জাতীয় সংলাপের আহ্বান জানালেন খালেদা জিয়া

NHBD-Khaleda-Zia

জাতীয় সনদ প্রণয়ন ও জাতীয় ঐক্য গঠনের দাবি জানানোর পর এবার জাতীয় সংলাপ চেয়েছে বিএনপি। দলটি আশা করে, সরকার শুভবুদ্ধির পরিচয় দিয়ে দেশের এই ক্রান্তিকালে সংকট উত্তরণে গণতন্ত্র বিকাশের ক্ষেত্রকে সংকোচন না করে একটি জাতীয় সংলাপের সূচনার পরিবেশকে দেশ ও জাতির স্বার্থেই উন্মুক্ত করবে। বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় দলের চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার নামে পাঠানো এক বিবৃতিতে এ সরকারের প্রতি এ আহ্বান জানানো হয়।
বিএনপি মুখপাত্র ড. আসাদুজ্জামান রিপন স্বাক্ষরিত বিবৃতিতে খালেদা জিয়া আরও বলেন, দেশ ক্রমাগত গভীর সংকটের দিকে এগুচ্ছে। আমাদের কাছে দেশের স্বার্থ বড়, জনগণের স্বার্থকেই আমরা অগ্রাধিকার দিয়ে থাকি। এ পরিসি’তি থেকে উত্তরণের জন্য আমরা জাতীয় ঐক্যের ডাক দিয়েছি, সর্বদলীয় বৈঠকের কথাও বলেছি। আমি বারবার জাতীয় সংকট মোকাবেলায় জরুরিভাবে জাতীয় সংলাপের আহ্বান জানিয়েছি আন্তরিকভাবে, কিন’ দুর্ভাগ্যজনকভাবে হলেও সত্য যে, সরকার আমাদের সে দাবির প্রতি এখন পর্যন্ত কর্ণপাত করেননি। খবর বাংলা ট্রিবিউন এর।
খালেদা জিয়া অভিযোগ করেন, দেশ আজ গভীর সংকটে নিপতিত। তার অভিযোগ, ২০১৪ সালের ৫ জানুয়ারি একটি ভোটারবিহীন নির্বাচন অনুষ্ঠিত হওয়ার পর সরকার প্রধান অচিরেই আরেকটি অংশগ্রহণমূলক নির্বাচন দেওয়ার প্রতিশ্রুতি দিয়েও তা থেকে সরে আসেন। দেশ আজ এক সর্বগ্রাসী কতৃত্ববাদী শাসন ব্যবস’ায় বিপর্যস্ত।
খালেদা জিয়া বলেন, বিএনপি একটি গণতন্ত্র পন’ার দল। আমাদের দল কোনওভাবেই কোনও উগ্রপন’াকে সমর্থন করে না। সব ধরনের সহিংসতার বিরুদ্ধে আমাদের অবস’ান স্পষ্ট। তিনি আরও বলেন, আমরা যখন সারাদেশে তৃণমূল পর্যায় থেকে কাউন্সিল করে দলকে পুনর্গঠনের উদ্যোগ নিয়েছি, তখনই সারাদেশে দলের নেতাকর্মীদের বিভিন্ন মিথ্যা মামলায় গ্রেফতার করা হচ্ছে।
বিএনপি চেয়ারপারসন বলেন, আমি এর আগেও প্রতিশ্রুতি দিয়েছি, ভবিষ্যতে ক্ষমতায় গেলে আমরা কোনও হিংসাত্মক রাজনীতিকে প্রশ্রয় দেব না। আইনশৃঙ্খলা বাহিনী, প্রশাসন, বিচার বিভাগ, গণমাধ্যম, নির্বাচন কমিশনসহ রাষ্ট্রের সব সাংবিধানিক প্রতিষ্ঠান দলীয় রাজনীতির প্রভাবের বাইরে রেখে কাজ করা হবে।
বিবৃতিতে খালেদা জিয়া অনতিবিলম্বে দলের অসুস’ ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর, স’ায়ী কমিটির সদস্য ড. খন্দকার মোশাররফ হোসেন, এম কে আনোয়ার, গয়েশ্বর চন্দ্র রায়, গাজীপুর সিটি করপোরেশনের নির্বাচিত মেয়র অধ্যাপক এম এ মান্নান, সাংবাদিক শওকত মাহমুদ, যুগ্ম মহাসচিব আমান উল্লাহ আমান, রুহুল কবীর রিজভী, সাবেক সংসদ সদস্য ডা. দেওয়ান সালাউদ্দিন বাবু, সিলেট সিটি করপোরেশনের নির্বাচিত মেয়র আরিফুল হক চৌধুরী, হবিগঞ্জ পৌরসভার মেয়র জি কে গউছ, কিশোরগঞ্জ জেলা বিএনপির সিনিয়র সহসভাপতি শরিফুল আলম, ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলা বিএনপির সভাপতি-সাধারণ সম্পাদক যথাক্রমে হাফিজুর রহমান মোল্লা কচি ও জহিরুল হক খোকনসহ দলের গ্রেফতারকৃত ও নেতা- কর্মীদের মুক্তি দাবি করেন।

  1. আপনার লজ্জা তাকলে এটা বলতেননা,তার কারন হল প্রধানমন্রী আপনার বাসা পর্যন্ত গিয়েছিল সংলাপের জন্য আপনি তা নাকচ করে দিয়েছিলেন, আপনার ছেলেকে দেখতে আপনার বাসায় গিয়েছে আপনি গেট খুলেননি তখন,আর এখন যখন আপনার অস্তিত্ব নিয়ে টানাহেছড়া হচ্ছে তখন বলেন জাতিয় সংলাপ এর কথা আপনাকে দেশের আপামর জনতা চিনে নিয়েছে ভাল করে, আপনার দেশে না আসলে আমজনতা বরং খুশি হবে,

আপনার মন্তব্য লিখুন