আলোচনা সভায় আ জ ম নাছির

জিয়া রাষ্ট্রদ্রোহিতার সবচে বড় নজির

নিজস্ব প্রতিবেদক

‘বিএনপির প্রতিষ্ঠাতা জিয়াউর রহমান রাষ্ট্রদ্রোহিতার সবচেয়ে বড় নজির’ বলে মনত্মব্য করেছেন নগর আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক আ জ ম নাছির উদ্দীন। তিনি বলেন, ‘৭৫ এর বঙ্গবন্ধু হত্যাকা- পরবর্তী সময় থেকে বাংলাদেশকে পাকিসত্মানি ভাবধারায় পরিচালিত করা হয়েছে। জিয়াউর রহমান যুদ্ধাপরাধী গোলাম আজমকে নাগরিকত্ব দিয়েছেন। ’৭১ এর পরাজিত শক্তিকে রাষ্ট্রীয়ভাবে পুনর্বাসিত করেছেন।’
গতকাল সোমবার বিকেলে নগরীর থিয়েটার ইনস্টিটিউট প্রাঙ্গণে নগর আওয়ামী লীগের আলোচনা সভায় তিনি একথা বলেন।
মহান স্বাধীনতা দিবস উপলড়্গে

এ সভার আয়োজন করা হয়।
বর্তমান প্রজন্মের সবাইকে স্বাধীনতার মূল্যবোধ ও চেতনা ধারণ করার আহ্বান জানিয়ে আ জ ম নাছির বলেন, ‘জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ২৪ বছরের রাজনৈতিক লড়াই-সংগ্রামের ধারাবাহিকতায় বাংলাদেশের স্বাধীনতাকে অনিবার্য করে তুলেছিলেন। এই সত্যকে যারা অস্বীকার করে তারা বাংলাদেশকে স্বীকার করে না। আমরাও তাদের ঘৃণাভরে প্রত্যাখান করি।
সভাপতির বক্তব্যে নগর আওয়ামী লীগের ভারপ্রাপ্ত সভাপতি মাহতাব উদ্দিন চৌধুরী বলেন, ‘মহান মুক্তিযুদ্ধ চলাকালীন হানাদার পাকিসত্মানী বাহিনীকে যারা সহযোগিতা করে গণহত্যা চালিয়েছে, নারী নির্যাতন করেছে, ঘর বাড়িতে আগুন দিয়েছে, স্বাধীনতার ৪৮ বছর পরও তারা এখনও বাংলাদেশে মাটিতে বসবাস করছে- এ গস্নানিতে আমাদের বুক ফেটে যায়।’
তিনি আরও বলেন, ‘জিয়াউর রহমান ড়্গমতায় এসে বঙ্গবন্ধুর হত্যাকারী এবং মুক্তিযুদ্ধের বিরোধিতাকারীদের রাষ্ট্রীয়ভাবে পুনর্বাসিত করেছেন এবং অনেককেই মন্ত্রী করে যুদ্ধাপরাধীদের গাড়িতে স্বাধীন বাংলার পতাকা তুলে দিয়েছিলেন, যা স্বাধীনতাকে আঘাত করার সামিল।
নগর আওয়ামী লীগের প্রচার ও প্রকাশনা সম্পাদক শফিকুল ইসলাম ফারম্নকের সঞ্চালনায় সভায় আরও বক্তব্য রাখেন সংগঠনের যুগ্ম সম্পাদক বদিউল আলম, এম এ রশিদ, বন ও পরিবেশ বিষয়ক সম্পাদক মশিউর রহমান চৌধুরী প্রমুখ।
সভামঞ্চে উপসি’ত ছিলেন নগর আওয়ামী লীগের সহসভাপতি নঈম উদ্দিন চৌধুরী, সুনীল কুমার সরকার, অ্যাডভোকেট ইব্রাহিম হোসেন চৌধুরী বাবুল ও এম. জহিরম্নল আলম দোভাষ, উপদেষ্টা শফর আলী, শেখ মোহাম্মদ ইসহাক, সাংগঠনিক সম্পাদক নোমান আল মাহমুদ, চৌধুরী হাসান মাহমুদ হাসনী, সম্পাদকম-লীর সদস্য হাসান মাহমুদ সমশের, অ্যাডভোকেট ইফতেখার সাইমুল চৌধুরী, চন্দন ধর, দেবাশীষ গুহ বুলবুল, আবদুল আহাদ, ইঞ্জিনিয়ার মানস রড়্গিত, জোবায়রা নার্গিস খান, আবু তাহের, শহিদুল আলম প্রমুখ।
এদিকে ২৫ মার্চ গণহত্যার প্রতিবাদে গতরাতে চট্টগ্রাম কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে মোমবাতি প্রজ্জ্বলন করে নগর আওয়ামী লীগ। এতে সংগঠনের নেতাকর্মীরা উপসি’ত ছিলেন।