চবিতে সংঘর্ষের ঘটনায় তদন্ত কমিটি গঠন

চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তিচ্ছু শিক্ষার্থীদের শুভেচ্ছা জানাতে গিয়ে ছাত্রলীগের সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদকের গ্রুপের মধ্যে সংঘর্ষ, দুটি হল থেকে অস্ত্র উদ্ধারের ঘটনায় তিনটি মামলা ও বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন থেকে একটি তদন্ত কমিটি করা হয়েছে। গত সোমবার রাতে পুলিশ বাদি হয়ে ৬৫ জনের নাম উল্লেখ করে এ মামলা ৩টি দায়ের করে।
এছাড়া গতকাল মঙ্গলবার সকালে বিশ্ববিদ্যালয়ের সহকারী প্রক্টর হেলাল উদ্দিন চৌধুরীকে প্রধান করে ৩ সদস্য বিশিষ্ট তদন্ত কমিটি গঠন করেছে বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ। কমিটির অন্য সদস্যরা হলেন- সহকারী প্রক্টর মিজানুর রহমান ও শহীদুল ইসলাম।
হাটহাজারী সার্কেলের সহকারী পুলিশ সুপার (এএসপি) মশিউদ্দৌলা রেজা জানান, ‘পুলিশের ওপর হামলার ঘটনায় উপ-পরিদর্শক (এসআই) মঞ্জুর আহমেদ বাদি হয়ে ৫৫ জনের নাম উল্লেখসহ ১২০ জনকে অজ্ঞাতনামা আসামি করে হাটহাজারী থানায় একটি মামলা করেছেন। অন্যদিকে শাহ জালাল ও শাহ আমানত হলে অস্ত্র উদ্ধারের ঘটনায় এসআই হাবিবুর রহমান ও স্বপন কুমার দে বাদি হয়ে দুটি মামলা করেন। মামলা দুটিতেই পাঁচজন করে মোট ১০ জনের নাম উল্লেখসহ আরও ২০-২৫ জনকে অজ্ঞাতনামা আসামি করা হয়েছে।’
বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর আলী আজগর চৌধুরী বলেন, ‘তদন্ত কমিটিকে দ্রুত সময়ের মধ্যে প্রতিবেদন জমা দিতে বলা হয়েছে। বর্তমানে বিশ্ববিদ্যালয়ের পরিস্থিতি শান্ত রয়েছে।’
প্রসঙ্গত, সোমবার বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তিচ্ছুদের শুভেচ্ছা জানাতে গিয়ে ছাত্রলীগের দুই গ্রুপ সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়ে। এ সময় তিন পুলিশসহ অর্ধশতাধিক নেতাকর্মী ও সাধারণ শিক্ষার্থী আহত হন। পরে পুলিশ শাহজালাল ও শাহ আমানত হলে তল্লাশি চালিয়ে তিনটি আগ্নেয়াস্ত্রসহ বিপুল পরিমাণ দেশীয় অস্ত্র উদ্ধার করে।

আপনার মন্তব্য লিখুন