসীকে চলাচল করতে হচ্ছে । অন্যদিকে আলী আশ্রফের এনত্মাজ আলী মেম্বার এবং আবু তাহেরের বাড়ির পাশেও ভাঙন দেখা দিয়েছে। এব্যাপারে দড়্গিণ মিলনপুর গ্রামের বাসিন্দা এবং কবাখালী আল আমিন বাড়ীয়া মাদ্রাসার শিড়্গক মো. হুমাযুন কবির জানান, গত আট বছর যাবৎ রাসত্মাটি ভেঙে নদীতে চলে গেছে। এলাকার লোকজনের চলাচলের খুব কষ্ট হয়। বিশেষ করে স্কুল মাদ্রাসার ছাত্রছাত্রীদের জন্য ভয় বেশি লাগে। মারাত্মক দুর্ঘটনার আশংকা থাকে সবসময়। এব্যাপারে দড়্গিণ মিলনপুর গ্রামের বাসিন্দা এবং কবাখালী ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সাবেক সাধারণ সম্পাদক মো. জয়নাল আবেদীন জানান, আমাদের গ্রামের পুরো রাসত্মা নদীগর্ভে চলে গেছে।

এখন বসতবাড়ি বিলীন হওয়ার পথে। এছাড়া নদীগর্ভে রাসত্মা বিলীন হওয়ার পর,  তোফাজ্জল হোসেন নামে এক লোক নদীতে পড়ে মারা গেছেন। এলাকাবাসীর দুর্ভোগ লাঘবে রিটেইনিং ওয়াল দিয়ে জরম্নরিভিত্তিতে রাসত্মাটি পুনরম্নদ্ধার করা প্রয়োজন। এব্যাপারে দীঘিনালা উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান এবং উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি আলহাজ্ব মোহাম্মদ কাশেম জানান, দড়্গিণ মিলনপুর গ্রামের ভাঙন কবলিত এলাকা পরিদর্শন করেছি। ভাঙনরোধে প্রয়োজনীয় ব্যবস’া গ্রহণ করা হয়েছে। ইতিমধ্যে প্রয়োজনীয় পদড়্গেপের জন্যে পানি উন্নয়ন বোর্ড, পার্বত্য চট্টগ্রাম উন্নয়ন বোর্ড এবং পার্বত্য জেলা পরিষদকে চিঠি দেয়া হয়েছে।