চসিকের সাধারণ সভায় মেয়র রাসত্মা খোঁড়াখুড়ির কাজ স্থগিত রাখার পরামর্শ

বিজ্ঞপ্তি

চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশনের মেয়র আ জ ম নাছির উদ্দীন ওয়াসার সংযোগ লাইন স’াপন ও উন্নয়ন কাজের জন্য ওয়াসাসহ বিভিন্ন সরকারি ও সেবাপ্রতিষ্ঠান সমূহের রাসত্মা খোঁড়াখুড়ির কাজ আপাতত স’গিত রাখার পরামর্শ দিয়েছেন।
তিনি বলেন, ‘সংযোগ লাইন স’াপনের জন্য নগরীর বিভিন্ন স’ানের রাসত্মা কাটার কারণে নাগরিক ভোগানিত্ম সৃষ্টি হচ্ছে। আবার জনস্বার্থে এই উন্নয়ন কার্যক্রম বন্ধও রাখা যাবে না। তাই চলতি বছর নভেম্বর মাস পর্যনত্ম সংযোগ লাইন স’াপনের জন্য রাসত্মা কাটার কাজ চললেও একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন পর্যনত্ম আর কোনো সংস’াকে সংযোগ লাইনের জন্য রাসত্মা কাটার অনুমতি দেয়া হবে না। এর মধ্যে সংযোগ লাইন স’াপনের জন্য কাটা সড়কগুলো মেরামত ও গর্ত ভরাট করে যান চলাচলের উপযোগী করবে চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশন (চসিক)।’
গতকাল মঙ্গলবার সকালে কেবি আবদুচ ছত্তার মিলনায়তনে চসিকের ৪০তম সাধারণ সভায় সভাপতির বক্তব্যে মেয়র এ কথা বলেন। চসিক সচিব মোহাম্মদ আবুল হোসেনের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠিত সভায় প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা মো. সামসুদ্দোহা, প্রধান প্রকৌশলী লেফটেন্যান্ট কর্নেল মহিউদ্দিন আহমেদ, প্রধান রাজস্ব কর্মকর্তা আবু শাহেদ চৌধুরী, মেয়রের একানত্ম সচিব মুফিদুল আলমসহ
সরকারি ও বেসরকারি বিভিন্ন সেবা সংস’ার দায়িত্বশীল কর্মকর্তাগণ উপসি’ত ছিলেন।
সভায় সিটি মেয়র বলেন, নগরীর ৪১টি ওয়ার্ডে অনেক সম্পদ রয়েছে। এগুলোকে যথাযথভাবে কাজে লাগাতে আয়বর্ধক প্রকল্প গ্রহণ করতে হবে। করপোরেশনের আয়ের ওপর নির্ভর করে নগরীর উন্নয়ন কার্যক্রম। তাই থানা ভিত্তিক জরিপের মাধ্যমে আয়বর্ধক কি ধরনের প্রকল্প হাতে নেয়া যায় এ ব্যাপারে প্রয়োজনীয় ব্যবস’া নেয়ার জন্য কাউন্সিলরদের প্রতি আহ্বান জানান।
মেয়র বলেন, চট্টগ্রামেই হচ্ছে এশিয়ার বৃহত্তম আধুনিক কসাইখানা। নগরীর চান্দগাঁও পুরাতন থানা এলাকায় সিটি করপোরেশনের ৮৮ শতক জায়গার উপর এই কসাইখানা নির্মিত হবে। অত্যাধুনিক এই কসাইখানা নির্মাণে ব্যয় হবে প্রায় ৮০ কোটি টাকা। প্রকল্প বাসত্মবায়ন হলে পশু জবাই ব্যবস’াপনা ও পরিবেশ রড়্গায় দেশের অন্যান্য মেগা সিটির চেয়ে একধাপ এগিয়ে যাবে চট্টগ্রাম নগর।
সভায় চসিক পরিচালিত গার্হস’্য অর্থনীতি কলেজে সহশিড়্গা কার্যক্রম, টেকনিক্যাল ইনস্টিটিউটে বিভিন্ন ট্রেড কোর্স চালু এবং অন্যান্য স্কুল-কলেজে মাদক, জঙ্গীবাদ ও বাল্যবিয়ে রোধে সচেতনতামূলক প্রচারণা মূলক কর্মসূচি গ্রহণ, অবকাঠামোগত উন্নয়নসহ নগরীর যানজট সমস্যার নিরসনে বাস-ট্রাক টার্মিনাল, ফুটওভার ব্রিজ, পাবলিক টয়লেট, কিচেন মার্কেট নির্মাণ করা হবে বলে উলেস্নখ করা হয়। নগরীকে স্বপ্নের গ্রিন ক্লিন সিটিতে রূপানত্মরের লড়্গ্যে আউটসোর্সিংয়ের মাধ্যমে সৌন্দর্যবর্ধন কার্যক্রমের অংশ হিসেবে করপোরেশনের পরিত্যক্ত জায়গাকে উদ্যানে পরিণত করা, দুর্যোগকালীন পরিসি’তি মোকাবেলায় প্রস’তি ও সচেতনতা কার্যক্রম গ্রহণের সিদ্ধানত্ম নেয়া হয়।