চবিতে বোমা ভেবে রাতভর আতঙ্ক সকালে মিলল বেগুন!

চবি সংবাদদাতা

বৃহস্পতিবার রাতে চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় আইন অনুষদের ডিনের কার্যালয়ের সামনে দেখা গেছে বোমা সদৃশ একটি বস’। রাতে খবর জানাজানি হলে ক্যাম্পাসজুড়ে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে। দ্রুত ওই স’ানকে ঘিরে ফেলে পুলিশ। কালো টেপে মোড়ানো বস’টি কত বিপজ্জনক হতে পারে তা নিয়ে চলে শিক্ষার্থীদের মধ্যে আলোচনা। পরে বোমা নিষ্ক্রিয় করতে ডাকা হয় মহানগর পুলিশের (সিএমপি) ‘বোম্ব ডিস্পোজাল’ ইউনিটেকে। কিন’ সকালে দেখা যায়, বস’টি আসলে বোমা নয়, টেপ মোড়ানো একটি বড় বেগুন!
জানা যায়, বৃহস্পতিবার রাত ১০টার দিকে বিশ্ববিদ্যালয়ের কর্মচারীরা একটি বোমার মতো বস’ দেখতে পেয়ে পুলিশকে খবর দেয়। পরে বোমা সদৃশ বস’টি উদ্ধার ও পরীক্ষার জন্য চট্টগ্রাম মহানগর পুলিশের বোম্ব ডিস্পোজাল ইউনিটকে ডাকা হয়। শুক্রবার সকাল ১০টায় সিএমপির বোম্ব ডিস্পোজাল ইউনিটের সদস্যরা ঘটনাস’লে হাজির হন। তারা চারপাশ পর্যবেক্ষণের পর সকাল ১১টার দিকে দূর থেকে এটিকে ফাটিয়ে নিষ্ক্রিয় করার চেষ্টা করেন। কিন’ সামান্যতমও ফাটেনি বোমাটি। কারণ দেখা গেল রহস্যময় ওই বস’টি আদৌ বোমা জাতীয় কিছু ছিল না।
হাটহাজারী মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) বেলাল উদ্দিন জাহাঙ্গীর বলেন, ‘সকাল সাড়ে ১০টায় বিশ্ববিদ্যালয়ে বোম্ব ডিস্পোজাল ইউনিট আসার পর বোমা সদৃশ বস’টি দূর থেকে ফাটিয়ে নিষ্ক্রিয় করে। পরে দেখা যায়, সেটা ছিল কালো টেপ দিয়ে মোড়ানো একটা বেগুন। এটির সাথে বৈদ্যুতিক তার যুক্ত ছিল। দেখতে অবিকল হ্যান্ড গ্রেনেডের মতো।’
বিশ্ববিদ্যালয় প্রক্টর মো. আলী আজগর চৌধুরী বলেন, ‘ক্যাম্পাসে আতঙ্ক সৃষ্টি করতে কেউ এটি করে থাকতে পারে। এ ঘটনার সঙ্গে যারা জড়িত, তাদের খুঁজে বের করা হবে।’
প্রসঙ্গত, গত বুধবার দুপুরে সীতাকুণ্ডে পৌরসভা এলাকায় উপমহাদেশের সনাতন সম্প্রদায়ের অন্যতম তীর্থস’ান ভোলাগিরি আশ্রমের সামনে থেকে পরিত্যক্ত অবস’ায় একটি তাজা বোমা উদ্ধার করে বোম্ব ডিস্পোজাল ইউনিট।