চট্টগ্রাম কাস্টম হাউসে দুদকের অভিযান ঘুষের টাকাসহ কর্মকর্তা আটক

সুপ্রভাত রিপোর্ট

চট্টগ্রাম কাস্টম হাউসে সমুদ্রগামী জাহাজকে ছাড়পত্র প্রদানে ঘুষ বাণিজ্য ও দুর্নীতির বিষয়ে দুদকের অভিযোগ কেন্দ্রে (হটলাইন-১০৬) অভিযোগ পেয়ে গতকাল বৃহস্পতিবার সেখানে অভিযান চালিয়েছে দুদকের এনফোর্সমেন্ট ইউনিট।
দুদক এনফোর্সমেন্ট ইউনিটের প্রধান সমন্বয়ক ও মহাপরিচালক (প্রশাসন) মোহাম্মদ মুনীর চৌধুরী গতকাল এ অভিযান চালানোর নির্দেশ দেন। দুদকের চট্টগ্রাম-২ সমন্বিত জেলা কার্যালয়ের উপপরিচালক মুহাম্মদ মাহবুবুল আলমের নেতৃত্বে সহকারী পরিচালক জাফর আহমেদ ও মো. হুমায়ুন কবীর এ অভিযানে অংশগ্রহণ করেন।
অভিযানকালে দুদকের টিম চট্টগ্রাম কাস্টম হাউসের রেভিনিউ অফিসার (প্রশাসন) নাজিমুদ্দিন কর্তৃক সমুদ্রগামী জাহাজের ছাড়পত্র প্রদানে হয়রানির সত্যতাসহ ঘুষ গ্রহণের প্রমাণ পায়। দুই ঘণ্টার এ অভিযান শেষে কাস্টমস অফিসার নাজিমুদ্দিন কর্তৃক ঘুষ গ্রহণের বিষয়টি জাতীয় রাজস্ব বোর্ড কর্তৃপড়্গকে অবহিত করা হলে গতকাল তাকে বরখাসত্ম করা হয়।
এদিকে অভিযানের এক পর্যায়ে নাজিমুদ্দিনের ব্যবহৃত স্টিল আলমিরা খুলে দুদক টিম ৬ লড়্গ টাকা উদ্ধার করে এবং কাস্টমস কর্তৃপড়্গের উপসি’তিতে ঘটনাস’লে তা জব্দ করে। এর পরপরই দুদক টিম উদ্ধার হওয়া টাকাসহ তাকে আটক করে।
এ অভিযান পরিচালনা প্রসঙ্গে এনফোর্সমেন্ট অভিযানের সমন্বয়কারী দুদকের মহাপরিচালক (প্রশাসন) মোহাম্মদ মুনীর চৌধুরী বলেন, ‘দেশের আমদানি-রপ্তানি বাণিজ্যকে নির্বিঘ্ন রাখতে দুদক এ অভিযান চালিয়েছে। দেশের রাজস্ব আদায়ের প্রবেশদ্বারকে অবশ্যই দুর্নীতিমুক্ত রাখতে হবে। শিপিং এজেন্টসহ ব্যবসায়ীরা ঘুষ প্রদানের বিরম্নদ্ধে কঠোর অবস’ান নিলে এবং ঘুষ প্রদানে বিরত থেকে দুদকে তাৎড়্গণিক অভিযোগ করলে এ ধরনের দুর্নীতি প্রতিরোধ করা সম্ভব। দুর্নীতির প্রমাণ পেলে দুদক অবশ্যই আইনি ব্যবস’া নেবে। দায়ী কর্মকর্তার বিরম্নদ্ধে অনুসন্ধান শুরম্ন করবে। ভবিষ্যতে কেউ যাতে দুর্নীতি ও হয়রানি করতে না পারে কাস্টমস কর্তৃপড়্গকে সে বিষয়ে সতর্ক থাকতে হবে। যে কোন মুহূর্তে এ ধরনের অভিযান আরও চালানো হবে।’