চেক প্রতারণার পৃথক ৩ মামলায় সাজাপ্রাপ্ত তিন আসামি গ্রেফতার

নিজস্ব প্রতিবেদক

নগরে চেক প্রতারণার তিনটি পৃথক মামলায় বিভিন্ন মেয়াদে সাজাপ্রাপ্ত তিন আসামিকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। গত শনিবার দুপুর থেকে গতকাল সকাল পর্যন্ত নগর ও জেলার চন্দনাইশ উপজেলায় বিভিন্ন জায়গায় অভিযান চালিয়ে তাদের গ্রেফতার করা হয়েছে বলে জানিয়েছেন ওসি মো. মহসীন। জানা গেছে, চেক প্রতারণা মামলার এক বছরের সাজাপ্রাপ্ত মাহবুল হক (৪০) নামে এক আসামিকে গত শনিবার দুপুরে চন্দনাইশ থানাধীন গাছবাড়িয়া থেকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। আসামি নগরের কদমমোবারক এতিমখানার নিচে ‘সবুজ স্টোর’ নামে
একটি মুদির দোকান করত। পুলিশ জানায়, মাহবুল হক বিভিন্ন এনজিও এবং ব্যাংক হতে ঋণ নিয়ে ব্যবসা করত। কিন’ ঋণের টাকা পরিশোধ না করে চেক প্রদানের মাধ্যমে প্রতারণা করতেন। এ সংক্রান্তে দায়ের হওয়া মামলায় তার বিরুদ্ধে গত ১৮ ফেব্রুয়ারি চট্টগ্রামের একটি আদালত ১ বছরের সাজার রায় প্রদান করেন। ওই রায়ের প্রেক্ষিতে তার বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি করে আদালত। মাহবুল হক কোতোয়ালী থানাধীন রহমতগঞ্জ এলাকার ইসলাম বিল্ডিং এর মৃত দুলা মিয়ার ছেলে।এদিকে গত শনিবার সন্ধ্যায় ডবলমুরিং থানাধীন বৌ বাজার এলাকা থেকে চেক প্রতারণা মামলার দশ মাসের বিনাশ্রম সাজাপ্রাপ্ত এবং ১২ লাখ টাকা জরিমানা মামলার আমিনুল ইসলাম ইমন (৩৬) নামে এক আসামিকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। ইমন নোয়াখালী জেলা আদালতে চাকরি করা অবস’ায় বিভিন্ন লোকের কাছ থেকে টাকা ধার নিয়ে পরিশোধ করতেন না। পাওনাদারদের চেক প্রদান করে প্রতারণার দায়ে আদালত গত ১৪ জানুয়ারি দশমাসের বিনাশ্রম সাজার রায় প্রদান করেন। তার নামে গ্রেফতারি পরোয়ানা ইস্যু হলে দীর্ঘদিন আত্মগোপনে থাকেন। গোপন সূত্রে খবর পেয়ে তাকে গ্রেফতার করে পুলিশ। আমিনুল ইসলাম ইমন নগরের পাহাড়তলী থানাধীন মাইট্রাল্লা পাড়ার হাজি মুকবুল হক কমিশনার বাড়ির শহিদুল ইসলামের ছেলে। বর্তমানে তিনি চট্টগ্রাম জেলা জজ আদালতের নেজারত বিভাগে জারি কারক হিসেবে কর্মরত আছেন। এদিকে একই দিন সন্ধ্যায় রিয়াজউদ্দিন বাজার এলাকা থেকে চেক প্রতারণার পৃথক আরেকটি মামলার এক বছরের সাজা প্রাপ্ত সাজ্জাদ আহমদ (৩৬) নামে এক আসামিকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। আসামি সাজ্জাদ রিয়াজউদ্দিন বাজার এলাকায় ব্যবসা করা অবস’ায় বিভিন্ন লোকের কাছ থেকে টাকা ধার নিয়ে পরিশোধ না করে চেকের মাধ্যমে প্রতারণা করতেন। এ সংক্রান্তে গত ২৭ ফেব্রুয়ারি সাজ্জাদকে এক বছরের সাজার রায় প্রদান করেন। ওই রায়ের প্রেক্ষিতে তার বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানা ইস্যু করে আদালত। আসামি সাজ্জাদ আহমদ নগরের আলকরণ এলাকার ছিদ্দিক আহমদের ছেলে।