চাকসু নির্বাচনের নীতিগত সিদ্ধানত্ম

চবি সংবাদদাতা

চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় (চবি) কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদ (চাকসু) নির্বাচনের নীতিগত সিদ্ধানত্ম নিয়েছে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন। তবে কবে নির্বাচন হবে সে বিষয়ে এখনো সিদ্ধানত্ম হয়নি।
গতকাল বুধবার সন্ধ্যায় মুঠোফোনে বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য
অধ্যাপক ড. ইফতেখার উদ্দিন চৌধুরী এ কথা জানান।
তিনি বলেন, চাকসু নির্বাচনের ব্যাপারে বুধবার আবাসিক হলগুলোর প্রভোস্টদের নিয়ে একটি সভা হয়েছে। আগামীকাল (আজ) বৃহস্পতিবার এই বিষয়ে একটি কমিটি গঠন করা হবে। কমিটি নতুন নীতিমালা প্রণয়ন ও আধুনিকায়ন এবং সংবিধান পরিবর্তন করবে। সবগুলো পক্রিয়া সম্পন্ন করার পর যথাসময়ে চাকসু নির্বাচন দেওয়া হবে। এসময় তিনি একটি সুষ্ঠু ও সুন্দর নির্বাচনের আশা ব্যক্ত করেন।
এ ব্যাপারে শাহজালাল হলের প্রভোস্ট অধ্যাপক ড. সুলতান আহমেদ বলেন, চাকসু নির্বাচন নিয়ে একটি নীতিগত সিদ্ধানত্ম হয়েছে। তবে কবে নির্বাচন হবে সে ব্যাপারে কোনো সিদ্ধানত্ম হয়নি। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে যে নীতিমালা হয়েছে সেগুলো রিভিউ করে নীতিমালা করতে একটি কমিটি গঠন করা হবে। এরপরই নির্বাচনের ঘোষণা আসতে পারে।
চাকসুর সর্বশেষ নির্বাচন হয় ১৯৯০ সালের ৮ ফেব্রম্নয়ারি। ১৯৬৬ সালে চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠার পর প্রথম চাকসু নির্বাচন হয় ১৯৭০ সালে। ওই নির্বাচনে সহসভাপতি এবং সাধারণ সম্পাদক নির্বাচিত হন যথাক্রমে মো. ইব্রাহিম ও মো. আবদুর রব। স্বাধীনতার পর বঙ্গবন্ধু সরকারের আমলে ১৯৭১-৭২ এবং ১৯৭২-৭৩ সালে চাকসু নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়। এরপর জিয়াউর রহমানের আমলে দু’বার এবং এরশাদের আমলে একবার নির্বাচন হয়। এরশাদের পতনের পর থেকে আর নির্বাচন হয়নি।
চাকসুর গঠনতন্ত্র অনুযায়ী প্রতি শিড়্গাবর্ষে একবার এই নির্বাচন হবে। যার মেয়াদ হবে এক বছর। ১৯ সদস্যের চাকসুর কমিটিতে উপাচার্য পদাধিকারবলে সভাপতি। কোষাধ্যড়্গ পদটি শিড়্গকদের মধ্য থেকে একজন মনোনীত করবেন উপাচার্য। বাকি ১৭টি পদ ছাত্রদের। তারা ছাত্রদের ভোটের মাধ্যমে নির্বাচিত হবেন।