চাকসু নির্বাচন দাবিতে গণস্বাক্ষর কর্মসূচি ছাত্রলীগের

চবি সংবাদদাতা গ্ধ

চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রসংসদ (চাকসু) নির্বাচন দাবিতে গণস্বাক্ষর কর্মসূচি পালন করেছে বিশ্ববিদ্যালয় শাখা ছাত্রলীগের একাংশ। গতকাল দুপুর ১টার দিকে বুদ্ধিজীবী চত্বরে এই কর্মসূচি পালন করা হয়।
কর্মসূচির আয়োজনে ছিল বিশ্ববিদ্যালয় শাখা ছাত্রলীগের বগিভিত্তিক সংগঠন ভার্সিটি এক্সপ্রেস (ভিএক্স), একাকার, রেড সিগনাল (আরএস), এপিটাফ ও বাংলার মুখ। এ সংগঠনগুলো নগর আওয়ামী লীগ সাধারণ সম্পাদক ও সিটি মেয়র আ জ ম নাছির উদ্দীনের অনুসারী।
এ ব্যাপারে ছাত্রলীগ নেতাকর্মীরা বলেন, ‘অনতিবিলম্বে চাকসু নির্বাচন দেওয়া হোক। বিশ্ববিদ্যালয়ের সার্বিক উন্নয়নের জন্য চাকসুর বিকল্প নেই। সাধারণ শিক্ষার্থীদের দাবি-দাওয়া উত্থাপনের জন্য ছাত্রপ্রতিনিধির প্রয়োজনীয়তা অনেক বেশি।’
তারা আরো বলেন, ‘আজ আমরা সাধারণ শিক্ষার্থীদের সাথে নিয়ে চাকসু নির্বাচনের পক্ষে গণস্বাক্ষর কর্মসূচি পালন করেছি। এতে স্বতঃস্ফূর্তভাবে সাধারণ শিক্ষার্থীরা অংশগ্রহণ করেছে। আগামী দিনে চবি প্রশাসনের নিকট স্মারকলিপি প্রদানসহ বেশ কিছু কর্মসূচি গ্রহণ করার পরিকল্পনা রয়েছে আমাদের।’
এ সময় উপসি’ত ছিলেন সাবেক শিক্ষা ও পাঠচক্রবিষয়ক সম্পাদক
ঁ ৭ম পৃষ্ঠার . কলাম
ঁ শেষ পৃষ্ঠার পর
আমির সোহেল, উপদপ্তর সম্পাদক মিজানুর রহমান বিপুল, উপসাহিত্য বিষয়ক সম্পাদক ইমাম উদ্দিন ফয়সাল পারভেজ, উপবিজ্ঞান ও তথ্যপ্রযুক্তি বিষয়ক সম্পাদক রকিবুল হাসান দিনার, ছাত্রলীগ নেতা দুর্জয় চক্রবর্তী ও আইনবিষয়ক সম্পাদক আবু সাঈদ মারজান।
প্রসঙ্গত, গত ২২ জানুয়ারি চাকসু নির্বাচন দাবিতে মানববন্ধন করে ছাত্র ইউনিয়নের নেতাকর্মীরা। এর আগে ১৪ জানুয়ারি একমাসের মধ্যে চাকসু নির্বাচন দিতে বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষকে আল্টিমেটাম দিয়ে মানববন্ধন করে ছাত্রলীগের একাংশ।
সর্বশেষ চাকসু নির্বাচন
চাকসুর সর্বশেষ নির্বাচন হয় ১৯৯০ সালের ৮ ফেব্রুয়ারি। ১৯৬৬ সালে চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠার পর প্রথম চাকসু নির্বাচন হয় ১৯৭০ সালে। ওই নির্বাচনে সহসভাপতি এবং সাধারণ সম্পাদক নির্বাচিত হন যথাক্রমে মো. ইব্রাহিম ও মো. আবদুর রব। স্বাধীনতার পর বঙ্গবন্ধু সরকারের আমলে ১৯৭১-৭২ এবং ১৯৭২-৭৩ সালে চাকসু নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়। এরপর জিয়াউর রহমানের আমলে দু’বার এবং এরশাদের আমলে একবার নির্বাচন হয়। এরশাদের পতনের পর থেকে আর নির্বাচন হয়নি। চাকসুর গঠনতন্ত্র অনুযায়ী প্রতি শিক্ষাবর্ষে একবার এই নির্বাচন হবে। যার মেয়াদ হবে এক বছর। ১৯ সদস্যের চাকসুর কমিটিতে উপাচার্য পদাধিকার বলে সভাপতি। কোষাধ্যক্ষ পদটিতে শিক্ষকদের মধ্য থেকে একজনকে মনোনীত করেন উপাচার্য। বাকি ১৭টি পদ ছাত্রদের। তাঁরা সাধারণ শিক্ষার্থীদের ভোটে নির্বাচিত হবেন।