চসিকের সিদ্ধানত্ম ২০১৯ সাল থেকে সম্মিলিত একুশে বইমেলা চট্টগ্রামে

নিজস্ব প্রতিবেদক

২০১৯ সাল থেকে চট্টগ্রামে প্রতিবছর ১৮ দিন ব্যাপী সম্মিলিতভাবে একুশে বইমেলা আয়োজন করা হবে। এম এ আজিজ স্টেডিয়ামের জিমনেসিয়াম সংলগ্ন পশ্চিম পাশের মাঠে ১০ ফেব্রম্নয়ারিতে শুরম্ন হয়ে এ মেলা শেষ হবে ২৮ ফেব্রম্নয়ারি। মেলার সকল অবকাঠামো ও আর্থিক বিষয় দেখভাল করবে চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশন (চসিক)। একুশে বইমেলা ২০১৯ আয়োজন উপলড়্গে সম্প্রতি নগরীর সম্মানিত ব্যক্তিবর্গের সাথে মতবিনিময় সভা করে এটিসহ দশটি সিদ্ধানত্ম নিয়েছে চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশন।
বাকি সিদ্ধানত্মগুলো হলো- একটি সুনির্দিষ্ট নীতিমালার মাধ্যমে মেলা পরিচালিত হবে; লেখক, প্রকাশক, সাংবাদিক, সংস্কৃতি কর্মী, বিভিন্ন সংগঠন ও শিড়্গকদের নিয়ে একাধিক উপ-কমিটি গঠনের মাধ্যমে মেলা পরিচালিত হবে; প্রকৃত প্রকাশকদের মেলায় স্টল বরাদ্দ দেওয়া হবে; মানসম্পন্ন সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হবে; বিজ্ঞাপন দিয়ে ঢাকা ও চট্টগ্রামের নামকরা প্রকাশকদের অংশগ্রহণের আহ্বান জানানো হবে এবং জাতীয় ও আনত্মর্জাতিক পর্যায়ের বিশিষ্ট ব্যক্তিবর্গ ছাড়াও বিভিন্ন জেলায় অবস’ানরত গুণিজনদের আমন্ত্রণ জানাতে হবে মেলায়।
সফল বইমেলার রূপরেখা: গত ৭ অক্টোবর অনুষ্ঠিত ওই মতবিনিময় সভায় চট্টগ্রাম সৃজনশীল প্রকাশক পরিষদের পড়্গে সংগঠনের সভাপতি মহিউদ্দিন শাহ আলম একটি সফল বইমেলা আয়োজনের রূপরেখা মেয়র আ জ ম নাছির উদ্দীনের কাছে তুলে ধরেন। এগুলো হলো-সকলের অংশগ্রহণে ফেব্রম্নয়ারিতে একক একুশে বইমেলা অনুষ্ঠিত হবে; প্রতিবছর নির্দিষ্ট তারিখে ও নির্দিষ্ট স’ানে বইমেলার আয়োজন হবে; মেলার অনত্মত ৩ মাস পূর্বে আয়োজক প্রতিষ্ঠান উদ্যোগ ও প্রস’তি গ্রহণ করবে; বইমেলার সঙ্গে লেখক, পাঠক, সাংবাদিক ও সংবাদ মাধ্যমগুলোকে সম্পৃক্ত করা; মেলার ২ মাস পূর্বে প্রচার-প্রচারণা শুরম্ন করতে হবে; মেলার প্রচার পাঠকের কাছে পৌঁছানোর ব্যবস’া করতে হবে; প্রকৃত প্রকাশককে স্টল বরাদ্দ দিতে হবে; ঢাকার প্রকাশকদের উৎসাহিত করতে হবে এবং বাংলাদেশর সকল লেখকদের বই প্রাপ্তি নিশ্চিত করতে হবে; বাংলাদেশ জ্ঞান ও সৃজনশীল প্রকাশ সমিতিকে সংযুক্ত করতে হবে; মেলা শুরম্নর কমপড়্গে ১৫ দিন পূর্বে স্টল বরাদ্দ সম্পন্ন করতে হবে এবং ৭ দিন পূর্বে স্টল বুঝিয়ে দিতে হবে; সুনির্দিষ্ট নীতিমালার মাধ্যমে বইমেলা পরিচালিত হবে; মেলার অন্যান্য অনুষ্ঠানমালা ১০ দিন পূর্বে নির্ধারণ করতে হবে; প্রতিটি স্টল থেকে ধার্যকৃত নির্দিষ্ট বই কমিশনে বই বিক্রির ব্যবস’া করতে হবে এবং কোন অবস’াতেই পাইরেটেড, নকল ও বিদেশি বই বিক্রির অনুমতি দেওয়া যাবে না।
এ ব্যাপারে চসিকের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা মো. সামসুদ্দোহা গতকাল শুক্রবার রাতে সুপ্রভাতকে বলেন, ‘চট্টগ্রামে খ- খ- বইমেলার আয়োজন না করে প্রতিবছর একক একুশে বইমেলা আয়োজনের সিদ্ধানত্ম নেওয়া হয়েছে। এখানে প্রকৃত প্রকাশকদের অংশগ্রহণ নিশ্চিত করা হবে। এজন্য ঢাকা থেকেও প্রকাশকদের মেলায় আনার সিদ্ধানত্ম গৃহীত হয়েছে। এছাড়া কোন বিখ্যাত ব্যক্তিকে দিয়ে বইমেলার উদ্বোধন করার সিদ্ধানত্মও নেওয়া হয়েছে।