জলাবদ্ধতা নিরসনে খনন হচ্ছে লাঠিছড়ি খাল

নিজস্ব প্রতিনিধি, রাউজান

রাউজানের ১নম্বর হলদিয়া ইউনিয়নের গর্জনিয়া এলাকা ও আমির হাট এলাকার পাশ দিয়ে প্রবাহিত লাঠিছড়ি খাল। খালটি ভরাট হয়ে যাওয়ায় বর্ষার মৌসুমে ঢলের পানি প্রবাহিত হতে প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি হয়ে এলাকায় জলবদ্ধতা সৃষ্টি হয়। গত দু বছর বর্ষায় ঢলের পানিতে হলদিয়া ইউনিয়ন পরিষদ ভবনের সীমানা প্রাচীর ধসে পড়ে, হলদিয়া ভিলেজ রোডের ব্যাপক ক্ষতি হয়। লাঠিছড়ি খালের পাড়ে অবসি’ত এয়াসিন শাহ উচ্চ বিদ্যালয়,এয়াসিন শাহ কলেজ বর্ষা মৌসুমে হুমকির মুখে পড়ে ও এসময় কৃষি জমির ব্যাপক ক্ষতি হয়।
রাউজানের সংসদ সদস্য এবি এম ফজলে করিম চৌধুরীর প্রচেষ্টায় বাংলাদেশ কৃষি উন্নয়ন কর্পোরেশনের অধীনে ভরাট হয়ে যাওয়া লাঠিছড়ি খাল খনন কাজের জন্য টেন্ডার আহবান করলে ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান এস, এম টেডিং ১৫ লাখ টাকায় লাঠিছড়ি খাল খননের কাজ নেয়। প্রতিষ্ঠানটি হলদিয়ার গর্জনিয়া থেকে আমির হাট পর্যন্ত দেড় কিলোমিটার দীর্ঘ খাল খনন কাজ করে আসছে। কাজ প্রায় শেষ পর্যায়ে। বাংলাদেশ কৃষি উন্নয়ন কর্পোরেশন রাউজান উপজেলা উপ সহকারী প্রকৌশলী শাহেদুল ইসলাম বলেন, লাঠিছড়ি খালটি ভরাট হয়ে একটি নালার মতো হয়ে যায়। ভরাট হয়ে যাওয়া খালটি খনন করা হলে এলাকাবাসী জলাবদ্ধতা থেকে রক্ষা পাবে।
এলাকার সড়কসমুহও ক্ষয়ক্ষতি থেকে রক্ষা পাবে। জমির ফসল রক্ষা পাবে ঢল থেকে। শুস্ক মৌসুমে বোরো ধানের চাষাবাদ ও সবজি ক্ষেতের চাষাবাদে লাঠিছড়ি খালের পানি সেচের মাধ্যমে ব্যবহার করে চাষাবাদ করতে সুবিধা পাবে এলাকার কৃষকেরা।