ইয়াবা ব্যবসায়ী

চন্দনাইশের ফারুক ‘বন্দুকযুদ্ধে’ নিহত

নিজস্ব প্রতিনিধি, চন্দনাইশ
Chandanaish Pic- 23-05-2018..

ফেনীর দৌলতপুরে র্যাবের সাথে ‘বন্দুকযুদ্ধে’ ইয়াবা ব্যবসায়ী চন্দনাইশের ফারুক (৩৩) নিহত হয়েছেন। এসময় তার কাছে থাকা ২২ হাজার ইয়াবা, একটি ওয়ান শুটারগান, একটি প্রাইভেটকার, ৫ রাউন্ড তাজা কার্তুজ, ৫ রাউন্ড কার্তুজের খোসা উদ্ধার করা হয়েছে। গত ২২ মে রাতে প্রাইভেটকারযোগে ইয়াবা পাচারের সময় র্যাব সদস্যদের সাথে ফারুকের বন্দুকযুদ্ধের ঘটনা ঘটে। নিহত ফারুক চন্দনাইশ উপজেলার বৈলতলী জাফরাবাদ গ্রামের অলি আহমদের দ্বিতীয় ঘরের প্রথম পুত্র। গতকাল ময়না তদন্ত শেষে গ্রামের বাড়িতে তার লাশ পারিবারিক কবরস’ানে দাফন করা হয়।
গতকাল সরেজমিনে বন্দুকযুদ্ধে নিহত ইয়াবা ব্যবসায়ী ফারুকের গ্রামের বাড়িতে গিয়ে জানা যায়, সে গত কয়েক বছর ধরে চট্টগ্রাম নগরীতে বসবাস করে আসছিল। সে মাঝেমধ্যে গ্রামের বাড়িতে আসলেও কারো সাথে তার তেমন সম্পর্ক ছিল না। এর আগে সে একটি মোবাইল কোম্পানির প্রাইভেটকার চালাতো। সমপ্রতি গ্রামের বাড়ির পাশে বিশাল এলাকাজুড়ে নতুন বাড়ি করে সে। নিজেদের নিরাপত্তার স্বার্থে নাম প্রকাশ না করার শর্তে এলাকার জনপ্রতিনিধিসহ অনেকেই জানিয়েছেন, ফারুক একজন ইয়াবা ব্যবসায়ী। তারা জানায়, ফারুক কয়েক বছর আগেও একটি মোবাইল কোম্পানির প্রাইভেটকার চালক ছিল। কোনো ব্যবসা-বাণিজ্য না থাকলেও ফারুক গত ২ বছর ধরে নিজস্ব গাড়ি নিয়ে চলাফেরা করা ছাড়াও বিলাসী জীবনযাপন করতো। চট্টগ্রাম শহরে ফ্ল্যাট ভাড়া নিয়ে সেখানে স্ত্রী এবং ১ ছেলে ২ মেয়েকে নিয়ে বসবাস করতো। তারা জানায়, গত কয়েক মাস আগে এলাকায় ফারুকের সাথে আরেক ইয়াবা ব্যবসায়ীর প্রকাশ্যে ঝগড়া হয় এবং তারা পৃথক হয়ে যায় এবং ফারুক পুনরায় একা ইয়াবার ব্যবসা শুরু করে। তবে নিহত ফারুকের স্ত্রী সায়রা বেগম চট্টগ্রাম শহরে বসবাসের বিষয়টি অস্বীকার করেন। নিহত ফারুকের ৭ বছর বসয়ী ওসমান গণি জুবায়ের নামে ১টি পুত্রসন্তান ও সাইফা ও ফারিয়া নামে ৩ বছর বয়সী ২টি জমজ কন্যাসন্তান রয়েছে।