সার্কিট হাউসে কর্মশালা

জীববৈচিত্র্য সংরক্ষণে সরকার কার্যকরী পদক্ষেপ নিয়েছে

Untitled-1

পরিবেশ অধিদপ্তরের মহাপরিচালক মো. রাইসুল আলম মন্ডল বলেন, বাংলাদেশের জলবায়ু পরিবর্তন, জীববৈচিত্র্য সংরক্ষণ এবং ভূমির অবক্ষয় রোধে সরকার উল্লেখযোগ্য কার্যক্রম গ্রহণ করেছে। ন্যাশনাল ক্যাপাসিটি সেল্ফ এ্যাসেসমেন্ট ২০০৭ প্রতিবেদনে বাংলাদেশের রিও কনভেনশনসমূহের অধীনে প্রতিশ্রুতিগুলো বাস্তবায়নে করণীয় অগ্রাধিকারসমূহ চিহ্নিত করেছে। সে অগ্রাধিকারসমূহের মধ্যে উল্লেখযোগ্য হলো পরিবেশগত সমস্যা সমাধানে কার্যকর উদ্যোগ গ্রহণ, জলবায়ু পরিবর্তন, জীববৈচিত্র সংরক্ষণ এবং মরুময়তা ও ভূমির অবক্ষয় রোধের লক্ষ্যে মানবসম্পদ ও প্রাতিষ্ঠানিক সক্ষমতা বৃদ্ধি করা।
তিনি গতকাল চট্টগ্রাম সার্কিট হাউসে নলেজ শেয়ারিং ওয়ার্কশপ অন রিও কনভেনশনস শীর্ষক অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তৃতায় এসব কথা বলেন।
তিনি আরো বলেন, আমরা বর্তমানে যে সকল চ্যালেঞ্জ মোকাবেলা করছি তার মধ্যে জলবায়ু পরিবর্তন, জীববৈচিত্র্য হ্রাস, ভূমির অবক্ষয় এবং মরুময়তা অন্যতম। বিশ্বব্যাপী এই চ্যালেঞ্জসমূহ সঠিক ও কার্যকরভাবে মোকাবেলা করার জন্য বিশ্ব সম্প্রদায়ের সম্মিলিত উদ্যোগের প্রয়োজন। সে সাথে প্রয়োজন অংশীজনদের সঠিক কর্মপরিকল্পনা। জলবায়ু পরিবর্তন, জীববৈচিত্র্য হ্রাস, ভূমির অবক্ষয় সম্পর্কিত চ্যালেঞ্জ সমূহ মোকাবেলায় বিশ্ব সম্প্রদায় এগিয়ে এসেছিলো ১৯৯২ সালে যা রিও কনভেনশন নামে পরিচিত। বাংলাদেশ তখন থেকেই এ যাত্রার সঙ্গী। বাংলাদেশ ৩ টি রিও কনভেনশনের অনুস্বাক্ষরকারী রাষ্ট্র হিসেবে তার প্রতিশ্রুতিগুলো বাস্তবায়নের চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে। এজন্য আমাদের প্রত্যেকের দায়িত্ব পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষায় বেশি পরিমানে বৃক্ষ রোপণ করা, কৃষি ও আবাদি জমি সংরক্ষণ করা।
পরিবেশ অধিদপ্তরের পরিচালক মো. মকবুল হোসাইনের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে পরিবেশ ও বন মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব ড. নুরুল কাদির, রিও প্রকল্প পরিচালক জিয়াউল হক এবং চট্টগ্রাম জেলা প্রশাসক মো. জিল্লুর রহমান চৌধুরী বক্তৃতা করেন। বিজ্ঞপ্তি