চমেকে প্রশিক্ষণ কর্মসূচি গবেষণামুখী মেডিক্যাল শিক্ষার বিকল্প নেই

প্তি

সমাজ-সচেতন ডাক্তার তৈরির জন্য গবেষণামুখী মেডিক্যাল শিক্ষা অপরিহার্য। চট্টগ্রাম মেডিক্যাল কলেজের (চমেক)’র নতুন অডিটোরিয়ামে গবেষণা প্রশিড়্গণ কর্মসূচির সমাপনী অনুষ্ঠানে বক্তারা উপরোক্ত মনত্মব্য করেন। ক্রিকস, পিপিআরসি ও হেলদি বাংলাদেশের যৌথ উদ্যোগে ও চট্টগ্রাম মেডিক্যাল কলেজের ছাত্র সংসদের সহায়তায় এ প্রশিড়্গণ কর্মসূচিতে সভা পরিচালনা করেন ক্রিকস পরিচালক প্রফেসর ডা. তাহমিনা বানু।
এতে প্রধান আলোচক ছিলেন চট্টগ্রাম মেডিক্যাল কলেজ অধ্যড়্গ ডা. সেলিম জাহাঙ্গীর। সভায় সভাপতিত্ব করেন তত্বাবধায়ক সরকারের সাবেক উপদেষ্টা পিপিআরসি চেয়ারম্যান ও হেলদি বাংলাদেশ আহ্বায়ক ড. হোসেন জিলস্নুর রহমান।
দশটি গবেষণা দলের গবেষণাপত্র মূল্যায়নে জুরি ছিলেন প্রফেসর তাহমিনা বানু, বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরোর ডেপুটি ডাইরেক্টর আলমগীর হোসেন, ভারতবর্ষের স্বাস’্য মন্ত্রণালয়ের জনস্বাস’্য বিষয়ক জাতীয় উপদেষ্টা প্রফেসর নভোজিৎ রায় ও অক্সফোর্ড বিশ্ববিদ্যালয়ের জন রেডক্লিক হাসপাতালের শিশু সার্জারি প্রফেসর কোকিলা লাখু।
সার্বিক মূল্যায়নে প্রথম স’ান অধিকারী গবেষণা দলের সদস্যরা ছিলেন চমেক ছাত্র তাজকিয়া মোসত্মাফা খাদেম, শায়েরা তাসফিয়া, অনুশতোষ সরকার, আতিকুর রহমান রাফি ও মালিহা মেহজাবিন।
ক্রিকস ও পিপিআরসি’র পড়্গ থেকে প্রথম, দ্বিতীয় ও তৃতীয় স’ান অধিকারী গবেষণা দলকে আর্থিক পুরস্কার হাতে তুলে দেন চমেক অধ্যড়্গ ডা. সেলিম জাহাঙ্গীর। বিশ্বের সাথে তাল মেলাতে হলে গবেষণামুখী মেডিক্যাল শিক্ষার কোনো বিকল্প নেই বলে উলেস্নখ করেন ক্রিকস পরিচালক ও শিশু সার্জন প্রফেসর ডা. তাহমিনা বানু। শ্রীলংকার ছাত্ররা এখন চমেকে আসতে উৎসাহী হচ্ছে জানিয়ে চমেক অধ্যড়্গ মেডিক্যাল শিড়্গার মানোন্নয়নে সর্বাধিক গুরম্নত্ব দেওয়ার প্রত্যয় ব্যক্ত করেন।
ড. হোসেন জিলস্নুর রহমান বলেন, সরকারি কর্মসূচির পাশাপাশি সরকারি-বেসরকারি যৌথ উদ্যোগই হেলদি বাংলাদেশের স্বপ্ন নিশ্চিত হতে পারে। বিজ্ঞ