চেইন অব কমান্ড ঠিক থাকলে যে কোনো লক্ষ্য অর্জন সম্ভব: প্রধানমন্ত্রী

সুপ্রভাত ডেস্ক

সশস্ত্রবাহিনীর সর্বস্তরে চেইন অব কমান্ড বজায় রাখার ওপর গুরুত্বারোপ করে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, কার্যকরী কমান্ড চ্যানেল সশস্ত্রবাহিনীর লক্ষ্য অর্জনে মুখ্য ভূমিকা রাখে। সব স্তরে কমান্ডারদের প্রতি শ্রদ্ধাবোধ ও তাদের প্রতি অনুগত থাকলে যেকোনও কাজ দক্ষতা, শৃঙ্খলা ও নৈপুণ্যের সঙ্গে সম্পন্ন করা সম্ভব।
বৃহস্পতিবার ঢাকা সেনানিবাসে প্রেসিডেন্ট গার্ড রেজিমেন্টের (পিজিআর) ৪৩তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে আয়োজিত অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
বাসস জানায়, সেনা সদস্যদের শৃঙ্খলার বিষয়টি উল্লেখ করে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেন, ‘সশস্ত্রবাহিনী একটি সুশৃঙ্খল বাহিনী। তাই এই বাহিনীর সদস্যদের চেইন অব কমান্ড সবসময় মেনে চলতে হবে। ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদেরও তাদের অধীনস’দের সুযোগ-সুবিধা দেখতে হবে। আবার অধীনস’ যারা, তারাও তাদের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের নির্দেশ মেনে শৃঙ্খলা বজায় রেখে কাজ করবে। সুশৃঙ্খল বাহিনী হিসেবে এর কমান্ড ঠিক থাকতে হবে এবং সবকিছু সুশৃঙ্খলভাবে চলতে হবে। তাহলেই আমরা যেকোনও লক্ষ্য অর্জন করতে পারবো।’
প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘আমরা সুনির্দিষ্ট লক্ষ্য সি’র করেছি। ২০২০ সালে জাতির পিতার জন্মশতবার্ষিকী আমরা পালন করবো। এই সময়ের মধ্যেই দেশকে ক্ষুধা ও দারিদ্র্যমুক্ত করে গড়ে তোলার আহ্বান জানিয়ে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেন, ‘২০৪১ সালের মধ্যে বাংলাদেশ হবে একটি উন্নত ও সমৃদ্ধ দেশ। সেই পরিকল্পনা নিয়েই আমরা এগিয়ে যাচ্ছি।’ দেশের সব প্রতিষ্ঠান বর্তমানে সুষ্ঠুভাবে পরিচালিত হওয়ায় প্রধানমন্ত্রী সন্তোষ প্রকাশ করে বলেন, ‘প্রতিটা প্রতিষ্ঠানই নিজ নিজ ক্ষেত্রে বাংলাদেশের এই উন্নয়নে অবদান রেখে যাচ্ছে।’
পিজিআর এর সদর দফতরে পৌঁছালে প্রথমে প্রধানমন্ত্রীকে রেজিমেন্টের কোয়ার্টার গার্ড-এ সেনাবাহিনী প্রধান জেনারেল আজিজ আহমেদ এবং পিজিআর কমান্ডার ব্রিগেডিয়ার জেনারেল মো. জাহাঙ্গীর হারুন তাকে অভ্যর্থনা জানান। প্রধানমন্ত্রী উপসি’ত সব অফিসার, জুনিয়র কমিশনড অফিসারের সঙ্গে কুশলাদি বিনিময় করেন। অনুষ্ঠানে একটি সুসজ্জিত গার্ড রেজিমেন্ট প্রধানমন্ত্রীকে রাষ্ট্রীয় সালাম জানায়।
প্রধানমন্ত্রী অনুষ্ঠানে রেজিমেন্টে কর্মরত অবস’ায় নিহত, শহীদদের স্বজনদের উপহার সামগ্রী বিতরণ ও অনুদান হস্তান্তর করেন। অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রীর নিরাপত্তা উপদেষ্টা মেজর জেনারেল (অব.) তারিক আহমেদ সিদ্দিক, নৌবাহিনী প্রধান এডমিরাল নিজামউদ্দিন আহমেদ, বিমানবাহিনী প্রধান এয়ার মার্শাল মাসিহুজ্জামান সেরনিয়াবাত, সশস্ত্রবাহিনী বিভাগের প্রিন্সিপাল স্টাফ অফিসার (পিএসও) লেফটেন্যান্ট জেনারেল মো. মাহফুজুর রহমান, প্রতিরক্ষা সচিব আখতার হোসেন ভূইয়া, প্রধানমন্ত্রীর সামরিক সচিব মেজর জেনারেল মিয়া মো. জয়নুল আবেদীন, প্রেস সচিব ইহসানুল করিমসহ সামরিক ও বেসামরিক কর্মকর্তারা উপসি’ত ছিলেন।