চবিতে শিক্ষার্থীর ঝুলনত্ম লাশ উদ্ধার

চবি সংবাদদাতা

চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ে (চবি) জাহাঙ্গীর রাজু নামে এক শিড়্গার্থীর ঝুলনত্ম লাশ উদ্ধার করেছে পুলিশ। গতকাল বৃহস্পতিবার সকাল ১১টায় বিশ্ববিদ্যালয়ের সোহরাওয়ার্দী হলের পেছনে বীর মুক্তিযোদ্ধা এতিম আলি কটেজ থেকে তার মরদেহ উদ্ধার করা হয়।
প্রাথমিকভাবে পুলিশ রাজু আত্মহত্যা করেছে বলে জানালেও সুনির্দিষ্টভাবে এর কারণ জানাতে পারেননি।
নিহত জাহাঙ্গীর রাজু বিশ্ববিদ্যালয়ের অর্থনীতি বিভাগের ২০১৪-১৫ শিড়্গাবর্ষের চতুর্থ বষের শিড়্গার্থী। তার গ্রামের বাড়ি নোয়াখালী জেলার সোনাইমুড়ী উপজেলার হোসাইনপুর গ্রামে। তার পিতা সিরাজুল ইসলাম ও মাতা জাহানারা বেগম।
জানা যায়, রাজুর ক্যাম্পাসের বড় ভাই সাজ্জাদ হোসাইন সকালে তার সাথে দেখা করতে বেশ কয়েকবার দরজা নক করেন। ভিতর
থেকে কোনো সাড়া পেয়ে তিনি জানালা দিয়ে ভিতরে রাজুর ঝুলনত্ম মরদেহ দেখতে পান। পরে তিনি বিষয়টি প্রক্টরিয়াল বডিকে জানান। প্রক্টরিয়াল বডি হাটহাজারী থানা পুলিশের সহযোগিতায় রম্নমের দরজা ভেঙ্গে লাশ উদ্ধার করে। পরে ময়নাতদনেত্মর জন্য চট্টগ্রাম মেডিক্যাল কলেজ (চমেক) হাসপাতালে তার লাশটি পাঠানো হয়।
তার সহপাঠী মেহেদী মাসুদ বলেন, ‘সম্ভবত পারিবারিক কলহের কারণে রাজু আত্মহত্যা করেছে। পারিবারিক বিভিন্ন সমস্যা নিয়ে সে বন্ধুদের কাছে বেশ কয়েকবার আলোচনা করেছিল। এছাড়া সে আত্মহত্যা নিয়ে আমাদের সাথে প্রায় মজা করতো এবং অনলাইনে এ সংক্রানত্ম বিভিন্ন রিপোর্ট ও আর্টিকেল পড়তো। কিছু দিন আগেও সে বলেছিল ঢাবিতে এ বছর তিনজন আত্মহত্যা করেছে, তথচ চবিতে একজনও আত্মহত্যা করেনি। যা আমরা সব সময় ঠাট্টা হিসাবে নিতাম। কখনো কল্পনা করতে পারিনি এভাবে সে আমাদের ছেড়ে চলে যাবে।’
হাটহাজারী থানার ওসি মো. বেলাল উদ্দিন জাহাঙ্গীর বলেন, ‘মরদেহ দেখে মনে হয়েছে তিনি আত্মহত্যা করেছেন। আমরা মরদেহটি ময়নাতদনেত্মর জন্য চট্টগ্রাম মেডিক্যাল কলেজ (চমেক) হাসপাতালে প্রেরণ করেছি। তদনত্ম শেষে বিসত্মারিত বিষয়গুলো জানতে পারব।’
বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর প্রফেসর মো. আলী আজগর চৌধুরী বলেন, ‘বিষয়টি জানতে পেরে আমরা দরজা ভেঙ্গে ভিতরে প্রবেশ করে ঝুলনত্ম মরদেহ দেখতে পাই। পরে ময়নাতদনেত্মর জন্য চমেকে পাঠানো হয়। ময়নাতদনত্ম শেষে পুলিশ পরিবারের কাছে লাশ হসত্মানত্মর করবে।’